শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া ফরজ হয় যে রাতে

মহিমান্বিত ও অলৌকিক রাত শবে মেরাজ

মোহাম্মদ মকিস মনসুর
  • খবর আপডেট সময় : শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৭ এই পর্যন্ত দেখেছেন

লাইলাতুল মেহরাজ বা মেহরাজের রজনীকে উপমহাদেশে শবে- মেহরাজ নামে সবাই চিনেন। এই রাত্রে বিশ্ব মানবতার অগ্রদূত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব আমাদের মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:)  (আ:) সশরীরে সজ্ঞানে জাগ্রত অবস্থায় জিবরাইল (আ.) ও মিকাইলের (আ.) সঙ্গে বিশেষ বাহন বোরাকের মাধ্যমে মেরাজের রাতে সফর করেন এবং মহাণ আল্লাহু রাব্বুল আলামিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন।
মেহরাজের তাৎপর্য ও শিক্ষা এর আভিধানিক অর্থ সিঁড়ি, সোপান, ঊর্ধ্বগমন, বাহন, আরোহণ, উত্থান প্রভৃতি। অন্য অর্থে ঊর্ধ্বলোকে আরোহণ বা মহামিলন, যা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বিশেষ মুজেজা এবং আল্লাহর কুদরতের মহানিদর্শন।

মেহরাজ ছিল তৎকালিন সময়ের সেরা আলোড়ন সৃষ্টিকারী শ্রেষ্ঠ মুজেজা। যা আজও ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য শ্রেষ্ঠ সত্যায়ন।  এই মহিমান্বিত ও অলৌকিক রাতকেই বলা হয় শবে মেহরাজ। ইসলামে মেহরাজের বিশেষ গুরুত্ব আছে, কেননা এই মেরাজের মাধ্যমেই ইসলাম ধর্মের পঞ্চস্তম্ভের দ্বিতীয় স্তম্ভ অর্থাৎ মানবজাতির মুক্তির সনদ হিসাবে নামাজ মুসলমানদের জন্য মহাণ আল্লাহু রাব্বুল আলামিন ফরজ করে দেন। যার ফলে দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের বিধান নির্দিষ্ট করা হয়।

বাংলাদেশ সহ সারাবিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় এই রাতে নফল নামাজ আদায়, কোরআন তেলাওয়াত, খাজেগান, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিল, কবর জিয়ারত, ও দোয়া সহ বিভিন্ন এবাদত-বন্দেগীর মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করেন। এটি মুসলমানদের জন্য আধ্যাত্মিকতার এক অনন্য স্তর, যেখানে নবী (সা.) সশরীরে জাগ্রত অবস্থায় আল্লাহর সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের সুযোগ লাভ করেন, যা তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি করে।

শবে মেহরাজের গুরুত্ব ও ফজিলত,
শবে মেহরাজ কী ও কেন, এবং এর তাৎপর্য নিয়ে বৃটেনের কাডিফ শাহজালাল মসজিদ ও জালালিয়া মসজিদে গত বৃহস্পতিবার বাদ এশা উভয় মসজিদ কমিটির ব্যাবস্থাপনায় ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিল, খাজেগান, সিন্নি বিতরণ সহ নানা আয়োজনের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক লোকের উপস্থিতিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় লাইলাতুল মেহরাজ উদযাপন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে হজালাল মসজিদের ঈমাম ও খতিব মাওলানা মোহাম্মদ হালিম উদ্দিন নুরী ও জালালিয়া মসজিদের ঈমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুল মুক্তাদির ওয়াজ মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেছেন।

আলোচনার মাধ্যমে ঈমামগন ইসলামে শবে মেহরাজের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে বলেন, যাহা আমার আজকের লেখার মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।
ঐ রাত্রে আমাদের প্রিয় নবী করিম (সঃ) (আঃ) মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা হয়ে প্রথম আসমানে গমন করেন। এরপর ধারাবাহিকভাবে সপ্তম আসমান ও সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত এবং সেখান থেকে একাকী রফরফ বাহনে আরশে আজিম পর্যন্ত ভ্রমণ করে মহান রাব্বুল আলামিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ লাভ করেন। পাশাপাশি জান্নাত-জাহান্নাম পরিদর্শন করে পৃথিবীতে ফিরে আসেন।

