বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, সৌদি আরবে বাংলাদেশি গার্মেন্টস পণ্যের বিশাল বাজার রয়েছে। এখানে বসবাসরত প্রায় ২৮ লাখ বাংলাদেশির পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের অভিবাসী ও সৌদি আরবের নাগরিকদের কাছে বাংলাদেশি গার্মেন্টস পণ্যের
তুরস্কে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ৬১ সদস্যের উদ্ধারকারী দল মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দেশে ফিরেছে। প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশের উদ্ধারকারী দল তুরস্ক থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি ফিরে আসার পরিকল্পনা থাকলেও পরবর্তী সময়ে
শক্তিশালী ভূ-কম্পনের রেশ না কাটতেই তুরস্কে আবারো ৬ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দেশটির স্থানীয় সময় রাত আটটা চার মিনিটে দক্ষিণাঞ্চলীয় হাতায় প্রদেশে এ ভূ-কম্পন অনুভূত হয়।
তুরস্ক ও সিরিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে আঘাত হানা ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৪৬ হাজার ছাড়িয়েছে। এর মাঝে তুরস্কে ৩৯ হাজার ৬৭২ এবং সিরিয়ায় ৫৮০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে
গত ৬ ফেব্রুয়ারি তুরস্ক ও সিরিয়ার আঘাত হানে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প। এতে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬ হাজারে। এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। তবে এতোদিন পরও ধ্বংসস্তূপের নিচ
প্রথমবারের মতো দুবাইয়ে সংবর্ধিত হল ৩৯ জন সিআইপি ও রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৫২ জন প্রবাসী বাংলাদেশি। বৈধ পথে রেমিট্যান্স বাড়াতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। প্রবাসী আয়ের লেনদেনে
৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালি ভূমিকম্পের ১৩৫ ঘন্টা পার হলেও তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। দুই দেশে এখনও পর্যন্ত ২৯ হাজার মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে জাতিসংঘ
সৌদি আরবের মসজিদুল হারামের খতিব ও ইমামের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন শায়খ ড. সৌদ আল শুরাইম। তিনি মসজিদুল হারামের জনপ্রিয় ও বিখ্যাত খতিবদের একজন। কয়েক সপ্তাহ ধরে তার পদত্যাগের বিষয়ে
ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫ হাজার ছাড়িয়েছে। এ নিয়ে দুই দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ২৫ হাজার ৪০১। শুধু তুরস্কে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২১ হাজার ৮৪৮ জনে উপনীত
গত কয়েক দশকের মধ্যে ভয়াবহতম ভূমিকম্প পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক। গত কয়েকদিনে হাজার হাজার মানুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে ভূমিকম্প উপদ্রুত এলাকাগুলোর বিভিন্ন অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের ধ্বংসাবশেষ থেকে। এসব ভবন