চট্টগ্রাম অফিস: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, যেকোনো মূল্যেই হাতি হত্যা বন্ধ করতে হবে। হাতিসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী নিধনের যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিরোধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি
স্টাফ রিপোর্টার: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা ও সার্বিক পরিবেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে জনগণকে সম্পৃক্ত করে আধুনিক প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে বন,
স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা: দিনভর কাঁকড়া ধরে নৌকার ছাউনিতে বসে রান্নার আয়োজন করছিলেন মুজিবর ও তার সঙ্গীরা। এরপর চুলোয় ভাত তরকারি চড়ানোর আগেই তার ওপর এক দানবীয় হামলা চালালো মানুষখেকো বাঘ।
স্টাফ রিপোর্টার: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, বিজয়ের ৫০ বছর পেরোনোর এই শুভলগ্নে সবাইকে শপথ করতে হবে দেশকে ভালোবাসার, এগিয়ে আসতে হবে প্রকৃতি ও পরিবেশ

আহমেদ রুবিঃ বাংলাদেশের চা সম্রাট সম্বন্ধে লিখতে গেলে প্রথমেই ১৬৯ টি চা বাগান সম্বন্ধে লিখতে হয়। এতে জড়িয়ে আছে১,১২৫৫৮ হেক্টর ভুমি আর চালিকা শক্তি হিসাবে আছে ৭,৬০,৩০০ জন চা শ্রমীক জন গোষ্টি । আর চা এর সম্রাট মোহাম্মদসিরাজুল ইসলাম মহাব্যবস্থাপক ও চা শিল্পের প্রাণ ভ্রমরা যার স্থায়ী ঠিকানা বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গঁলউপজেলায় । চা এর দেশ মৌলভীবাজার ও চা এর রাজধানী শ্রীমঙ্গঁলে তিনি জাতীয় ইতিহাস । সিলেট মৌলভীবাজার হবিগঞ্জ , চট্রগ্রাম ,পঞ্চগড় জিলা সহ বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে আছে এই চা বাগান গুলি । ১৮৫৪ সনেব্রিটিশ ভারতে এই ব্রিটিশরাই চা উৎপাদিত করেছিল। বর্তমান বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহওম বৈদেশিক অর্থ উপার্জনকারী ফসলএই চা এত সংখ্যক ভুমি ও চা জন গোষ্টি সম্দ্ধ চা শিল্পে যিনি জীবনের ৫৩ টি বৎসর চা শিল্পের উন্নয়নে , শ্রমিক মালিককল্যাণে, ধ্যানে ও জ্ঞানে কাটিয়েছেন ,সেই চা সম্রাট এখন লন্ডনে। স্বপ্নের শহর লন্ডন। গ্রেটদের বাস্থবায়িত দেশ গ্রেটবৃটেন । বিশ্বের উন্নত অনুস্মরনীয় ,আইকন , রোল মডেল এবং আইনেরশাসনে , সার্বিক নিরাপত্তার দেশে কে না আসতে চায় ।সম্ভবত এসকল কারনেই বাংলাদেশের চা সম্রাট এর এখন লন্ডনেআগমন। কিন্তু কেন এবং কি ভাবে তিনি হলেন এই চা সম্রাট ? ১৯৬৮ সনে বাংলাদেশস্থ বৃটিশ ষ্টারলিং চা কোম্পানী জেমস ফিনলেইদানিং কালে দি কনসলিডেটেড টি এন্ড ল্যান্ডস কোম্পানি ফিনলে হাউস বি ডি লিঃ এর চা বাগানে শিক্ষা নবীশ হিসাবে যোগদিয়ে , অন্য ব্রিটিশ কোম্পানি ‘’ শ ওয়ালেস ‘’ এর ‘’ দি সুরমা ভেলি টি কোম্পানী ‘’ অধুনা অন্য বৃটিশ টি কোম্পানী ‘’ মেসার্সডানকান ব্রাদার্স ‘’ এর বিভিন্ন চা বাগান সহ এম সুলাইমান খান এন্ড কোঃ হামদদ টি কোঃ লিঃ, হামিদিয়া টি কোঃ লিঃ ( আলহারামাইন পারফিউম গ্রুপ অব কোম্পানীজ এর একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান ), মৌলভী টি কোঃ লিঃ রোজ টি কোঃ লিঃ পূর্বপাহাড় টি কোঃ লিঃ, বেঙ্গঁল মাইনস ডেভেলপমেন্ট ( টি ,কে গ্রুপ চট্রগ্রাম ), আবু তালেব চৌধুরী এন্ড সন্স চট্রগ্রাম সহ দেশেরবিভিন্ন চা বাগানে ম্যানেজার এ জি এম , ডি জি এম ,জি এম, এডভাইজার ও কনসালটেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে তিনিএকাধারে ৫৩ বছর চা