

শনিবার সকালে যশোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সীমান্তঘেঁষা জেলা হিসেবে যশোর দীর্ঘদিন ধরে মাদকের ঝুঁকিতে রয়েছে। ফলে এখানে শুধু অভিযান নয়, মাদক প্রবেশের রুট চিহ্নিত করে স্থায়ী নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজন আছে। তিনি প্রশাসনকে নির্দেশ দেন, যারা আড়াল থেকে রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব খাটিয়ে মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীদের রক্ষা করে, তাদেরও চিহ্নিত করে তালিকা প্রস্তুত করতে হবে।
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ যদি মাদক বা সন্ত্রাসে জড়ায়, তাহলে তাকে দল থেকে বহিষ্কারসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধ করলে তার দায় দল নেবে না। রাজনীতি মানুষের নিরাপত্তা ও স্বস্তির জন্য, অপরাধ আড়াল করার ঢাল হিসেবে নয়।
প্রশাসনের উদ্দেশে অমিত বলেন, পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে। রাজনৈতিক বা ধর্মীয় মতভেদের কারণে যেন কেউ হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পূর্ণ সহযোগিতা দেবে বলেও আশ্বস্ত করেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার ও রুহুল আমিন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক রফিকুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সীমান্ত নজরদারি ও অপরাধ দমনে সমন্বিত কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।