

বিনোদন ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরেই মঞ্চ নাটকের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তরুণ অভিনেত্রী স্নিগ্ধা। নয় বছর আগে ‘দৃষ্টিপাত নাট্য সংসদ’র হয়ে কাজ করেছেন। সেই মঞ্চের ‘নাগর আলীর কিচ্ছা’ ও ‘কয়লা রঙ্গের চাদর’ নাটক দুটিতে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছিলেন। ‘নাগর আলী কিচ্ছা’র চারটি নারী চরিত্রেই ধাপে ধাপে তিনি অভিনয় করেছেন এবং ‘কয়লা রঙ্গের চাদর’ নাটকে তিনি অভিনয় করেন সাথী চরিত্রে। দুটি নাটকই রচনা ও নির্দেশনা দেন ম আ সালাম।
এর বাইরে স্নিগ্ধা শ্রাবণ পথ নাটক ‘জোড়াতালি’তেও অভিনয় করেন। এটি রচনা করেছেন ম আ সালাম এবং নিদের্শনা দেন কাজী আনিস। নাটকে একজন ‘বীরাঙ্গনা’র চরিত্রে স্নিগ্ধার অভিনয় সবসময়ই প্রশংসিত হয়ে আসছে। মঞ্চ নাটকে অভিনয়ের সুবাদেই তিনি কাজ করার সুযোগ পান জুয়েল মাহমুদের নির্দেশনায় ধারাবাহিক নাটক ‘আকাশ মেঘে ঢাকা’ এবং ‘বধু কেন মন বুঝেনা’তে। পরিচালকের ভাষ্যমতে, এই দুটি নাটকে স্নিগ্ধা খুব গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। তবে অভিনয়ের দুনিয়ায় বলা যায় দীর্ঘদিনের পথ চলা হলেও সিনেমায় অভিনয়ের স্বপ্নটা যেন তার বাকীই রয়ে গেছে।

স্নিগ্ধা বলেন, ‘মঞ্চ নাটক, টিভি নাটকে অভিনয় করেছি। চেষ্টা করেছি আমাকে যেসব চরিত্রে অভিনয় করার জন্য পরিচালকেরা নির্বাচিত করেছিলেন তাতে নিজেকে যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে। কিন্তু আমার অনেকদিনের স্বপ্ন একটি ভালো গল্পের সিনেমায় খুব চমৎকার একটি চরিত্রে অভিনয় করার। আমি জানিনা আমার এ স্বপ্ন পূরণ হবে কী না। মাঝে মাঝে মনে হয় হয়তো স্বপ্ন পূরণ হবে, আবার মাঝে মাঝে কিছুটা হতাশও হয়ে যাই। তবে আমার বিশ্বাস আমার এ স্বপ্ন পূরণ হবে।’
স্নিগ্ধা শ্রাবণ, ভৈরবের মেয়ে। অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্নের বিভোর অনেক আগে থেকেই। সে স্বপ্ন নিয়েই নাট্যাঙ্গনের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছিলেন। যে কারণে অভিনয়ের শেকড় হিসেবে যা সবার কাজে স্বীকৃত সেই মঞ্চ দলের সাথেও নিজেকে সম্পৃক্ত করেন।
এরইমধ্যে বিটিভির একটি নাটকের কাজ শেষ করেছেন স্নিগ্ধা। দীপ্ত টিভিরও একটি নাটকে কাজ করছেন তিনি। এস এ হক অলিক পরিচালিত ‘হরেক রকম প্রেম’ ও রাকেশ বসু পরিচালিত ‘এ বাড়ি ও বাড়ি’ নাটক দুটিও শ্রাবণ অভিনীত দর্শকপ্রিয় নাটক। স্নিগ্ধা প্রথম ‘আকাশ মেঘে ঢাকা’ ধারাবাহিকে অভিনয় করেন। এরপর তিনি ‘সোনার সুতো’, ‘লেডিস ফার্স্ট’, ‘শোধ’, ‘সোনার শেকল’, ‘গোধূলী নীরবতার গল্প’সহ আরো বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেন।