

স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে মাদকাসক্তি পর্যায়ক্রমে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদকের ছোবল থেকে তরুণ ও যুব সমাজকে রক্ষা করতে নানামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আজ ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষ্যে শুক্রবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ক্রোড়পত্র ও স্যুভেনির প্রকাশের উদ্যোগকে প্রধানমন্ত্রী স্বাগত জানান।২০১৮ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের সুস্পষ্ট লক্ষ্য ও পরিকল্পনা রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, গত অর্থবছরে ৯১টি বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রকে অনুদান দেওয়ার পাশাপাশি চলতি অর্থবছরে অনুদানের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। সরকারি অর্থায়নে সাতটি বিভাগীয় শহরে ২০০ শয্যার মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মাদকের চাহিদা হ্রাসের লক্ষ্যে মাদকনিরোধ শিক্ষা, মাদকবিরোধী জনসচেতনতার বিকাশ, সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণ, সামাজিক আন্দোলন এবং মাদকবিরোধী বিভিন্ন প্রকার প্রচার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। মাদক সমস্যার সমাধানে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংগঠন, শিক্ষক, সব ধর্মের নেতা, অভিভাবক, সুশীল সমাজসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। সংবিধানের ১৮(১) নম্বর অনুচ্ছেদে মদ ও অন্য সব মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধ করার জন্য রাষ্ট্রকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যুবঋণ দিয়ে তাদের আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দেশের আইটি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো হয়েছে। ফলে কর্মসংস্থান বাড়ছে। ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। এতে ১ কোটির বেশি লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে সীমান্ত এলাকায় অবৈধ পাচার অনেক কমে এসেছে। পাচার আরও কমিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বাসস