

খাদেমুল ইসলাম: অস্তিত্ব সংকটে পঞ্চগড় তেতুলিয়ার বাস- বেত শিল্প। প্রযুক্তির বদৌলতে বাঁস- বেতের জায়গা দখল করে নিয়েছে প্লাস্টিক – লৌহার সামগ্রী।
পঞ্চগড় তেতুলিয়া উপজেলার ঐতিহ্য ধারন করে বংশানুক্রমে চলে আসছে যে পেশা নানাবিধ কারনে সংকটে পড়ে বাস-বেত শিল্পের সে পন্য আজ অস্তিত্ব সংকটে ও পৃষ্টপোষকতার অভাব আর প্লাস্টিক পন্যের দোরাত্বর সংগে পেরে না ওঠায় শ্রমিকের সংখ্যা কমে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের আশস্কা এ অবস্থা চলতে থাকলে একসময়ে বিলুপ্ত হয়ে যাবে এ পেশাটি। এই শিল্পকে বাচিয়ে রাখতে এখনো এগিয়ে আসেনি বিসিক ও জেলা প্রশাসন।
পঞ্চগড়ে ৫টি উপজেলা রয়েছে এবং তেতুলিয়া উপজেলার ৭ টি ইউনিয়ন পরিষদ, জনবল প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার বিপরীতে এ বেত -বাস শিল্প। উপজেলার তেতুলিয়া বিভিন্ন গ্রামের কারুশিল্পীদের ব্যস্ততা সতাব্দী প্রাচীন থেকে,একেবারে শুরুতে শুধু পারিবারিক প্রয়োজন মেটাতে তৈরি হত ঝুড়ি ডালা কুলা, চাটাই, টুকরি, জাকি, টাইল, খালুই, চালুনিসহ নিত্যব্যবহার্য পন্য।তাই গ্রাম বাংলার বেশির ভাগ বাড়িতেই ছিল বাস- বেতের পন্য তৈরির আয়োজন।
দক্ষ শিল্পীদের হাতে তৈরি পন্যের সুনাম আশপাশে ছড়িয়ে পড়ায় শুরু হয় বানিজ্যিক উৎপাদন।অনেক পরিবারের জীবিকার প্রধান অবলস্বন হয়ে ওঠে এ শিল্প।মুলত পারিবারিক উত্তরা সুরি হয়ে এ ধারা টিকিয়ে রেখেছেন স্থানীয়রা। বর্ষিয়ানরা হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি করেন নতুন কারিগরদের। এলাকার হাটবাজার গুলোতে এসব পন্য কেনাবেচার মুল স্থান হলেও এসব কারুশিল্প রপ্তানী হচ্ছে বিদেশে কিন্তু উৎপাদকেরা ন্যায্য মুল্য বঞ্চিত হচ্ছে মধ্যসত্ব ভুগীদের কারণে। বাস বেতের উপকরনের জায়গা দখল করেছে প্রযুক্তির প্লাষ্টিক লৌহার সামগ্রী। তাই কমে যাচ্ছে বাস বেত বাসঝারের সংখ্যা। অনিশ্চয়তার এ পেশা নতুন প্রজন্মের কাছে।
এব্যাপারে যুগিগছ, নামাগছ,সিপাইপাড়া, দেবনগড়, ভজসপুর, খালপাড়া প্রান্তিক হস্ত শিল্প বাস, বেত কারিগরদের সাথে কথা বললে জানান, অস্তিত্ব সংকটে আছেন তারা। এ শিল্প টিকিয়ে রাখতে সরকারের ও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সু দৃষ্টি কামনা করেছেন সংশ্লিষ্টরা।