এখানে বলে রাখা উচিৎ,এক রাতে আল্লাহর রাসুল (সা.) শুয়েছিলেন। তন্দ্রাচ্ছন্ন, চোখদুটো লেগে এসেছে। তবে হৃদয়-মানস ছিল জাগ্রত। এরই মাঝে আগমন করলেন হযরত জিবরাঈল (আ.)। তিনি নবীজিকে উঠিয়ে নিয়ে গেলেন জমজমের নিকট। একটি স্বর্ণের পেয়ালা আনা হলো। তা ছিল ঈমান ও হিকমতে পূর্ণ; তাতে জমজমের পানি। জিবরাঈল (আ.) নবীজির বক্ষ মোবারক বিদীর্ণ করলেন। বের করে আনলেন নবীজির হৃদয়। যমযমের পানি দিয়ে তা ধুয়ে আবার প্রতিস্থাপন করে দিলেন আগের জায়গায়। ঈমান ও হিকমতে পূর্ণ করে দেয়া হয় নবীজির কলব।
এরপর আনা হলো নবীজিকে বহন করার জন্য সওয়ারী। প্রাণীটি গাধার চেয়ে বড়, ঘোড়া থেকে ছোট। নাম বুরাক। রং সাদা। এটা এতটাই ক্ষিপ্রগতির, যার একেকটি কদম পড়ে দৃষ্টির শেষ সীমায়।

এভাবে নবীজি (সা.) মুহূর্তেই পৌঁছে গেলেন বাইতুল মুকাদ্দাস বা আল আকসায়। বুরাক বেঁধে রাখা হলো পাথর ছিদ্র করে। যে পাথরে অপরাপর নবীগণ নিজেদের বাহন বেঁধে রাখতেন। নবীজি সেখানে দুই রাকাত নামাজ আদায় করলেন। নামাজ পড়ে বের হওয়ার সময় জিবরাঈল (আ.) নবীজির সামনে দুটি পেয়ালা পেশ করলেন। একটি দুধের অপরটি শরাবের। নবীজি দুধের পেয়ালা গ্রহণ করলেন। জিবরাঈল (আ.) বললেন, আপনি দ্বীনের স্বভাবসিদ্ধ বিষয়টি নির্বাচন করেছেন।

নবীজি মদের পেয়ালা নেয়ার পরিবর্তে দুধের পেয়ালা গ্রহণ করায় জিবরীল (আ.) বলেন, আপনি যদি মদের পেয়ালা নিতেন তাহলে আপনার উম্মত বিভ্রান্ত হয়ে পড়ত। (বুখারি, হাদিস : ৩৩৯৪)

শুরু হলো ঊর্ধ্বজগতের সফর। জিবরাঈল নবীজিকে নিয়ে চললেন। প্রথম আসমানে গিয়ে আওয়াজ দিলেন। জিজ্ঞাসা করা হলো, কে? বললেন, জিবরাঈল। জিজ্ঞাসা করা হলো, আপনার সাথে কে? বললেন, মুহাম্মাদ। জিজ্ঞাসা করা হলো, তার কাছে কি আপনাকে পাঠানো হয়েছে? বললেন, হাঁ। এরপর নবীজিকে সম্ভাষণ জানানো হলো- মারহাবা, উত্তম আগমনকারীর আগমন ঘটেছে! খুলে দেওয়া হলো নবীজির জন্য আসমানের দরজা।

নবীজি প্রথম আসমানে গেলেন। সেখানে ছিলেন হযরত আদম (আ.)। জিবরাঈল পরিচয় করিয়ে দিলেন। নবীজি আদমকে সালাম বললেন। নবীজিকে সাদর অভিবাদন জানালেন- মারহাবা, নেককার পুত্র ও নেককার নবী। নবীজি দ্বিতীয় আসমানে দুই খালাত ভাই হযরত ঈসা (আ.) ও ইয়াহইয়া (আ.)-কে দেখতে পেলেন। তৃতীয় আসমানে দেখলেন হযরত ইউসুফ (আ.) কে। চতুর্থ আসমানে হযরত ইদরীস (আ.)-এর সাথে সাক্ষাৎ হলো নবীজির। পঞ্চম আসমানে হযরত হারূন (আ.) ষষ্ঠ আসমানে হযরত মূসা আ. সপ্তম আসমানে হযরত ইবরাহীম আ.-এর সাথে দেখা হলো। জিবরাঈল আ. পরিচয় করিয়ে দিলেন- ইনি আপনার পিতা, সালাম করুন। নবীজি হযরত ইবরাহীম আ.-এর সাথে সালাম বিনিময় করলেন। প্রত্যেক নবীরাই মুহাম্মদ সা. এর জন্য মনভরে দোয়া করলেন।

