কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বিএনপি ও জামায়াত-শিবির দেশব্যাপী নারকীয় নাশকতা চালায়। তারা জঙ্গি কায়দায় বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। মানুষ হত্যা করেছে। সাংবাদিকদের খুঁজে খুঁজে আক্রমণ
দেশের সম্মান নষ্ট করতে এখনো ফোন করে লন্ডনে বসে বিশ্বব্যাপী প্রবাসীদের উসকে দেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার (২৬ জুলাই) সকালে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বিটিভির ধ্বংসাবশেষ পরিদর্শন শেষে
সারা দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে চলমান পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও উসকানিমূলক প্রচারণা ঠেকাতে ফেসবুকের অসহযোগিতামূলক আচরণে ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি)। সংস্থাটির পক্ষ থেকে দফায় দফায়
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, শিক্ষার্থীদের কোটা আন্দোলন থেকে সুবিধা নেওয়ার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সারা বিশ্ব থেকে দেশকে বিচ্ছিন্ন করতেই বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা দেশের কেন্দ্রীয় ডাটা সেন্টার জ্বালিয়ে
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে সাময়িকভাবে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) এই তথ্য জানান তিনি।
দুবাইয়ের রাজকন্যা শেখ মাহরা বিনতে মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতোম তার স্বামী শেখ মানা বিন মোহাম্মদ বিন রশিদ বিন মানা আল মাকতোমকে তালাক দিয়েছেন। বিবাহবিচ্ছেদের এই ঘোষণা তিনি দিয়েছেন সামাজিক
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মৃত্যুর জন্য ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে দায়ী করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয়ার ফলে সারাদেশে ব্যাপক সংঘর্ষ ও প্রাণহানির
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো কিছু দেখে যাচাই-বাছাই না করে শিক্ষার্থীদের কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মৃত্যুর মিথ্যা
টেন মিনিট স্কুলের ৫ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব বাতিল করেছে স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড। মঙ্গলবার এ কথা জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। সচিবালয়ের গণমাধ্যমকেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স
দৈনন্দিন জীবনের গৎবাঁধা অফিস কারোরই ভালো লাগে না। অনেকেই আছেন অনিচ্ছা সত্ত্বেও, শুধু পেটের দায়ে হাজিরা দিয়ে থাকেন কর্মস্থলে। আবার অনেকে ছয় অঙ্কের বেতন পেয়েও সন্তুষ্ট নয় নিজ কর্মক্ষেত্র নিয়ে।