মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পঞ্চগড়ে যুবকের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠিত কৃষকদের মাঝে ভার্মি কম্পোস্ট সেপারেটর মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠিত মিজান সভাপতি ও কাশেমকে সম্পাদক নির্বাচিত করে শ্রীমঙ্গল রেফারিজ এসোসিয়েশনের কমিটি গঠিত রবি’র উদ্যোগে হামজা চৌধুরীর সঙ্গে ভক্তদের আড্ডা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও উপজেলার চৌধুরীহাট ব্যবসায়ী সমিতির কমিটি গঠিত পার্বত্যবাসী নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য দিয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে- দীপেন দেওয়ান এমপি তেতুলিয়ায় উন্মুক্ত জবাবদিহি মুলক সভা অনুষ্ঠিত শ্রীমঙ্গলে সড়ক পুনর্বাসন কাজের শুভ উদ্বোধন ওয়েলস সিনেড নির্বাচনে নতুন রাজনৈতিক মানচিত্র উন্মোচিত

সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল

ভারতকে দুটি বন্দর ব্যবহারের অনুমতি

কূটনৈতিক প্রতিবেদক
  • খবর আপডেট সময় : শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ২০৩ এই পর্যন্ত দেখেছেন

বন্দর ব্যবহারে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ভারতীয়দের অনুমতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

এ বিষয়ে বাংলাদেশের নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল বলেছেন, এটি নতুন কোনো খবর নয়। প্রক্রিয়াটি শুরু হয়েছিল সাত-আট বছর আগে। তাদের (ভারতকে) বন্দর ব্যবহারের সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে আমরাও কলকাতা বন্দর ব্যবহার করছি।

বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া টুডের বরাতে ‘বাংলাদেশ বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে: ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী’ শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়। পরে এ বিষয়ে সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামালের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার মুম্বাইয়ে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের (আইআইএম) শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহারের বিষয়ে কথা বলেন।

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান কানেক্টিভিটির প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘ভারতীয়দের প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ তার বন্দরগুলো (চট্টগ্রাম ও মোংলা) ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। এর ফলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অর্থনীতি বদলে যাবে।

এস জয়শঙ্কর বলেন, আপনি যদি আজ বাংলাদেশে যান, তাহলে দেখবেন দুই দেশের মধ্যে ট্রেন চলছে, বাস চলছে…। প্রথমবারের মতো ভারতীয়দের বাংলাদেশের বন্দরগুলো ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ায় এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে (অর্থনীতিতে) বিশাল প্রভাব ফেলবে।

জয়শঙ্কর বলেন, এটি (বাংলাদেশের অনুমতি) না হলে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মানুষকে শিলিগুড়ি দিয়ে এসে তারপর ভারতের পূর্বাঞ্চলের বন্দরগুলোতে যেতে হতো। তারা এখন চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করতে পারবে।

তিনি বলেন, আগরতলা-আখাউড়া রেললাইনের ফলে বাংলাদেশ এবং ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোর মধ্যে ভ্রমণের সময় ও দূরত্ব কমে যাবে। বৃহত্তর বাজারে প্রবেশাধিকার, পণ্য পরিবহন ও দুই দেশের মানুষে মানুষে যোগাযোগ বাড়বে।
ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক সংযোগ এবং সাহিত্য, সংগীত ও শিল্পের প্রতি একই অনুরাগ ভারত-বাংলাদেশের অভিন্ন ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মুম্বাইয়ে জয়শঙ্করের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চান, মালদ্বীপের পর বাংলাদেশেও ‘ভারত খেদাও’ আন্দোলন শুরু হয়েছে। এটা কী ভারতের পররাষ্ট্রনীতির ব্যর্থতা?

জবাবে ব্যর্থতার অভিযোগ নাকচ করে তিনি বলেন, চীন একটি বড় অর্থনীতির দেশ। তারাও তাদের প্রতিবেশীদের (মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, বাংলাদেশ) প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার এ যুগে আমাদের আরও ভালো করতে হবে।

নিউজ /এমএসএম

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102