শিল্পের উন্নয়নে সমগ্র্র দেশের চা জগতের আইকন, রোল মডেল ও সম্রাট । মালিকদের কাছে ছিলেন তিনিবিশ্বস্থ ও শ্রমিকদের কাছে তিনি মহাপ্রান । দেশের চা ,চা শ্রমিক তথা চা শিল্পের সার্বিক উন্নয়নে তিনি বিভিন্ন দৈনিক সাপ্তাহিক খবরের কাগজে নিয়মিত ভাবে লিখছেন,আগামীতে ও লিখবেন দেশের প্রায় সব কটি টেলিভিশনে তিনি বারংবার সাক্ষাৎকার দিয়েছেন । দেশে তিনি চা বাগানে দীর্ঘ জীবনের চাকুরিজীবি স্বনামধন্য , চা বিশেষজ্ঞ ও সফল মহাব্যবস্থাপক হিসাবে দেশ ব্যাপি স্বীকৃত ওসমাদৃত । তার ভক্তদের অনেকেই তাকে শ্রদ্ধাভরে ভালবেসে , অভিবাদন করেন ,’’ চা সম্রাট ‘’ বলে। তিনি সত্যিই চা বাগান ও চাশিল্পের জাদুকর । তিনি দেশ ও দেশের বাইরে সারা দুনিয়ায় বাংলাদেশের চা কে বহুল ব্যবহার , স্বাস্থ্য সম্বন্ধীয় জরুরী উপাদন হিসাবে পরিচিত ওপ্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করছেন । বিশিষ্ঠ চা রূপনকারী , বি টি আর আই চা বিজ্ঞানি, চা বোর্ডের কর্মকর্তা ,বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ও সরকারিকর্মকর্তা সহ বিভিন্ন চা বাগানের মালিক , বাংলাদেশী চা সংসদ, চা শিল্প সংশ্লিষ্ট সকল মহলে তার অবদান অনস্বীকার্য । বাংলাদেশের চা শিল্পকে উন্নত ও আধুনিকীকরনের লক্ষ্যে এই চা সম্রাট সরকারী বিভিন্ন সেকটরে ন্যায্য দাবী জানিয়েছেন |এমনকি তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে প্রেস ক্লাবের মাধ্যমে চা এর জন্য পৃথকমন্ত্রণালয় ও অভিজ্ঞ মন্ত্রী নিয়োগের সবিনয় আবেদন জানিয়েছেন । কোটি কোটি চা গাছের প্ল্যান্টার লক্ষ লক্ষ ছায়া তরু সহ দেশী বিদেশী ফলদ ও বনজ গাছের প্ল্যান্টার , মিলিয়ন বিলিয়ন কেজিচা এর উৎপাদক , দুটি পাতা একটি কুড়ির ‘’ তওাবধায়ক নতুন চা বাগান সৃজনে অভিজ্ঞ, চা এর ক্লোন , নার্সারি , মাটিজাতকরন , পোকামাকড় ও রোগবালাই দমনে , বিশেষজ্ঞ এই মহামানব চা সম্রাট দেশের মত লন্ডনে ও সম্মানিত হবেন এই আশাসবাই করছে। আসুন লন্ডনে আগত এই বাংলাদেশের চা সম্রাট কে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করি। অদ্যকার লিখা উপরুক্ত মহামানবের নিজ হাত ,মন ও মানসিকতারই প্রতিফলন । তিনি বাংলাদেশের চা শিল্পের মাটি ও মানুষের এবং বিশেষত লন্ডনে প্রাবাসীদের কল্যাণে ( যেহেতু তিনি প্রতিটি প্রবাসীকেঅনারারী রাষ্ট দূত হিসাবে গন্য করতে দেশ – বিদেশে দাবী তুলেছেন ) তার লালিত প্রতিষ্ঠিত জন কল্যাণমূলক সংগঠন( ‘’ শিকড়ের সন্ধানে’’) নামীয় কলামের মাধ্যমে প্রতি সপ্তাহে মনোমুগ্ধকর লিখা প্রকাশে তিনি দূঢ় ভাবে অঙ্গীকারা ব্যক্ত করেছেন চা সম্রাট এর আহ্বান লিকার চা পান করুন / দুধ চিনি যুক্ত চা বর্জন করুন। হার্ট অ্যাটাক , ফেটিগ , ব্লাড প্রেসার , ডায়াবেটিস ও ক্যান্সার থেকে মুক্ত থাকুন ।
ঢাবি প্রতিনিধি: পরিবর্তিত জলবায়ু সহনশীল শস্য উৎপাদনে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) নবনির্মিত ‘গ্রীনহাউজ’ এর উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের বোটানিক্যাল গার্ডেন চত্ত্বরে এই গ্রীনহাউজের উদ্বোধন
স্টাফ রিপোর্টার: চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ভিত্তি হিসেবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে শিল্পের বিকাশ, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীবাহিনী সৃষ্টি এবং পরিবেশ সংরক্ষণ এই তিনটি বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার মতে, জাতির পিতা
