

স্টাফ রিপোর্টার: দেশের সব শ্রেণির মানুষের জন্য করোনার টিকা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে তা বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় না দেয়ার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।
বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনার পর এ সুপারিশ জানানো হয়েছে। ফারুক খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, নূরুল ইসলাম নাহিদ, গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স, আব্দুল মজিদ খান এবং হাবিবে মিল্লাত অংশ নেন।
বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক সাংবাদিকদের বলেন, মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে বেসরকারিভাবে টিকা দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। কোন কোন ধরনের টিকা পাওয়া যায় সেটাও জানানো হচ্ছে। আমি নিজেই এ ধরনের একটি এসএমএস পেয়েছি। এ বিষয়ে আমরা সতর্ক থাকতে বলেছি। বলেছি আমরা যেন কোনোভাবেই বেসরকারিভাবে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত না নিই।
তিনি বলেন, এতে দেখা যাবে মেয়াদ উত্তীর্ণ টিকা নিয়ে আসবে। পানি ভরে টিকা দেওয়া হবে। আর সব দোষ পড়বে সরকারের ওপর। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পর্যন্ত টিকা বিক্রিতে নেমে পড়বে। এ ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই টিকা কমিটির মেম্বার। আমরা তাকে বলেছি ওই কমিটিতে যেন আমাদের এই পর্যবেক্ষণ জানানো হয়।
ফারুক খান আরও বলেন, টিকা দান নিয়ে সুপারিশ বা পর্যালোচনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ নয়। তারপরও আমরা তাদের বলেছি, টিকার মেয়াদ কতদিন আছে সেটা আনার আগে দেখে নিতে। সে টিকা আমরা যেভাবেই পাই না কেন, উপহার হিসেবে হোক বা কিনে আনা হোক। কারণ দেখা গেল, বাংলাদেশে এসে যখন পৌঁছাল তার মেয়াদ ১৫ থেকে ২০ দিন রয়েছে। ওই টিকা পরে মাঠ পর্যায়ে যেতে যেতে আর মেয়াদই থাকবে না। রোল আউট করতে করতে ডেট চলে যাবে।
এ বিষয়ে আমরা তাদের সতর্ক করে দিয়েছি।প্রসঙ্গত, বর্তমানে দেশে সরকারিভাবে গণটিকা কার্যক্রম চলছে। চারটি কোম্পানির কোভিড-১৯ টিকা দেওয়া হচ্ছে। এগুলো হল অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার-বায়োএনটেক, মর্ডানা ও সিনোফার্মের টিকা।