যা কিনা শান্তি পুরস্কার প্রাপ্তির পক্ষে উদাহরন হিসাবে দেখাতে পারতেন। সর্বপরি, মিয়ানমার সরকার কর্তৃক বিতারিত ১১ লক্ষ দুস্হ, ছিন্নমূল ও গৃহহীন রোহিঙ্গা জনগোষ্টির পক্ষে নিন্দা বিবৃতি প্রদান না করে শান্তিতে
বাংলাদেশের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান আহমেদ ভূঁইয়া। প্রবন্ধের শিরোনামটি একটু উৎসুক্য(!) করার স্বার্থেই সংক্ষেপে তাঁকে আই এ ভূঁইয়া বলা হয়েছে।সম্প্রতি, বাংলাদেশের একমাএ নোবল লরিয়েট(?) ড. মো: ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে
আগামী সাধারণ নির্বাচনে বিএনপি অংশ গ্রহণ করবে কি না এ নিয়ে চলছে সাধারণ জনগণের মধ্যে নানান জল্পনা কল্পনা। বাংলাদেশ এবং প্রবাসে দেখা যায় নির্বাচনের দিন যতোই ঘনিয়ে আসে মানুষের মধ্যে
আইরিশ কবি ও নাট্যকার অস্কার ওয়াইল্ড (Oscar Wilde) বলেছেন, একজন মানুষ ভবিষ্যতে কী হবেন তা অন্যকিছু দিয়ে বোঝা না গেলেও তার পড়া বইয়ের ধরন দেখে তা অনেকাংশেই বোঝা যায়। অর্থাৎ,
ধরে নিন, আপনি একটি টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদ উপস্থাপক। আপনাকে সকাল সাতটায় সংবাদ উপস্থাপন করতে হবে। এরজন্য সাধারণত ভোর ৫.৩০ মিনিটে অফিসের ট্রান্সপোর্ট আপনাকে নিতে আসবে। ঢাকায় সেইদিন প্রবল বৃষ্টি। জলমগ্ন
আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি লাভে অন্তর পবিত্র বা আত্মশুদ্ধির বিকল্প নেই। পবিত্রতা শুধু বাহ্যিক পবিত্রতা নয় বরং বিশ্বাসের পবিত্রতা, কর্মের পবিত্রতা, শারীরিক ও মানসিক পবিত্রতা, আর্থিক পবিত্রতা, বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ পবিত্রতা,
বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডে জিয়াউর রহমান জড়িত নয়, এমন কথা যারা বলে তারা ‘ছদ্মবেশী শকুন’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। সোমবার (১৪ আগস্ট) রাত ১০টায়
রোড ৩২, ধানমন্ডি: তখনও ভোরের আলো ফোটেনি। দূরের মসজিদ থেকে আজানের ধ্বনি ভেসে আসছে। এমন সময় প্রচণ্ড গোলাগুলির আওয়াজ। এ গোলাগুলির আওয়াজ ঢাকার ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের একটি বাড়ি ঘিরে,
শোকাবহ আগস্ট জাতীয় শোকের মাস। ১৫ আগষ্ট মানব সভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের কালিমালিপ্ত বেদনাবিধূঁর শোকের দিন। এই দিনে মানবতার শত্রু প্রতিক্রিয়াশীল ঘাতকচক্রের হাতে বাঙালি জাতির মুক্তি আন্দোলনের মহানায়ক,
বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী ও অনুপ্রেরণাদায়ী নারী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হওয়ার পথে এই পুণ্যবান নারী আজীবন পাশে থেকে অনুপ্রাণিত করে গেছেন।