স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর: দিনাজপুর বন বিভাগের ঠাকুরগাঁও পীরগঞ্জ বিটের আওতায় থাকা দেড় হাজার একর জমির মধ্যে প্রায় ৮’শ একরই অবৈধভাবে দখল হয়েছে। এসব জমি পুনরুদ্ধারে দীর্ঘদিনেও তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি
স্টাফ রিপোর্টার: আমাদের দেশে ধান চাষের জন্য প্রতিবছর তিন লাখ মেট্রিক টন ধানবীজ প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে আট হাজার মেট্রিক টন হাইব্রিড ধানবীজ বিদেশ থেকে আমদানি করে ব্যবহার করা হয়।

শাহারুর ইসলাম ফারদিন: ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে তিনদিনের বৃষ্টিতে যশোর পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা তলিয়ে গেছে।পৌরসভার ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ডের মানুষের দীর্ঘদিনের দুঃখগাথা হয়েআছে জলাবদ্ধতা। ভারী কিংবা অল্প বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায়এই এলাকা। এটিকে নিয়তি মেনে নিয়েই জীবনযাত্রা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। জলাবদ্ধতায় সবচেয়ে কষ্টে রয়েছেন রেললাইন সংলগ্ন চোপদারপারা ও জমদ্দারপাড়ার মানুষ। ২৪ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও এখনো জমে আছে হাঁটু সমান পানি। ঘর থেকে বের হতে পারেননিঅনেকেই। এ অবস্থায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। এসব এলাকার বাসাবাড়িতে পানি ওঠায় বেশিরভাগ বাড়িতে বন্ধহয়ে গেছে রান্না-বান্না। ভুক্তভোগীরা বলছেন, যেখানে এক থেকে দুইঘণ্টার মাঝারি বৃষ্টিতেই এই এলাকাগুলোয় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।সেখানে টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, পরিকল্পিতভাবে ড্রেন নির্মাণ না হওয়ায় এগুলোদিয়ে ঠিকমতো পানি নিস্কাসন হয় না। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই এলাকাতলিয়ে যায়। জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গেল কয়েক বছরে পৌরকর্তৃপক্ষ কোটি কোটি টাকা ব্যয় করলেও কোন সুফল নেই। পানিনির্গমনের প্রায় সব পথ বন্ধ হওয়ায় কাটছে না তাদের দুর্দশা।এদিকে শহরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে যশোর পৌরকর্তৃপক্ষ গত ১০ বছরে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও তৎসংলগ্ন সড়ক উন্নয়নে৯ ওয়ার্ডে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন বলে জানা গেছে।তবে এ ব্যয় কোন কাজেই আসছে না। টানা বৃষ্টি হলেই বন্যাবস্থাবিরাজ করে শহরের নিম্মাঞ্চলে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, সামান্য বৃষ্টিতেই যশোর পৌরসভার ৬ ও ৭নং ওয়ার্ডে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, এ সংকটনিরসনে গেল কয়েক বছরে পৌর কর্তৃপক্ষ কোটি কোটি টাকা ব্যয়করার পরও কোন সুফল পাচ্ছে না তারা। পানি নির্গমনের প্রায় সবপথ বন্ধ হওয়ায় তাদের দুর্দশা কাটছে না। ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শংকরপুর চোবদার পাড়ার বাসিন্দা খন্দকার আবুহোসেন জানান, তার এলাকায় প্রায় সকল বাড়ির উঠানে এবংঅধিকাংশ ঘরে পানি ঢুকেছে। মানুষজন দৈনন্দিন কাজেঅসুবিধায় পড়েছেন। পানি দ্রুত নিষ্কাশনে তিনি সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টিআকর্ষণ করেন। যশোর পৗরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম শরীফ হাসান বলেন,যশোর শহরকে দু’ভাগে ভাগ করেছে ভৈরব নদ। শহরের উত্তর