

প্রহর ঘেরা বাতাসবৃত্তে ; এই
মরণ তবুও প্রত্যন্ত গভীরে
একেবারেই একক !
ফের অবস্থান গত পরিবর্তনে
জমাট নৈঃশব্দ ; এ-কী
নীরবতা , না-কি
মৃত্যু মৃত্যু নাটক ?
# এই রাস্তাতে মুখ ঢাকা নানান
চেহারার সময় চলেছে ; ভয়ে
ও সর্বনাশের আশংকায় !
অন্য এক নীরবতার নাম
কঠিন ও কঠোর উচ্চারণে
ভাসছে মন দর্পণে ,——
কেউ কেউ ধুকছে সর্বনাশ
আর সর্বময় শেষ স্মৃতিকে
বিষর্জন দেবার অতিব
আর্তনাদে !
এটাও দেখতে হবে ; ভাবিনি
এ”বছরের লোকজন ,—–
কানে কানে শ্মশানের ঠিকানা বলে গেছে বা-তা-স ; অথচ
মুখ ঢাকা চেহারা গুলো
পথে এসে দাঁড়িয়েছে বাঁচার
স্বপ্ন নিয়ে , মৃত্যু ও জীবনের
একান্ত কাছাকাছি !
# এই এক বারই আকাশ দেখে
চোখ ফিরিয়ে নিয়েছি আমি ;
অথচ আমার এবং অন্যসব
ভিন্ন – ভিন্ন মানুষের দিন লেখা
আছে এই কপাল রেখায় !
এভাবেই চলে যেতে হবে ; সেটাও কী
ঈশ্বর নামক অদেখা কেউ জানতেন ?
তাই মৃত্যু মৃত্যু ভাসমান
কথায় হৃদয় দেখেছে আমাদের পৃথিবীতে মানুষ
নামক কেউ আগামীতে আর থাকবেনা !
শেষ একবার তাই
যে পৃথিবী ভেজার কথা
সে পৃথিবী না ভেজার কারণ
জানলাম অন্তরে অন্তরে !
# কবি পরিচিতি : বাংলা কাব্যসাহিত্যের দু”ই বাংলার জনপ্রিয় কবি ~ বিদ্যুৎ ভৌমিক | জন্ম ১৬ জুন ১৯৬৪ , ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার ঐতিহাসিক শহর শ্রীরামপুরের শিক্ষিত পরিবারে | মাত্র ৮ বছর বয়সে সত্যজিৎ রায়সম্পাদিত “সন্দেশ” পত্রিকা দিয়ে প্রথম লেখালিখি সূচনা | বাংলা সাহিত্যের প্রথম শ্রেণীর পত্র পত্রিকায় , লিটল ম্যাগাজিন , কবিতা সংকলনে তিনি সুদীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে একটানা লিখে চলেছেন | তাঁর বেশকিছু কাব্যগ্রন্থের মধ্যে জনপ্রিয় > ১ / কথা নারাখার কথা ২/ নির্বাচিত কবিতা ৩/ গাছবৃষ্টি চোখের পাতা ভিজিয়ে ছিল ৪/ নীল কলম ও একান্নটা চুমু — ইত্যাদি | বর্তমানেএকজন কলকাতার জনপ্রিয় বাচিক শিল্পী হিসাবে তিনি তাঁর কন্ঠের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন |