

যা কিনা শান্তি পুরস্কার প্রাপ্তির পক্ষে উদাহরন হিসাবে দেখাতে পারতেন। সর্বপরি, মিয়ানমার সরকার কর্তৃক বিতারিত ১১ লক্ষ দুস্হ, ছিন্নমূল ও গৃহহীন রোহিঙ্গা জনগোষ্টির পক্ষে নিন্দা বিবৃতি প্রদান না করে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির যুক্তিকতা প্রমান করতে পারেন নাই। তাহলে এ কথা স্পষ্টতই বলা চলে ড. মো: ইউনূস মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত হয়েছেন এবং সংগত কারনেই বাংলাদেশের জনগন মনে করেন ড. মো: ইউনূস শান্তিতে নোবেল জয়ী হলেও শান্তি প্রচেষ্টায় দেশে কিংবা বিদেশে তাঁর কোন অবদান নাই। তিনি শুধু নিজের স্বার্থ সিদ্ধির ধান্ধায় নিজেকে ব্যস্ত রাখেন। বর্নিত কারনে নোবেল বিজয়ী ড. মো: ইউনূসের পরিবর্তে তিনি সুদখোর ইউনূস নামেই বেশী পরিচিত।
এবার আসছি প্রবন্ধের “অনৈতিক বিশ্ব কীর্তন” শীর্ষক আলোচনায়। সুপ্রিয় পাঠকবৃন্দ, উপরোক্ত বর্ননা ছাড়াও আপনারা আলোচিত ড. মো: ইউনূস সম্পর্কে কমবেশী অবগত রয়েছেন।ঘটনার বিবরনে প্রকাশ, “মানি লন্ডারিং, কর ফাঁকি এবং শ্রমিকের টাকা আত্মসাতের” বিষয়ে বহু পুর্বেই ড. মো: ইউনূসের বিরুদ্ধে ফৌজদারী আদালতে এবং শ্রম আদালতে কয়েকটি মামলা হয়। মামলা গুলি করেছেন গ্রামীন টেলিকমের অধিকার বন্চিত শ্রমিক কর্মচারীগন এবং দূর্নীতি দমন কমিশন ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তথ্য-উপাত্ব ঘেঁটে যতটুকু জানা যায় তার বর্ননা হলো: গ্রামীন টেলিকমের আয় কৃত বা লভ্যাংশের শতকরা ৫(পাঁচ) ভাগ অর্থ সর্বমোট প্রায় ২২(বাইশ) কোটি টাকা শ্রমিক/কর্মচারীদের মধ্যে বন্টনের আইনানূগ বাধ্য বাধকতা থাকলেও ঐ টাকা তাঁদেরকে না দিয়ে ড. মো: ইউনূস সমুদয় অর্থ আত্মসাৎ করেন। ফলে শ্রমিক/কর্মচারী গন তাঁদের পাওনা আদায়ের জন্য শ্রম আদালতে ড. মো: ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি অধিকার বন্চিত শ্রমিক-কর্মচারীদের; অথচ বিশ্বের ১৬০ জন বিশ্ব বরেন্য ব্যক্তিত্ব ড. মো: ইউনূসের মিথ্যাচারে প্রভাবিত হয়ে অযাতিত ভাবে মামলা প্রত্যাহার বা স্হগিতের জন্য সম্পুর্ন অনৈতিক ভাবে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেএী শেখ হাসিনাকে চাপ প্রয়োগ করছেন।
এছাড়া মানি লন্ডারিং বা বিদেশে টাকা পাচার এবং বিপুল পরিমান টাকার কর ফাঁকি দেওয়ার অপরাধে এনবিআর এবং দূর্নীতি দমন কমিশন ড. মো: ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।উল্লেখ্য, এনবিআর এবং দূর্নীতি দমন সংস্হা দুইটি সংবিধিবদ্ধ আইন অনুযায়ী সম্পুর্ন স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। উক্ত প্রতিষ্ঠান দ্বয়ের উপর নির্বাহী বিভাগ বা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কোন প্রকার চাপ বা হস্তক্ষেপ করার অধিকার সংরক্ষন করেন না। উল্লেখ্য, ইতিপুর্বে একটি মামলার রায় অনুযায়ী ড. মো: ইউনূস ফাঁকি দেয়া করের কিয়দাংশ পরিশোধ করলেও বাদবাকী বিরাট অংকের টাকা এখনো পরিশোধ করেন নাই। অন্যদিকে শ্রমিক কর্মচারীদের মামলা গুলি কোর্টের বাইরে অনৈতিকভাবে