অংশের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থ্যা এ নদকে ঘিরে। আরদক্ষিণ অংশের পানি নিষ্কাশন হয় পৌরসভার ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ডের উপর দিয়ে হরিনার বিলে। যশোর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র মোকছিমুল বারী অপু বলেন, আসলে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার জায়গা না রেখে অপরিকল্পিতভাবে বহুতল ভবন ও পাকা স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। যশোর পৌরসভার মেয়রসহ জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আমরা চেষ্টা করছি,আগামী বছরের মধ্যে স্থাযী জলাবদ্ধতা নিরসন করার।’ ওই সময়পর্যন্ত নাগরিকদের কষ্ট সহ্য করার অনুরোধ জানান তিনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পিত উন্নয়ন না হওয়ায় কোটি টাকারপ্রকল্পের কোন সুফল পাচ্ছে না তারা। বরং আধা ঘন্টার বৃষ্টিতেইতলিয়ে যায় এ দু’টি ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট বাড়ি-ঘরসহ বিস্তীর্ণএলাকা। তবে পৌর কর্তৃপক্ষের দাবি, পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।আর ভুক্তভোগীরা বলছেন, পানি নিষ্কাশনে পৌরসভার পুরোপরিকল্পনায় ত্রুটি রয়ে গেছে। বৃষ্টি হলেই পানি ঘরে ঢুকবে। এটানিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা অভিযোগের সুরে বলেন, ড্রেনের মাথা উঁচু আর রাস্তা নিচু; পানি কিভাবে বেরুবে? যশোর পৌরসভার সচিব আজমল হোসেন জানান, ৯ ওয়ার্ডে২০১৬-১৭ অর্থ বছর থেকে নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্প ও তৃতীয়নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরণ প্রকল্পের আওতায়ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও তৎসংলগ্ন সড়ক উন্নয়নে কাজ চলছে। এরইআওতায় হরিনার বিল এলাকার খাল মুক্তেশ্বরী নদীর সাথেসংযোগ দেয়া হবে। এটা বাস্তবায়ন হলে যশোরে জলাবদ্ধতানিষ্কাশন আরও সহজ হবে। তিনি এ জলাবদ্ধতার জন্যে অনাকাঙ্খিত অতি বৃষ্টিকে দায়ী করেন। উল্লেখ্য, যশোর শহরকে উত্তর আর দক্ষিণ অংশে ভাগ করেছেমৃতপ্রায় ভৈরব নদ। শহরের উত্তর অংশের পানি নিষ্কাশন হয় এনদ দিয়ে। আর দক্ষিণ অংশের পানি নিষ্কাশন হয় পৌরসভার ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ওপর দিয়ে বয়ে গিয়ে বিল হরিনায়। কিন্তু সেহরিনার বিল এখন আর বিল নেই। দক্ষিণ অংশের পানি নিষ্কাশনের জন্যে গত নয়-দশ বছর ধরে প্রচুরটাকা ব্যয়ে ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তুপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন না হওয়ায় তা দুর্ভোগের কারণহয়ে দাঁড়িয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এই দুটি ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট, বাড়িঘরসহ বিস্তীর্ণ এলাকা জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে। ফলে বর্ষা মৌসুমজুড়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় স্থানীয়দের। জলমগ্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব বাড়ির মধ্যেই হাঁটু সমানপানি। বিশেষ করে শহরের শংকরপুর, বেজপাড়া এলাকার হাজারোবাড়িতে পানি ঢুকে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এসব এলাকারবাসাবাড়ির রান্নাঘরে পানি ওঠায় বেশিরভাগ বাড়িতে রান্না-বান্নাবন্ধ হয়ে গেছে। দুর্দশাগ্রস্তরা আক্ষেপ করে আর কোন অভিযোগ জানাতে চাচ্ছেন না। তারা নিয়তিকেই মেনে নিয়ে জীবনযাত্রা চালিয়ে যাচ্ছেন।