

বিএনপি মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির বলেছেন, ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল। অথচ তারা এখনও এ জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি। এরপরও তারা আবার এ দেশের মানুষের কাছে ভোট চাইতে মাঠে নেমেছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মলানি বাজার, দেহন ময়দান বাজার ও ভকতগাজি বাজারে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকার কারণে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে পুলিশ বাহিনীকে নতুন করে সাজানো হবে, যাতে তারা স্বাধীনভাবে ও জনগণের পক্ষে কাজ করতে পারে।
জামায়াত প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে জামায়াতের নিজামী ও মুজাহিদ মন্ত্রী ছিলেন। তখন তারা আমাদের সঙ্গেই ছিল। এখন তারা বলছে বিএনপি দুর্নীতি করেছে। তাহলে তারা কি ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির ছিল? দুর্নীতির দায় তো তাদেরও নিতে হবে।”
দেশের বর্তমান বেকারত্ব পরিস্থিতি তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজ দেশে চাকরি নেই। কলকারখানা গড়ে তুলতে হবে, উন্নত কৃষি ব্যবস্থা চালু করতে হবে। এসব কাজ একমাত্র বিএনপিই করতে পারবে।
এটি তাঁর শেষ নির্বাচন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আপনাদের সঙ্গে রাজনীতি করেছি—কখনো জিতেছি, কখনো হেরেছি। কিন্তু আপনাদের ছেড়ে যাইনি। কারও কাছ থেকে এক টাকাও নেইনি, এক কাপ চাও খাইনি। বাবার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করেছি। তাই শেষবারের মতো আপনাদের সমর্থন ও পাশে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
নির্বাচনী পথসভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।