

স্পোর্টস ডেস্ক: শেষ দুই ওভারে অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন ছিলো ২২ রান। আফ্রিদির করা ১৯তম ওভারের প্রথম দুই বলে তিন রান সংগ্রহ করেন অস্ট্রেলিয়ার দুই ব্যাটসম্যান ম্যাথু ওয়েড ও স্টয়নিস।
তৃতীয় বলেই ওয়েডের সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেন হাসান আলী। ওই বলে দুই রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। নতুন জীবন পেয়েই শাহিন আফ্রিদির তিন বলে তিন ছয় মেরে অস্ট্রেলিয়াকে ফাইনালে তোলেন ওয়েড। আগামী রোববার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড।
১৭৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই শাহিন আফ্রিদির তোপে পরে অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই অ্যারন ফিঞ্চকে বিদায় করে পাকিস্তানকে প্রথম সফলতা এনে দেন এই পেসার। এর পরেই মিচেল মার্শকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ান ডেভিড ওয়ার্নার।
এরা দু’জন পাওয়ার প্লে-তে সংগ্রহ করেন ৫১ রান। ২২ বলে ২৮ করা মার্শকে ফিরিয়ে দলকে দ্বিতীয় সফলতা এনে দেন শাদাব খান। এরপর ৩০ বলে ৪৯ রান করা ওয়ার্নারকে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে ম্যাচে ফেরান এই স্পিনার। পরের ওভারে ম্যাক্সওয়েলকে বিদায় করে পাকিস্তানকে ম্যাচে ফেরান শাদাব খান।
ষষ্ঠ উইকেটে ম্যাথু ওয়েডকে সঙ্গে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্ঠা করেন স্টয়নিস। এরা দু’জন শেষ পর্যন্ত ৮১ রানের জুটি গড়ে অস্ট্রেলিয়াকে ফাইনালে তোলেন। ম্যাথু ওয়েড ১৭ বলে ৪১ রানে অপরাজিত থাকেন। স্টয়নিস করেন ৪০ রান।
এর আগে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়াকে ১৭৭ রানের টার্গেট দিয়েছে পাকিস্তান।
শুরুতে বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ৪৭ রান সংগ্রহ করে তারা।
এরপরেই পাকিস্তানের রানের লাগাম টেনে ধরেন অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা। জাম্পা ও ম্যাক্সওয়েলের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১০ ওভারে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাড়ায় ৭১। ৩৪ বলে ৩৯ রান করে জাম্পার বলে ফেরেন বাবর আজম।
৫২ বলে ৬৭ রান করেন রিজওয়ান। শেষ দিকে ফকর জামান ৩২ বলে ৫৫ রানের ঝড়ো এক ইনিংস খেললে ১৭৬ রানের বড় সংগ্রহ পায় পাকিস্তান।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একমাত্র অপরাজিত দল পাকিস্তান। আবার ক্রিকেটের বিশ্বমঞ্চের নক-আউট ম্যাচে কখনই পাকিস্তানের কাছে হারেনি অস্ট্রেলিয়া।
২০১০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারে পাকিস্তান। তবে পাকিস্তানকে আত্মবিশ্বাস যোগাবে দারুণ এক পরিসংখ্যান। আরব আমিরাতে খেলা আগের ১৬ টি-টোয়েন্টিতেই জিতেছে পাকিস্তান।