চরম নারী বিদ্বেষকে প্রথমবারের মতো সন্ত্রাসবাদ হিসেবে বিবেচনার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাজ্য। দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ এই তথ্য জানিয়েছে। যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বজুড়ে নারী ও কিশোরীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বেড়েই চলছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ
ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দেন শেখ হাসিনা। এরপর গণভবন থেকে হেলিকপ্টারে করে দেশ ছেড়ে ছোট বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। লেবার পার্টির এই নেতা শান্তিপূর্ণভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যত উত্তরণে তাঁর ও সরকারের সঙ্গে
যুক্তরাজ্যের সাউথপোর্ট শহরে একটি নাচের কর্মশালায় হামলায় ছুরিকাঘাতে তিন শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরে ১৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ব্যাপক বর্ণবাদী দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছিল। ওই হামলার
শেখ হাসিনার বিচারের দাবিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে ইউকে লয়ার্স এলায়েন্স ফর বাংলাদেশ (ইউএলএবি)। গত সোমবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন সংগঠনটির নেতারা। শেখ হাসিনা ও তার
জুলাইয়ে যুক্তরাজ্যের নগরমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না টিউলিপ সিদ্দিকীর। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে সম্পত্তিজনিত আয় নিয়ে তদন্ত শুরু হয়, এবার নতুন করে খবরের শিরোনাম হয়েছেন তিনি। শুক্রবার এক
যুক্তরাজ্যের সাউথপোর্টের ছুরিকাঘাতে তিন শিশুর মৃত্যুর প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করেছে। হামলাকারীর পরিচয় সংক্রান্ত ভুয়া তথ্য এই বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভের আগুনে যেন ঘি ঢেলে দিয়েছে। আর এই ক্ষোভের
নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন নবগঠিত অন্তর্বর্তী সরকারকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। শুক্রবার যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে স্বাগত জানান। বিবৃতিটি যুক্তরাজ্য সরকারের ওয়েবসাইটে প্রকাশ
লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নামিয়েছেন বিএনপি-জামায়াত সমর্থকরা। সম্প্রতি এমনটাই অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৯ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে হাইকমিশনার সাইদা মুনা
ব্রিটেনে চলমান দাঙ্গার মূল টার্গেট অভিবাসী মুসলমানরা। লন্ডন শহর অভিবাসীবহুল হওয়ায় লন্ডনে পরিস্থিতি কিছুটা ভালো থাকলেও যেসব শহর ও এলাকায় অভিবাসীর সংখ্যা একেবারেই কম, সেখানে অভিবাসীরা বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হচ্ছেন। বিভিন্ন