

স্পোর্টস ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে ঐতিহাসিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়। বাংলাদেশের ক্রিকেটে অনেক বড় অর্জন, সন্দেহ নেই। কিন্তু সিরিজ শেষ হওয়ার পরও একটি আলোচনা রয়েই গেছে-এমন উইকেটে কি টি-টোয়েন্টি খেলা উচিত?
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পুরো সিরিজেই দেখা গেছে, মিরপুরের উইকেটে ১২০ বা তার কাছাকাছি রান হলেই জয়ের সম্ভাবনা ছিল। যা কিনা টি-টোয়েন্টির মতো মারকাটারি ফরমেটে একদমই মানানসই নয়।
সামনে নিউজিল্যান্ডে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু আরেকটি পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। এবারও কি সাফল্যের জন্য সেই পথেই হাঁটবে বাংলাদেশ? স্লথ গতির উইকেটই বানাবে টাইগাররা?
বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান অবশ্য বরাবরই একটি কথা বলে এসেছেন, উইকেট স্বাগতিক দলের পছন্দমতো বানানো হচ্ছে না। বরং যে উইকেট দেয়া হচ্ছে, তাতেই খেলছে টাইগাররা।
এবারও প্রায় একইরকম কথা বললেন। উইকেটের প্রসঙ্গ আসতেই তিনি বলে উঠেন, ‘মিরপুরে যে ন্যাচারাল উইকেট, সেটাই আমরা পাই। এর চেয়ে বেশি আশা করা কঠিন। অবশ্যই আমরাও চাই যে স্পোর্টিং, টি-টোয়েন্টির মতো উইকেট হোক। এখন আবহওয়ার ব্যাপারটাও নির্ভর করছে।’
আকরাম যোগ করেন, ‘ফেব্রুয়ারি-মার্চে যে ধরনের উইকেট পাই, এই সময়ে কিন্তু তা পাই না। কারণ কন্ডিশনটাই ওইরকম। কিন্তু আমরা চেষ্টা করছি যে উইকেটে ক্রিকেটাররা স্বচ্ছন্দ্যে থাকে এবং বাংলাদেশ দলের জন্য উপকার হবে সেটাই করার।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে। এই ফরমেটে বাংলাদেশ দল কী লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে? আকরামের জবাব, ‘আমরা শুধু একটা না, তিন ফরম্যাট নিয়েই কাজ করছি। এটা ভালো যে আমরা কিছু ভালো বোলার-ব্যাটসম্যান পেয়েছি, ফিল্ডিংটাও এখন চোখে পড়ার মতো। তবুও আমাদের উন্নতির আরও সুযোগ আছে। তবে এখন যেভাবে এগোচ্ছি, সেভাবে চললে ভবিষ্যতে আরো ভালো ক্রিকেটার তুলে আনা সম্ভব।’
বিশ্বকাপের দল কেমন হবে? তামিম ইকবাল কি দলে থাকবেন? আকরাম খান বলেন, ‘দলের ব্যাপারটা তো নির্বাচকরা দেবে। এরপর বোর্ড প্রেসিডেন্ট অনুমতি দেবেন। আর ইনজুরির যে ব্যাপারগুলো আছে, সেসব নিয়ে ফিজিওরা কাজ করছে। তামিম যদি সে ফিট হয়ে যায়, তাহলে তো সে খেলবে। সে প্রমাণিত ক্রিকেটার। ওর ঠিক হওয়াটাই আমাদের জন্য উপকারের।’