আহমদিয়া সালানা জলসাকে কেন্দ্র করে গত ৩ মার্চ কয়েকটি ইসলামি দলের সমন্বয়ে গঠিত সম্মিলিত খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ পরিষদের ডাকা কর্মসুচীতে পুলিশ-বিজিবির সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় আরিফুর রহমান (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়। তখন বিক্ষোভকারী মুসল্লীদের চাপে ৪ মার্চ ময়না তদন্ত ছাড়াই নিহত আরিফের লাশ শহীদি মর্যাদায় দাফন করা হয়।
জানা যায়, এক মামলার প্রেক্ষিতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম এম মামহবুব ইসলাম নিহতের লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। ১০ জুলাই (সোমবার) আদালতের নির্দেশে সকালে নিহত হওয়ার ১২৭ দিন পর আরিফের লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলার বাদি পঞ্চগড় থানার উপ পরিদর্শক ফরহাদ হোসেন জানান, আরিফ নিহত হওয়ার ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে গত ৪ জুন একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। ওই দিনেই আদালত লাশ উত্তোলনে ময়না তদন্তের আদেশ দেন।
নিহত আরিফ পঞ্চগড় পৌরসভার ইসলামবাগ এলাকার ফরমান আলির ছেলে। আরিফের বাবা পুরাতন কাপড়ের দোকানের কর্মচারী এবং আরিফ একটি প্রিন্টিং প্রেসের কর্মচারী ছিলেন।
পঞ্চগড় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল লতিফ মিঞা জানান, দেরিতে মামলা হওয়া কোনো বিষয় না। একটি বিশেষ প্রেক্ষাপটের কারণে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মামলা দায়ের করতে একটু দেরি হয়েছে।তথ্য সংগ্রহ করে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।নিউজ /এমএসএম