

বিনোদন ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগে রেকর্ডের দারপ্রান্তে ছিলো বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। রেকর্ড করতে সাকিবের প্রয়োজন ছিলো ১০ উইকেট। তবে বাছাই পর্বের তিন ম্যাচেই সেই রেকর্ডের খাতা প্রায় পূর্ণ করে ফেললেন সাকিব আল হাসান।
স্কটল্যান্ড, ওমান এবং পাপুয়া নিউগিনিসহ সর্বশেষ তিন ম্যাচে ৯ উইকেট তুলে নিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের পোস্টার বয়। তবু বাকি রইলো ১টি উইকেট। ফলে ৯ উইকেট শিকার করায় সাকিব ভাগ বসিয়েছে শহিদ আফ্রিদির তালিকায়।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাকিব আল হাসান এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ৭টি আসর অংশ নিয়েছেন। গত ৬ আসরে সাকিবের উইকেট সংখ্যা ছিলো ৩০টি। এই ৩০ উইকেট শিকার করে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির তালিকায় সাকিব ছিলেন ৬ নম্বরে। তবে সেখান থেকে এক লাফে মাত্র ৩ ম্যাচে সাকিব চলে এলেন শীর্ষে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাকিবের মতো সমান ৩৯টি উইকেট শিকার করে এই তালিকার দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছেন পাকিস্তানের সাবেক তারকা অলরাউন্ডার শহিদ আফ্রিদি। তবে আফ্রিদি ৩৪ ইনিংসে উইকেট নিয়েছে ৩৯টি সেখানে সাকিব ইনিংস খেলেছেন ২৭টি। এছাড়া ইকোনমি এবং গড়েও আফ্রিদির চেয়ে এগিয়ে সাকিব।
চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে সাকিব উইকেট নেন ২টি। নিজদের দ্বিতীয় ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে নেন ৩ উইকেটে। বাছাই পর্বের তৃতীয় এবং শেষ ম্যাচে পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে ৪ ওভার বল করে সাকিবের সংগ্রহ ৪ উইকেট।
এখন প্রথম পর্বের তিন ম্যাচ শেষে সুপার টুয়েলভে আরও পাঁচটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। সেই পাঁচ ম্যাচ থেকে আর মাত্র একটি উইকেট পেলেই এককভাবে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হবেন সাকিব।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি
সাকিব আল হাসান – ২৭ ইনিংসে উইকেট সংখ্যা ৩৯টি, সেরা বোলিং ফিগার ৪/৯ শহিদ আফ্রিদি – ৩৪ ইনিংসে উইকেট সংখ্যা ৩৯টি , সেরা বোলিং ফিগার ৪/১১ লাসিথ মালিঙ্গা – ৩১ ইনিংসে উইকেট সংখ্যা ৩৮টি , সেরা বোলিং ফিগার ৫/৩১ সাইদ আজমল – ২৩ ম্যাচে উইকেট সংখ্যা ৩৬টি , সেরা বোলিং ফিগার ৪/১৯ অজন্থা মেন্ডিস – ২১ ম্যাচে উইকেট সংখ্যা ৩৫টি , সেরা বোলিং ফিগার ৬/৮