শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিলেট-৬ আসনে বিএনপি প্রার্থীর প্রচারণায় জমিয়ত নেতৃবৃন্দ শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা মানসিক বিকাশে সহায়ক গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র উদ্দোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ঢাকায় ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো লন্ডনে এইডেড হাই স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ৭১-এর অপরাধের দায় জামায়াত এড়াতে পারে না— মির্জা ফখরুল সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক উন্নয়ন বিষয়ক বৈঠক অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা অনু‌ষ্ঠিত ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা হবে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন ও শেখ হাসিনা — ড. এ কে আব্দুল মোমেন

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস নিয়ে ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতার নাম :
  • খবর আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৮ জুন, ২০২১
  • ২২৬ এই পর্যন্ত দেখেছেন

মকিস মনসুর: “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৬দফা বাঙালির মুক্তির সনদ, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সোপান” ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস উপলক্ষে গত ৭ ই জুন সোমবার যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এক ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করা হয়। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধা সুলতান মাহমুদ শরীফ এর সভাপতিত্বে এবং যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক এর পরিচালনায় অনুষ্টিত ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য, সাবেক মন্ত্রী, সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র,জননেতা আমির হোসেন আমু এমপি. প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,সাবেক ছাত্রনেতা মাহবুবুল আলম হানিফ এমপি; বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক ছাত্রনেতা এস এম কামাল হোসেন এমপি.আলোচনা সভায় যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ সহ যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ ও সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন শহরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় প্রধান অতিথি.ও প্রধান বক্তা এবং বিশেষ অতিথি সহ সকল বক্তারা ১৯৬৬ সালের ৭ই জুন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সোপান” ঐতিহাসিক ৬-দফা দিবস ; ঐতিহাসিক এই ছয় দফা কোন রাতারাতি কর্মসূচি ছিল না। এর প্রস্তুতি ছিল দীর্ঘদিনের।ঐতিহাসিক ৬ দফাকে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ আখ্যায়িত করে বক্তারা বলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সব সময় বলতেন ৬ দফা মানেই এক দফা। অর্থাৎ এই ৬ দফার ভেতরেই ছিল স্বাধীনতার বীজ।কারাবন্দি বঙ্গবন্ধুর মুক্তি এবং ৬ দফার দাবিতে আন্দোলন করতে ১৯৬৬ সালের ৭ জুন শহীদের কথা স্মরণ করে বক্তারা আর ও বলেন, এই ৭ই জুনে রক্তের অক্ষরে এই ৬ দফা দাবির কথা লিখে গিয়েছিল বলেই এই ৬ দফার ভিত্তিতে নির্বাচন এবং আমাদের যুদ্ধে বিজয়। আমরা স্বাধীনতা অর্জন করি।তিনি বলেন, সেই হরতালে অনেক মানুষকে তারা হত্যা করেছে। ১১ জন সেখানে জীবন দেন। রক্তের অক্ষরে ৬ দফা তারা লিখে যায়, আর যে ৬ দফার ভিত্তিতে ৭০ এর নির্বাচন হয় সেই নির্বাচনে সমগ্র পাকিস্তানে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পায়, যেটা পাকিস্তানিরা কোনোদিনই আশা করেনি। এরপর অসহযোগ আন্দোলন, ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ দেন। অসহযোগ আন্দোলন থেকে সশস্ত্র বিপ্লব, সশস্ত্র বিপ্লব থেকে বিজয় অর্জন আমরা করেছি।বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার ছাত্রজীবন থেকে এদেশের মানুষের জন্য সংগ্রাম করেছেন। বাঙালি জাতি একটা উন্নত জীবন পাবে, সুন্দর জীবন পাবে এটাই তার আকাঙ্ক্ষা ছিল। তিনি সেটাই চেয়েছিলেন। তার সব সময় চিন্তা ছিল কীভাবে এ জাতিকে দুঃখ-দারিদ্র্য থেকে মুক্তি দেবেন, ক্ষুধা-শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তি দিয়ে একটা উন্নত জীবন দেবেন।উনিশ’শ চল্লিশ সালের লাহোর প্রস্তাব, ‘৪৭ সালের ভারত ভাগ, ১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের জন্ম, রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, ‘৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়, ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের সামরিক শাসন – এসবই ছয় দফার ভিত তৈরি করেছে। বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত ছয় দফা ছিল একটা সাঁকো, যাতে চেপে স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতায় উন্নীত হওয়া যায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের রোডম্যাপ মুলত রচিত হয়েছিলো বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা থেকেই। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ৬-দফা আন্দোলন ১৯৬৬ সালের ৭ই জুন নতুন মাত্রা পায়। বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ৬-দফার প্রতি বাঙালির অকুণ্ঠ সমর্থনে রচিত হয় স্বাধীনতার রূপরেখা। ৬-দফা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে অঙ্কুরিত হয় স্বাধীনতার স্বপ্নবীজ। ৬-দফা ভিত্তিক আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন স্বাধীনতা সংগ্রামে রূপ নেয়। ৬-দফা ভিত্তিক ১১-দফা আন্দোলনের পথপরিক্রমায় শুরু হয় ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান। সর্বোপরি ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে বাংলার জনগণ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে একচেটিয়া রায় প্রদান করে। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের পরও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী যখন সরকার গঠনে নির্বাচিত বাঙালি জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য গড়িমসি শুরু করে তখনই ১৯৭১-এর ৭ই মার্চে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ডাক দেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102