এরপর নবীজিকে নিয়ে যাওয়া হয় বাইতুল মামুরে। যেখানে প্রতিদিন সত্তর হাজার ফেরেশতা আসে। এরপর এই সত্তর হাজার আর ফিরে আসে না। এভাবে প্রতিদিন সত্তর হাজার করে ফেরেশতাদের নতুন নতুন কাফেলা আসতে থাকে। এরপর গেলেন সিদরাতুল মুনতাহার দিকে। সেখানে আছে একটি কুল বৃক্ষ। যার একেকটি পাতা হাতির কানের মতো। আর একেকটি ফল মটকার মতো বড় বড়। যখন ওটাকে আল্লাহর বিধান আচ্ছন্ন করে নিল তা পরিবর্তিত হয়ে গেল। সৃষ্টির কারো সাধ্য নেই তার সৌন্দর্যের বিবরণ দেবার। জিবরাঈল বললেন, এটা সিদরাতুল মুনতাহা। এখানে চারটি নহর। দুটি অদৃশ্য আর দুটি দৃশ্যমান। নবীজি জিজ্ঞাসা করলেন, দৃশ্যমান নদীদুটি কোনগুলো? জিবরাঈল বললেন, অদৃশ্যমান দুটি জান্নাতে। আর দৃশ্যমান দুটি হলো নীল নদ ও ফুরাত নদ।

আল্লাহ তাআলা নবীজিকে দিনরাতে উম্মতের জন্য পঞ্চাশ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করে দিলেন। নবীজি আল্লাহর পক্ষ থেকে নামাজের এ হাদিয়া নিয়ে ফেরত আসছিলেন; এর মধ্যে দেখা হযরত মূসা আ.-এর সাথে। হযরত মূসা আ. জিজ্ঞাসা করলেন, আল্লাহ আপনার উম্মতের জন্য কী দিয়েছেন? নবীজি বললেন, পঞ্চাশ ওয়াক্ত নামাজ। হযরত মূসা বললেন, আপনার উম্মত রাত-দিনে পঞ্চাশ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে পারবে না। আপনার আগে আমি উম্মতদের মধ্যে ছিলাম দুনিয়ায়। আপনি আল্লাহর কাছে গিয়ে নামাজ আরও কমিয়ে আনেন।

নবীজি সে মতে আল্লাহর কাছে গিয়ে কম করে দেওয়ার দরখাস্ত করলেন। আল্লাহ পাঁচ ওয়াক্ত কমিয়ে দিলেন। এভাবে কয়েকবার আল্লাহর কাছে ফিরে গিয়ে দরখাস্ত করতে করতে উম্মতের জন্য পাঁচ ওয়াক্তে কমিয়ে আনেন নবীজি। শেষবার আল্লাহ বলেন, মুহাম্মদ! এই হলো দিন-রাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ। প্রত্যেক নামাজের বিনিময়ে দশ নামাজের সাওয়াব। এভাবে বান্দা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে পঞ্চাশ ওয়াক্ত নামাজের সওয়াব পাবে। কেউ কোনো ভালো কাজের ইচ্ছা করবে কিন্তু করতে পারবে না, তার জন্যও নেকি রয়েছে; এক নেকি। আর যদি ভালো কাজটি করে তাহলে তার জন্য দশ নেকী। আর কেউ কোনো মন্দ কাজের ইচ্ছা করলে কোনো গুনাহ লেখা হবে না। তবে তা করে বসলে একটি গুনাহ লেখা হবে।

নবীজি এ সওগাত নিয়ে ফেরত আসছিলেন। হযরত মূসার সাথে দেখা হলো। মূসা আ. এবার শুনে বললেন, আপনি যান, আরো কমিয়ে আনুন। আপনার উম্মত পারবে না। বনী ইসরাঈলের বিষয়ে আমার অভিজ্ঞতা আছে। নবীজি বললেন, আমার আর কিছু বলতে লজ্জা হচ্ছে! (বুখারি, হাদিস: ৩৮৮৭; মুসলিম, হাদিস: ১৬২, ১৬৪) নবীজিকে যখন বুরাকে তোলা হচ্ছিল তখন বুরাক ঔদ্ধত্য দেখাল। তখন জিবরাঈল আ. বললেন, মুহাম্মাদের ক্ষেত্রে এরকম করছিস! তোর উপর তো এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ কেউ কোনোদিন চড়েনি। এ শুনে বুরাক ঘর্মাক্ত হয়ে গেল। (তিরমিজি, হাদিস : ৩১৩১)

