সেনা অভ্যুত্থানের পর এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ হয়েছে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে। প্রায় এক হাজার বিক্ষোভকারী ইয়াঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে রাস্তায় মিছিল করেছেন। সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে বেশির ভাগ বিক্ষোভকারী তিন আঙুল তুলে
মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি ভালো আছেন। আজ শুক্রবার তাঁর রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এদিকে দেশটিতে জান্তাবিরোধী ক্ষোভ বাড়ছে।
বাংলাদেশের কাছ থেকে করোনার টিকা নেবে না হাঙ্গেরি। দেশটির একটি পত্রিকা জানিয়েছে, কৃতজ্ঞতাস্বরূপ পাঁচ হাজার টিকা দিতে চেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ টিকা তারা নেবে না। জাতীয়
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান ব্যর্থ করতে বিশ্বসম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচন ভন্ডুল করে দেওয়া অগ্রহণযোগ্য। সেনা অভ্যুত্থানে যাঁরা নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাঁদের বোঝা উচিত এভাবে দেশ
সামরিক অভ্যুত্থান ও সামরিক শাসনের দেশ মিয়ানমার। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে ১৯৬২ সালের অভ্যুত্থানের পর ৫০ বছর সরাসরি সামরিক শাসনের অধীনেই ছিল। কার্যত এখনো আছে। ২০০৮ সালে সাংবিধানিকভাবে সামরিক বাহিনীকে দেশ পরিচালনার
সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে মিয়ানমারে। দেশটির প্রধান শহরগুলোয় সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীরা স্থানীয় সময় আজ বুধবার থেকে ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছেন। সেনাশাসনের প্রতিবাদে পদত্যাগ করেছেন একজন চিকিৎসক। তরুণ
বাংলাদেশকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সব পক্ষকে আস্থায় রেখে দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে কৌশল ঠিক করার তাগিদ। মিয়ানমারের সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র, চীনসহ চারটি দেশের সঙ্গে মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের
মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের ঘটনায় দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আজ মঙ্গলবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিয়ানমারকে এই হুমকি দিয়েছেন। মিয়ানমারের ওপর
মিয়ানমার পরিস্থিতি নিয়ে আজ মঙ্গলবার জরুরি বৈঠকে বসবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। দেশটিতে সেনা অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এএফপির খবরে জানা গেছে, বৈঠকটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে। এটি
‘সু চি যখন বন্দী, তখন রোহিঙ্গারা তাঁর মুক্তির জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করেছিল। অথচ ক্ষমতায় আসার পর সু চি রোহিঙ্গা নিপীড়নে মদদ দেন। সু চির জন্যই আমরা জন্মভূমি ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছি।’—বলছিলেন