এই সময়কার কবিদের মধ্যে যাঁরা একমাত্র কবিতার মধ্যে নিজেকে আদ্যোপান্ত সোপে দিয়েছেন এবং নিজের নামটাকে কবিতার সাথে সাথে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম কবি বিদ্যুৎ
খানে রোজ স্বপ্নে ফুল ফোটেএখানেমন হারানোর কথা কাব্যছোটায় ভালোবাসা ,—-এই এখানে প্রথম প্রথমস্পর্শতে ঘুম ভাঙে ; তবুও যেনএই এখানে আমারযাওয়া – আসা !#সেই যে একা ওই ওখানেএকান্ত নির্জন ,— মনের

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যকে সমগ্র বিশ্বে পরিচিত করেছেন। বাংলা সাহিত্যের এমন কোনো শাখা নেই যেখানে তার পদচারণা নেই। বাঙালির অস্তিত্ব ও সংস্কৃতির সাথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ওতপ্রোতভাবে মিশে আছেন। বাংলা নববর্ষের প্রথমদিনটিতেই আমরা তাঁর রচিত “এসো হে বৈশাখ” গানটির মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নিই। বাঙালির চিন্তা, চেতনা ও অনুভূতিকে সার্থকভাবে প্রতিফলিত করে বলেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান “আমার সোনার বাংলা” গানটিকে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের মর্যাদা দিয়েছেন। রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকর্ম বিশেষত কবিতা ও গান বঙ্গবন্ধুর চেতনাকে নিরন্তর উদ্দীপ্ত রেখেছিল। বাঙালির মানসপটে রবীন্দ্রনাথ সদাই বিরাজমান। তিনি যেন বলে গেছেন সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কথা। বাংলার সাধারণ, মধ্যবিত্ত ও মাটির মানুষকে সাহিত্যে রূপ দিয়ে তাঁদেরকে আড়াল থেকে আলোকবৃত্তে টেনে আনার গৌরব অর্জনে সক্ষমহয়েছেন। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রেম-বিরহ, আনন্দ-বেদনা, আশা-নিরাশা, সুখ-দুঃখ, সংকটে-সাফল্যে রবীন্দ্রনাথ আমাদের প্রেরণারউৎস। তাই এই করোনাকালেও রবীন্দ্রনাথ আমাদের কাছে অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক। কোভিড-১৯ মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের বিস্তার রোধে সরকার কর্তৃক আরোপিত বিধিনিষেধের আওতায় বর্তমানে জনসমাগমপূর্ণ সকল অনুষ্ঠান ও কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সেজন্য দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে ঘরে বসেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে রবীন্দ্র জন্মবার্ষিকী উদযাপন করার জন্য সকলকে আহবান জানাই। পরিশেষে রবীন্দ্রনাথের ভাষায় বলতে চাই- “নাই নাই ভয়, হবে হবে জয়, খুলে যাবে এই দ্বার”। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের১৬০তম জন্মবার্ষিকীতে আমি তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। আসুন, আমরা সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
প্রহর ঘেরা বাতাসবৃত্তে ; এই মরণ তবুও প্রত্যন্ত গভীরে একেবারেই একক ! ফের অবস্থান গত পরিবর্তনে জমাট নৈঃশব্দ ; এ-কী নীরবতা , না-কি মৃত্যু মৃত্যু নাটক ? # এই রাস্তাতে মুখ ঢাকা নানান চেহারার সময় চলেছে ; ভয়ে ও সর্বনাশের আশংকায় ! অন্য এক নীরবতার নাম কঠিন ও কঠোর উচ্চারণে ভাসছে মন দর্পণে ,—— কেউ কেউ ধুকছে সর্বনাশ আর সর্বময় শেষ স্মৃতিকে বিষর্জন দেবার অতিব আর্তনাদে ! এটাও দেখতে হবে ; ভাবিনি এ”বছরের লোকজন ,—– কানে কানে শ্মশানের ঠিকানা বলে গেছে বা-তা-স ; অথচ মুখ ঢাকা চেহারা গুলো পথে এসে দাঁড়িয়েছে বাঁচার স্বপ্ন নিয়ে , মৃত্যু ও জীবনের একান্ত কাছাকাছি ! # এই এক বারই আকাশ দেখে চোখ ফিরিয়ে নিয়েছি আমি ; অথচ আমার এবং অন্যসব ভিন্ন – ভিন্ন মানুষের দিন লেখা
কবি বিদ্যুৎ ভৌমিক এর কিছু না বলা কথা পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো…………….কি বলবো বলুন তো ! প্রচন্ড ব্যস্ততার মধ্যেও কখনো – সখনো এক অদ্ভুত সময়ের কাছে এসে চুপ করে
ড. এ কে আবদুল মোমেন: মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গর্ব ও অহংকার। দীর্ঘ ন’মাসের রক্তক্ষয়ী এ মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে আমাদের এ বাংলাদেশ। এ যুদ্ধের মূল প্রেরণা ও পথনির্দেশিকা হিসাবে কাজ
স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতার মতো অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে পারলেই জীবনে বড় হতে পারবে। পাশাপাশি ন্যায় ও সত্যের পথে চলতে হবে। আজ বুধবার (১৭ মার্চ) জাতির
মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পেছনে ছিল দেশ–বিদেশের বহু মানুষের একক ও মিলিত চেষ্টা, অজস্র ঘটনাধারা। এখানে রইল একাত্তরের প্রতিটি দিনের সংক্ষিপ্ত বিবরণ। অগ্নিঝরা একাত্তরের মার্চের প্রথম দিন দুপুর পর্যন্ত রাজধানী ঢাকাসহ সারা
‘সর্বত্র বাংলা ভাষার শুদ্ধ ব্যবহার চাই’—এই স্লোগান নিয়ে বরিশালে বর্ণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে বরিশাল নগরের রুপাতলীর কালিজিরা এলাকায় এই মিছিলের আয়োজন করে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন দুঃসাহসী। সামাজিক
‘টু-লেট: চেমি পাকা, ডাবল ও চিগেল ফেমিলি’, ‘ভাই ভাই ভাতের হোটেল অ্যান্ড মোরগ পোলাও রেষ্ঠুরেন্ড’—এই ধরনের সাইনবোর্ড ও বিজ্ঞাপনী পোস্টারে অলিগলির দেয়াল যখন সয়লাব, তখন বুঝতে বাকি থাকে না বাংলা