আল্লাহ তাআলা নবীজির জন্য যে বিশেষ উপহার হাউজে কাউসার রেখেছেন। প্রথম আসমানে নবীজিকে তা দেখানো হয়। নবীজি সেই কাউসারের বিবরণও দিয়েছেন। (বুখারি, হাদিস : ৭৫১৭)

নবীজি (সা.) যখন প্রথম আসমানে যান- দেখেন এক ব্যক্তি, তার ডান পাশে কিছু রূহ আর বাম পাশে কিছু রূহের কাফেলা। তিনি ডানদিকে তাকালে হাসেন আর বাম দিকে তাকালে কাঁদেন। তিনি নবীজিকে সম্ভাষণ জানালেন। নবীজি জিজ্ঞাসা করলেন, জিবরাঈল! ইনি কে? জিবরাঈল বললেন, ইনি আদম আ.। আর তার দুই পাশে তার সন্তানদের রূহ। ডানদিকেরগুলো জান্নাতী আর বামদিকেরগুলো জাহান্নামী। এজন্য তিনি ডানদিকে তাকিয়ে হাসেন আর বামদিকে তাকিয়ে কাঁদেন। (বুখারি, হাদিস : ৩৩৪২)

এই রাতে বেশি বেশি নফল নামাজ আদায় করা।
রোজা রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল। তওবা, ইস্তিগফার, দরুদ পাঠ এবং আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা মাধ্যমে এর মর্যাদা লাভ করা যায়।  আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে প্রকৃত ইসলামের শিক্ষার ওপর আমল করার তাওফিক দান করুন, আমিন।

পরিশেষে একে অন্যের জন্য দোয়া করবেন দোয়াই হচ্ছে একমাত্র ভরসা ,,এ রাতের প্রার্থনার মাধ্যমে আল্লাহ তাওবাকারীকে ক্ষমা করে দেবেন, অভাবীকে রিজিক দেবেন, বিপদগ্রস্থকে বিপদ মুক্ত করবেন।

আসুন মাহানবী রাসুল (সা:)( আঃ-) নিদেশিত পথে এবং সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়ীন, তাবে-তাবেয়ীন এবং যুগে যুগে ওলামা পীর মাশাইখগণ এ রাতে ইবাদাত করে গেছেন। তাদের রেখে যাওয়া আদর্শই অনুসরণ করে মহাণ আল্লাহু রাব্বুল আলামিন আমাদের যথাযথভাবে শবে মেহরাজ পালন করার তৌফিক দান করুন।

ইহজগত ও পরকালের কবর -মিজান –হাশর পুলসিরাত এর কথা চিন্তা করে, একে অন্যের জন্য  আমরা প্রাণ খুলে দোয়া করি, মহাণ আল্লাহু রাব্বুল আলামিন যেনো প্রতিটি মানুষের উপর খাস রহমত ও বরকত,দান সহ মৃত্যুবরনকারী সবাইকে জান্নাতবাসী করেন,। সকল অসুস্থ রুগীদের সীফা দান করেন। “আল্লাহুম্মা, রাব্বান নাস! আযহিবিল বা’স। ওয়াশফি, আনতাশ শাফি। লা শিফাআ ইল্লা শিফা-উক, শিফা-আ’ লা ইউগাদিরু সাকামা।”অর্থ : ‘হে মানুষের প্রতিপালক! এ রোগ দূর কর এবং আরোগ্য দান কর, তুমিই আরোগ্য দানকারী। তোমার আরোগ্য ব্যতিত কোনো আরোগ্য নেই। এমন আরোগ্য, যা বাকী রাখে না কোনো রোগ।’ (বুখারি, মিশকাত) আমিন, প্রকৃত ইসলামের আলোয় জাগ্রত হোক মানবতা, শুভ হোক পবিত্র রজনী।আমিন।।

লেখকঃ সাংবাদিক ও কলামিস্ট মোহাম্মদ মকিস মনসুর,
সাবেক সেক্রেটারি, ও বর্তমান ট্রাস্টি
কার্ডিফ শাহজালাল মস্ক এন্ড ইসলামিক কালচারাল সেন্টার, চেয়ারম্যান, ইউকে বিডি টিভি,
জয়েন্ট সেক্রেটারি,আনজুমানে আল ইসলাহ,
ওয়েলস ডিভিশন ইন ইউকে,

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102