ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় বুধবার এক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার এ কথা জানান। তিনি
অস্থির পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা সেন্টার এবং যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলে সেখানকার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এরমধ্যে যারা ভারতীয় ভিসা আবেদনের জন্য পাসপোর্ট জমা
বাংলাদেশে থাকা ভারতের ভিসা সেন্টারগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের (আইভিএসি) ওয়েবসাইটে এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, অস্থির পরিস্থিতির কারণে ভারতের
বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে ভারতীয় হাইকমিশন এবং কনস্যুলেট থেকে জরুরি নয় এমন অপ্রয়োজনীয় কর্মীদের ভারত ফিরিয়ে নিয়েছে বলে বার্তাসংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানায় ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যম। বুধবার (৭ আগস্ট) এই
বাংলাদেশকে নিয়ে বার্তা দিয়েছে চীন। মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের কাছে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে তিনি বলেন, একটি বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী এবং কৌশলগত সহযোগী হিসেবে চীন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের অসহযোগ আন্দোলনে সারা দেশ এখন উত্তাল। রোববার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এই সংঘর্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ সারা বাংলাদেশে নিহত হয়েছেন অন্তত ৯৯ জন।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে সৃষ্ট সহিংসতা অবিলম্বে বন্ধ করুন। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিষয় স্মরণ করিয়ে দিয়ে ভলকার তুর্ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ আন্দোলনের সমর্থনে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রবাসী বাংলাদেশিরা সংহতি প্রকাশ করেছেন। রোববার স্থানীয় সময় দুপুরের পর থেকে ইস্ট লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে নানা ধরনের প্ল্যাকার্ড নিয়ে
দেশের বিভিন্ন স্থানে এক দফা দাবিতে রোববার (৪ আগস্ট) ছাত্র বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় এবং অনেক হতাহতের ঘটনায় এখানে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিকদের ‘সতর্ক থাকার’ আহ্বান জানিয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস।
চলমান আন্দোলনের কারণে সিকিউরিটি অ্যালার্ট দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। দূতাবাসের ওয়েবসাইট খুললেই মার্কিন নাগরিকদের জন্য ওই সিকিউরিটি অ্যালার্ট দিয়েছে দূতাবাস। বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন বা বিক্ষোভের সময় সিকিউরিটি অ্যালার্ট দিলেও সম্ভবত