সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লন্ডনে এস৯ ফিল্মস টেপ বল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত শ্রীমঙ্গলে বাস ও মোটর সাইকেলের সংঘর্ষে দুই যুবকের মৃত্যু কারি শিল্প রক্ষায় পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন শাহজালাল মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বাণিজ্য মন্ত্রীর নেতৃত্বে কমিটি গঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত গৎবাঁধা পদ্ধতিতে প্রকল্প চালানো যাবে না- ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি ফের শালবাহান ইউপির দায়িত্বে আশরাফুল ইসলাম সালন্দর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত জনগণের সমর্থনে আওয়ামী লীগ শীঘ্রই শক্তিশালী হয়ে ফিরবে—-শেখ হাসিনা

ফুলের মধু আহরণে প্রস্তুত মৌ-খামারীরা

সংবাদদাতার নাম :
  • খবর আপডেট সময় : শনিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৮৭ এই পর্যন্ত দেখেছেন

আরএম সেলিম শাহী, শেরপুর: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ের ফুলের মধু আহরণে প্রস্তুতি নিচ্ছেন মৌ-খামারীরা। উপজেলার গারো পাহাড়ে প্রতিবছরের অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন ফুলের ও সুন্দরবনের মধু আহরণের ছোটে আসেন মৌ-খামারীরা। 

চাঁদপুর থেকে আব্দুল্লাহ মৌ খামারের প্রতিষ্ঠাতা মনিরুল ইসলামকে দেখা যায় গারো পাহাড়ে। তিনি চাঁদপুরের মতলব উপজেলা উদ্বমদী গ্রামের বাসিন্দা। উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের বনরাণী সংলগ্ন পশ্চিম পাশে প্রস্তুতি নিচ্ছেন মধু আহরণের। প্রতিবছরের ন্যায় এবারেও তিনি সরিষা,ধনিয়া,কালোজিরা ও লিচুর ফুলের মধু আহরণ করার ইচ্ছে রয়েছে তার। এছাড়াও সুন্দরবনের খলিশা,বাইন,গড়ান এবং কেওড়া এসব গাছের ফুল থেকেও খাঁটি মধু আহরণ করা হয়ে থাকে।

খামারী জানান প্রত্যেক বছরের ডিসেম্বর হতে এপ্রিল পর্যন্ত পাঁচ মাস মধু আহরণ করা হয়। মনিরুল ইসলাম বলেন তার এক বন্ধু ছিলেন মৌ-খামারী। মধু আহরণের মাধ্যমে নিজের কর্মসংস্থানের ইচ্ছে জাগে মনিরুলের। এরপর সেই বন্ধুর পরামর্শে ২০১৭ সালে মধু আহরণের জন্যে খামারটি প্রথমে চালু করেন। নাম রাখা হয় আব্দুল্লাহ মৌ খামার। অল্পতেই বেশ পরিচিতি লাভ করে তার খামারটি। ৮০ পিচ মৌ কলোনী ও ৪ শত ফ্রেম  ক্রয় করে গড়ে তোলেন আব্দুল্লাহ মৌ খামার ব্যয় হয় তার ৩ লাখ টাকা।

তবে ৫ বছরের ব্যাবধানে বর্তমানে তার খামারে ২’শ পিচ মৌ কলোনীর মাধ্যমে মধু আহরণ করছেন তিনি।এখন প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন স্থানে মধু সংগ্রহ করে থাকেন মনিরুল ইসলাম। খামারটিতে তার নিজের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু পরিবারের লোকজনের হয়েছে কর্মসংস্থান। মধু আহরণে দেশের বিভিন্ন প্রান্তরে যেতে হয় তার। তবুও সকল খরচা বাদ দিয়ে বছরে প্রায় ৬ লাখ টাকা আয় হয় তার। 

তিনি মনে করেন নিজের প্রচেষ্টায় প্রতিটা ব্যাবসায় রয়েছে কষ্ট ও ঝুঁকি। সার্বক্ষণিক সত্যে ও ধৈর্যের সাথে যেকোন ব্যাবসা পরিচালনা করতে পারলে তবেই একদিন সফলতার মুখ দেখা সম্ভব বলেও জানান মৌ খামারী মনিরুল ইসলাম। 

ইউকেবিডিটিভি/ বিডি / এমএসএম

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102