

স্টাফ রিপোর্টার: সকল ধরনের বার ও ক্লাব বন্ধ থাকবে। সেটা ঢাকা ক্লাব হোক আর অফিসার্স ক্লাব হোক, সব বন্ধ থাকবে। অলি-গলিতে থাকা সকল দোকান বন্ধ থাকবে। খাবারের হোটেলগুলো শুধুমাত্র খাবার কেনার জন্য খোলা থাকবে। বুধবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথাসব বলেন।তিনি বলেন, কোনো ধরনের যানবাহন আমরা চলতে দেব না, তবে সঙ্গত কারণ থাকলে বা নিত্য প্রয়োজনীয় বাজারে যেতে হলে আমরা তাদেরকে রিকশা ব্যবহারের অনুরোধ করবো। অন্যান্য সব জরুরি কাজে রিকশা ব্যবহার করা যাবে।যেসব কাঁচাবাজার রয়েছে সেগুলোকে সামনের রাস্তার পাশে নিয়ে আসা হবে, যাতে মানুষ দূরত্ব বজায় রেখে বাজার করতে পারেন। খাবারের হোটেলগুলো থেকে শুধুমাত্র খাবার কেনার জন্য খোলা থাকবে, কেউ বসে খেতে পারবেন না।ডিএমপি কমিশনার বলেন, যারা বাইরে বের হবেন তাদেরকে মাস্ক এবং আইডি কার্ড নিয়ে বের হওয়ার কথা উল্লেখ করেন। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে যারা আসবেন তাদের বহনের জন্য গাড়ি ব্যবহার করা যাবে। তবে আগত যাত্রীদের পরিবারকে আমরা অনুরোধ করবো আপনারা গাড়ি দিয়ে বিমানবন্দরে না গেলেও চলবে। কারণ বিমানবন্দরে যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক গাড়ি রয়েছে। আন্তর্জাতিক যাত্রীদের রাস্তায় টিকিট এবং পাসপোর্ট প্রদর্শন করতে হবে।পুলিশ আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে যতটা কঠোর হবে, আপনার পরিবার-সন্তান ততটাই নিরাপদে থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন। পুলিশের সঙ্গে তর্কে-বিতর্কে জড়িয়ে আমাদেরকে ফাঁকি দিতে পারবেন, ভিডিও নিয়ে ভাইরাল করে পুলিশকে সমালোচনার মুখে ফেলতে পারবেন। তবে সন্তান ও পরিবারকে করোনার সংক্রমণ থেকে দূরে রাখতে পারবেন না।অনেকে পার্কে হাঁটতে যায়, এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ডায়াবেটিসের রোগীরা এমনিতেই অনেক অনেক ঝুঁকিতে থাকে তাই আমি অনুরোধ করব, বাসার আশপাশে জায়গা থাকলে সেখানে হাঁটবেন।অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুধুমাত্র পরিচয়পত্র ব্যবহার করে সংবাদকর্মীরা চলাচল করতে পারবেন।