

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অক্ষুণ্ণ ও দেশ মাতৃকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বানের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ বৃস্টল বাথ এন্ড ওয়েস্ট শাখার উদ্দ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবস এবং ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে |
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আরিফ উদ্দিন ইসলামের সভাপতিত্বে ও যুবলীগ সাধারন সম্পাদক বদরুল আলম লিটন এর পরিচালনায় আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ্জ জালাল উদ্দিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য যুবলীগ এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল আহমদ খান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গোলাপ মিয়া, বৃষ্টল বাথ এন্ড ওয়েষ্ট আওয়ামীলীগ এর সিনিয়র সহ সভাপতি ছমরুল হক, মবশ্বির আলী, যুক্তরাজ্য যুবলীগ বৃষ্টল বাথ এন্ড ওয়েষ্ট শাখার সভাপতি ইন্জিনিয়ার খায়রুল আলম লিংকন, সিনিয়র সহ-সভাপতি ইমরুল কায়েস সোহেল, সিনিয়র সহ-সভাপতি ওমর ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হামিদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন পাক থেকে তেলাওয়াত করেন যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান। ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ সহ সকল নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে ১ মিনিট নীরবতা পালন ও সমবেত কণ্ঠে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন অতিথিবৃন্দ ও সকল অংশগ্রহণকারীগন।
যুবলীগের পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুর রহমান জুনেল। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুবলীগ নেতা শেবুল আহমদ, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিবুল হাসান রাজিব, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এস এম হাসিব বিন হাসান, গ্লষ্টারশায়ার বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নিশাত জালাল, বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদ লিডিং ইউনিভার্সিটি সিলেট এর সাধারণ সম্পাদক আরিফ ইবনে আজির, ছাত্র নেতা মীর তানজিম তায়েফ, জাহেদ আহমদ প্রমুখ।
বক্তাগন তাদের বক্তব্যে বলেন অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের মহান স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধু সবসময় রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি একটি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখতেন। তাঁর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আওয়ামীলীগ নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছে। দুঃখ জনক ভাবে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করে বাংলাদেশকে উন্নয়নের মহাসড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন করে দারিদ্র্য দেশে পরিণত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ শুধু দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশি দেশগুলোই নয়, অনেক উন্নত দেশকেও ছাড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনীতিতে ইমাজিং টাইগারে পরিণত হয়েছিল। বাংলাদেশ ক্ষুধা-দারিদ্র্য, ঝড়, বন্যা, ছাপিয়ে এখন এশিয়াসহ পৃথিবীর রোল মডেলে পরিণত হয়েছিল।
সাম্প্রদায়িক হামলার কথা উল্লেখ করে তারা বলেন এ ব্যাপারে তো কোনো দ্বিমত থাকতে পারে না যে, এরা এবং এদের পূর্বপুরুষরা ১৯৭১ সালেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিল পাকিস্তানকে রক্ষা করার জন্য সবকিছু করতে। সেদিন তারা বা তাদের পূর্বপুরুষরা বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধ করেছে, বহু লোক হত্যা করেছে, বহু নারীকে নির্যাতিত করেছে। রাজাকার, আলবদর হিসেবে কাজ করেছে ধর্ম নিরপেক্ষ বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঠেকাতে। কিন্তু বাংলার মুক্তিকামী আপামর জনতার জোয়ারে ওরা সেদিন ভেসে গিয়েছিল, তবে নিঃশেষিত হয়নি। দেশ ও স্বাধীনতা বিরোধীরা এখনো তাদের সেই ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। তাদের এই অপচেষ্টা কটোর হস্তে দমন করতে সকল দেশ প্রেমিক নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস সর্বত্রে তুলে ধরার আহবান জানিয়ে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করার জন্য সকলকে আহ্বান জানান।