সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ল্যান্সনায়েক শহীদ গৌছ আলী মেমোরিয়াল ট্রাস্টের উদৌগে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জমি দখলের চেষ্টায় অভিযোগ স্বাধীনতার মাসে যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাবে সংসদ কলুষিত বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে স্বাধীন দেশ পেতাম না —ড.একে আব্দুল মোমেন ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালিত লায়ন্স ক্লাব চিটাগাং কর্ণফুলী এলিট এর উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী ও ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠিত প্রবাসীদের দাবি-দাওয়া আদায়ে জোরালো ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার চা বাগান গুলোতে ফিরেছে প্রাণ তেঁতুলিয়ার ইউএনও’র বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ গণহত্যা ও স্বাধীনতা’ দিবস উদযাপনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

নামে রিয়েল এস্টেট কোম্পানি, বিক্রি হচ্ছে মদ!

সংবাদদাতার নাম :
  • খবর আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৭ আগস্ট, ২০২১
  • ২১৬ এই পর্যন্ত দেখেছেন

স্টাফ রিপোর্টার: নামে রিয়েল এস্টেট কোম্পানি, ভেতরে বিক্রির জন্য রাখা বিদেশি মদ। রাজধানীর গুলশান ১ নম্বরের ১২৮ নম্বর রোডের ৬ নম্বর বাড়ির ৬ তলায় অভিযান চালিয়ে এমন দৃশ্যই দেখতে পায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। জানা যায়, এই বাসায় রিয়েল এস্টেট ব্যবসার আড়ালে মদের ব্যবসা করতো একটি চক্র।  দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জায়গা থেকে বিদেশি মদ সংগ্রহ করে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতো তারা। 

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত  গুলশান ১ নম্বরের বাসায় অভিযান পরিচালনা করে চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এসময় দুইটি গাড়িও জব্দ করে অধিদপ্তর। এছাড়াও প্রায় ৩০০ বোতল বিদেশি মদ ও বিয়ার ও জব্দ করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো উত্তরের উপ-পরিচালক রাশেদুজ্জামান। এসময় সঙ্গে আরও ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান। 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, কালাম রিয়েল এস্টেট নামের এক প্রতিষ্ঠানের মালিকের ছেলে ফয়সাল ব্যবসার কথা বলে বাসা ভাড়া নেন। সেই বাসায় সবার অগোচরে দীর্ঘদিন ধরে মদের ব্যবসা করতো তারা। এ ঘটনায় ফয়সাল ছাড়াও আরও দুজনকে আটক করা হয়। এরা হলেন- গাড়িচালক ইব্রাহিম ও আলম।

আটকের তথ্য নিশ্চিত করে অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রাশেদুজ্জামান বলেন, তারা এসব মদ কোথা থেকে সংগ্রহ করতো কিংবা কতদিন ধরে সংগ্রহ করে আসছে, তা জিজ্ঞাসাবাদে জানা সম্ভব হবে। আমরা মাত্র তাদের গ্রেফতার করেছি, পরে জিজ্ঞাসাবাদ করবো। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

এই কর্মকর্তা আরও বলেন, তাদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ২০০৯ সালের লাইসেন্স থাকলেও পরে তা রিনিউ করা হয়নি। আর মাদকের নিজস্ব লাইসেন্স থাকলেও এত মাদক মজুত কিংবা সংরক্ষণ করার আইনগত কোনও বৈধতা নেই।

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102