সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় হত্যার হুমকি রক্তহীন শরীরের শিরা তৈরি -অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান ইতিহাসের নতুন সন্ধিক্ষণে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের অংশগ্রহনে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত ইউনুস ও নূরজাহানের বিচার নিয়ে কেন রহস্যময় নীরবতা? ​- মানিক লাল ঘোষ স্কটিশ এমপি ফয়ছল চৌধুরীর জনসেবা নিয়ে ভাবনা সাপ্তাহিক গোলাপ পত্রিকার সম্পাদক ও সিলেটের তথ্য পত্রিকার প্রকাশকের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত অপরাধীর কোনো দল নেই—- মীর হেলাল উদ্দীন এমপি পঞ্চগড়ে যুবকের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠিত

বৃটিশ-বাংলাদেশি লেখিকা জয়নাব চৌধুরীর মানবিকতা

বই বিক্রির অর্থ যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা ও ইয়েমেনের শিশুদের জন্য দান

মোঃ সালেহ আহমদ (স'লিপক)
  • খবর আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৬১ এই পর্যন্ত দেখেছেন
মানবিকতা, নেতৃত্ব এবং দায়িত্ববোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ১১ বছর বয়সী সর্বকনিষ্ঠ বৃটিশ-বাংলাদেশি লেখিকা জয়নাব চৌধুরী। নিজের লেখা বইয়ের বিক্রয়লব্ধ সকল অর্থ গাজা ও ইয়েমেনের যুদ্ধবিধ্বস্ত অসহায় শিশুদের সহায়তার জন্য দান করে তিনি প্রশংসিত হয়েছেন।
সম্প্রতি লন্ডনের সিভিক অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত এই কিশোরী লেখিকা তার বই “My Journey Through Cayley Primary” বিক্রির সম্পূর্ণ অর্থ মোট পাঁচশত পাউন্ড গেল রমজানে হাউস অফ গিভিং নামক একটি মানবিক সংস্থার অধিনে গাজা ও ইয়েমেনের ক্ষুদার্থ ও অসহায় শিশুদের জন্য ট্রাকের মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা জন্য দান করেন।
পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে এই অনুদান প্রদান করে জয়নাব একদিকে যেমন উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার বার্তা দিয়েছেন, তেমনি অন্যদিকে মানবতার প্রতি তার গভীর দায়বদ্ধতার পরিচয় তুলে ধরেছেন। তার এই উদ্যোগের মাধ্যমে গাজা ও ইয়েমেনের বহু পরিবার খাদ্য সহায়তা পাবে, যা তাদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করবে।
এব্যাপারে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে জয়নাব বলেন, আমি নিজেও একজন শিশু, তাই মনে হয়েছে অন্য শিশুদের জন্য কিছু করা উচিত। প্রতিটি শিশুরই মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার, শান্তিতে থাকার এবং শিক্ষা ও মৌলিক চাহিদা পাওয়ার অধিকার আছে।
অতিঅল্প বয়সেই জয়নাব তার প্রতিভা, নেতৃত্বগুণ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার মাধ্যমে নিজেকে একজন আদর্শ রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। একজন তরুণ অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তিনি শিক্ষা ও মানবিক কাজ- উভয় ক্ষেত্রেই সমানভাবে সফলতা দেখিয়ে যাচ্ছেন।
ঈদের মতো আনন্দঘন সময়ে তার এই মহৎ উদ্যোগ শুধু অসহায় শিশুদের মুখে হাসি ফোটায়নি, বরং সমাজের সকল স্তরের মানুষের কাছে একটি শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দিয়েছে- বয়স কখনোই মানবিক কাজের জন্য বাধা নয়।
শিশু জয়নাব চৌধুরীর এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রমাণ করে, আগামী প্রজন্ম যদি সঠিক দিকনির্দেশনা পায়, তবে তারা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম।
উল্লেখ্য, জয়নাব চৌধুরী মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার সলিমবাড়ির কৃতিসন্তান, লন্ডনের একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, ট্রাস্টি এবং কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব হাসান চৌধুরী শিপন এবং নাদিরা চৌধুরী দম্পতির বড় মেয়ে। জয়নাবের দাদা তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী ছিলেন হিসাব মহা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের সাবেক সুপারিনটেনডেন্ট এবং দাদী রুনা বেগম তাদেরই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ডেপুটি হেড টিচারের দায়িত্ব পালন করছেন।

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102