

যুক্তরাজ্যের ওয়েলস সিনেড (পার্লামেন্ট) নির্বাচন গত বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ৭ টা থেকে রাত ১০ টা অবধি বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে ৯৬ টি আসনে ভোট গ্রহণ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) ভোট গননা শেষে একে একে বিভিন্ন আসনের সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ঘোষণার মাধ্যমে রেজাল্ট আসতে থাকে।
ওয়েলসের কাডিফ থেকে সাংবাদিক মোহাম্মদ মকিস মনসুর জানান সম্পূর্ণ ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার ফলে ওয়েলসের নতুন রাজনৈতিক মানচিত্র উন্মোচিত হয়েছে।
ওয়েলশের ইতিহাসে আজ এক যুগান্তকারী দিন হিসাবে অনেকে অভিমত ব্যাক্ত করেছেন।
ওয়েলসের লকেল পার্টি প্লাইড ক্যামরু ৪৩টি আসন পেয়ে বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। যা সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে মাত্র ছয়টি কম। নতুন দল হিসাবে আলোচিত পার্টি রিফর্ম ইউকে ৩৪টি আসন নিয়ে ২য় স্থান অধিকার করেছে।
ওয়েলস লেবার পার্টি ওয়েলস এসেম্বলিতে ২৭ বছর ক্ষমতায় থাকার পর এবার শোচনীয় পরাজয়ের শিকার হয়েছে তারা মাত্র নয়টি আসন পেয়েছে। কনসারভেটিভ ৭ টি আসন গ্রীন পার্টি ২ আসন ও লিবারেল ডেমোক্রেট ১ টি আসন পেয়েছে।
যদিও এটি বৃহত্তম দল, প্লাইড এখনও ৪৯ আসনের সামগ্রিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে পিছিয়ে আছে এবং সরকার গঠনে সহায়তার জন্য তাদের অন্যদের সমর্থনের প্রয়োজন হবে।
প্লাইড ক্যামরু লিডার রুন অ্যাপ ইওরওয়ার্থ বলেছেন যে তিনি একটি নতুন ওয়েলশ সরকার গঠনের জন্য অন্যান্য দলের সাথে “যোগাযোগ” করবেন এবং তার দল তাকে ফাস্ট মিনিষ্টার হিসেবে মনোনীত করবে।
এদিকে ওয়েলশ লেবার পার্টির নেত্রী এলুনেড মরগান নির্বাচনে আসন হারানো প্রথম ক্ষমতাসীন ওয়েলস নেত্রী হয়েছেন। তার দলের জন্য এটি ছিল একটি বিপর্যয়কর দিন, ইতিমধ্যে তিনি পদত্যাগ করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি তার দলের এই বাজে ফলাফলের “দায়িত্ব” নিচ্ছেন।
রিফর্ম ইউকে-র ড্যান থমাস সেনেডের দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে ৩৪ জন মূলত অনভিজ্ঞ রাজনীতিবিদের একটি গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিয়ে বিরোধী দলের আনুষ্ঠানিক নেতা হবেন। এজন্য তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এদিকে বৃটেনের ওয়েলস (সিনেড) পার্লামেন্ট নির্বাচনে এবার যে ৪ জন বৃটিশ-বাংলাদেশী প্রার্থী হয়েছিলেন তাঁদের পক্ষে জয়ী হওয়া সম্ভব হয়নি।