সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৯:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিজান সভাপতি ও কাশেমকে সম্পাদক নির্বাচিত করে শ্রীমঙ্গল রেফারিজ এসোসিয়েশনের কমিটি গঠিত রবি’র উদ্যোগে হামজা চৌধুরীর সঙ্গে ভক্তদের আড্ডা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও উপজেলার চৌধুরীহাট ব্যবসায়ী সমিতির কমিটি গঠিত পার্বত্যবাসী নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য দিয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে- দীপেন দেওয়ান এমপি তেতুলিয়ায় উন্মুক্ত জবাবদিহি মুলক সভা অনুষ্ঠিত শ্রীমঙ্গলে সড়ক পুনর্বাসন কাজের শুভ উদ্বোধন ওয়েলস সিনেড নির্বাচনে নতুন রাজনৈতিক মানচিত্র উন্মোচিত তেতুলিয়ার কৃষি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ অনুষ্ঠিত স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা আবশ্যক

মালয়েশিয়ায় একদিনে দুই শতাধিক মৃত্যু, শনাক্ত ১৪ হাজার ৮৪০জন

সংবাদদাতার নাম :
  • খবর আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১
  • ৪২৭ এই পর্যন্ত দেখেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মালয়েশিয়ায় একদিনে করোনায় দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এরই মধ্যে দেশটিতে জুলাইয়ের পর থাকছে না লকডাউন বা জরুরি অবস্থা। ১ আগস্ট থেকে লকডাউন ও জরুরি অবস্থা শিথিল করা হবে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।

সোমবার (২৬ জুলাই) দেশটির পার্লামেন্টের বিশেষ অধিবেশনে এ তথ্য জানান আইনমন্ত্রী তাকিউদ্দিন হাসান। ৩১ জুলাইয়ের পর লকডাউন ও জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।দক্ষিণপূর্ব এশিয়া অঞ্চলের এ দেশটিতে গত জুন মাসের শেষ দিক থেকে করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ১ জুলাই থেকে মাসব্যাপী লকডাউন ও জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে দেশটির সরকার; যার মেয়াদ ৩১ জুলাই শেষ হতে যাচ্ছে।কিন্তু লকডাউন ও জরুরি অবস্থা জারি থাকা সত্ত্বেও সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এসেছে এমন বলার উপায় নেই। মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লাখ অতিক্রম করেছে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছে ১০ লাখ ২৭ হাজার ৯৫৪ জন। বর্তমানে সক্রিয় করোনা রোগী আছেন এক লাখ ৬৫ হাজার ৯০৩ জন।এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ৮৪০ জন।

একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ২০৭ জনের। এ নিয়ে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল আট হাজার ২০১ জনে।এর আগের দিন রোববার ১৭ হাজার ৪৫ জন আক্রান্ত হয়েছিল, যা মহামারি শুরুর পর মালয়েশিয়ায় একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড।এ পরিস্থিতিতে লকডাউন ও জরুরি অবস্থার মেয়াদ আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্তই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু কেন তা হলো না সেজন্য সম্ভাব্য দুটি কারণকে দায়ী বলে মনে করছেন দেশটির রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

প্রথম কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, দীর্ঘ এক মাসের লকডাউনে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সীমিত হয়ে পড়ায় দেশের জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ তৈরি হয়েছে দেশটির ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা এবং শ্রমিকদের মধ্যে। লকডাউন ও জরুরি অবস্থার মেয়াদ আবার বৃদ্ধি করা হলে এই ক্ষোভ আরও বাড়বে এবং সরকার এ বিষয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চাচ্ছে না।দ্বিতীয়ত, মালয়েশিয়ার পার্লামেন্টারি রাজনীতিতে চলমান অস্থিরতা।

২০২০ সালের মার্চে পার্লামেন্টে একদমই অল্প ভোটের ব্যবধানে দেশটির বর্তমান ক্ষমতাসীন জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন মুহিউদ্দিন ইয়াসিন। জোটের অন্যতম শরিক এবং মালয়েশিয়ার বৃহত্তম রাজনৈতিক দল ইউএমএনও পার্টি চলতি মাসের শুরুর দিকে মুহিউদ্দিন ইয়াসিনের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এ নিয়ে কিছুটা অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে দেশটির সরকারে।মালয়েশিয়ার সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ পরিস্থিতিতে পার্লামেন্টে আস্থা ভোটের আয়োজন করতে হবে।

যদি মুহিউদ্দিন ইয়াসিন সেই ভোটে জিততে পারেন, তবেই তিনি এবং তার মন্ত্রিসভার সব সদস্য সুরক্ষিত থাকবেন। তবে আস্থা ভোট কবে নাগাদ আয়োজন করা যেতে পারে, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখনো গৃহীত হয়নি।এদিকে, শুরু হওয়া পার্লামেন্টের বিশেষ অধিবেশন চলবে আরও পাঁচ দিন।

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102