উৎকোচ প্রদান করে শ্রমিক-কর্মচারীদের সাথে দফারফা করতে চেয়েছিলেন এবং শ্রমিক-কর্মচারীদের সাথে বৈঠক করে ওয়াদা করেও অর্থের পরিমান বেশী দেখে শ্রমিক কর্মচারীদের সাথে কথিত রফাদফা করেন নাই। বর্তমানে তিনি তাঁর কর্তৃক আত্মসাৎকৃত টাকা দিয়ে বিশ্ব বরেন্য নোবেল লরিয়েট ও নেতৃবৃন্দের স্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযানে নেমে শ্রমিক কর্মচারীদের বিরাগ ভাজন বা চক্ষুশূলে পরিনত হয়েছেন।বর্নিত অবস্হায় শ্রমিক কর্মচারীগন ড. মো: ইউনূসের বিরুদ্ধে প্রায় ১৮ টি মামলা দায়ের করেছেন।
এদিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেএী শেখ হাসিনা কথিত ১৬০ জন বিশ্বখ্যাত নেতৃবৃন্দের অনুরোধ পএের প্রক্ষিতে তাঁদেকে বাংলাদেশে এসে বিচার কার্যক্রম ও রেকর্ড পএাদি পর্যবেক্ষন করার অনুরোধ করেছেন। বিশেষজ্ঞগন মনে করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেন্জ অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারী ক্লিন্টন সহ আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আইনজ্ঞগন বাংলাদেশ সফরে আসুন এবং ড. মো: ইউনূসের বিরুদ্ধে চলমান বিচার কার্যক্রম পরিযবেক্ষন করুন। অধিক আস্হা ও বিশ্বাসের সাথে বাংলাদেশের আইনবিশেষজ্ঞ গন মনে করেন যদি তাঁবা বাংলাদেশে আসেন, তবে ড. মো: ইউনূসের বিরুদ্ধে চলমান বিচারের সচ্ছতা দেখে সন্তোষ্ট হবেন এবং ইউনূস প্রীতি কমে যাবে।আইন বিশেষজ্ঞগন আরো বিশ্বাস করেন দুনিয়ার কোন আইনজীবিই ড. মো: ইউনূসকে নির্দোষ প্রমান করতে পারবেনা। তখন কি হবে? তখন তো তিনি মিথ্যাচার করে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন নেতৃবৃন্দ ও নোবেল লরিয়েটদেকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন বলে প্রমানিত হবে। এই বিশ্বাস থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আইন বিশেষজ্ঞগন সহ বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগন মনে করেন বিষয়টি চ্যালেন্জ হিসাবে নেয়া উচিত এবং সকল প্রকার প্রটোকল সহায়তা প্রদান করে হলেও অন্তত পক্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং হিলারী ক্লিন্টনের বাংলাদেশ সফর নিশ্চিত করে ড. মো: ইউনূসের বিচার কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করনের ব্যবস্হা গ্রহন প্রয়োজন।আমি মনে করি এতে ড. মো: ইউনূসের আসল চেহারা উন্মোচিত হবে এবং চিরকালের জন্য বাংলাদেশ বিরোধীতা দূরীভূত হবে।
পরিশেষে, সন্মানিত বিশ্বনেতৃবন্দ ও নোবেল লরিয়েটের প্রতি নিবেদন জানাই, দয়া করে বাংলাদেশে আসুন! দেখে যান! ড. মো: ইউনূসের ক্ষুদ্র ঋন কার্যক্রমে আদৌ বাংলাদেশের মানুষ উপকৃত হয়েছেন কিনা? এবং মামলার নথিপএ পর্যবেক্ষন করুন! দেখুন তাঁকে(ড. মো: ইউনূস) বিনা অপরাধে হয়রানী করা হচ্ছে কিনা?
লেখকঃ মকবুল তালুকদার . *যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসি বীর মুক্তিযোদ্ধা, কৃষিবিদ, গবেষক, কলামিষ্ট এবং উপদেষ্টা, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ।