

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী: বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটুক্তির অভিযোগে রাজশাহীর কাটাখালি পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজশাহী।
বুধবার সকাল থেকেই রাজশাহী মহানগরীর এবং কাটাখালি পৌর এলাকাতে প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু হয়। এছাড়াও আব্বাসের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে তিনটি মামলা। এর মধ্যে দুটি মামলা এজাহার হিসেবে গ্রহণ করেছে পুলিশ।
সকালে রাজশাহী মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ব্যানারে নগরীর জিরোপয়েন্টে মেয়র আব্বাসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া ও তাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইশতিয়াক আহমেদ লিমন, বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন প্রমাণিক প্রমুখ।
গত সোমবার রাত থেকে মেয়র আব্বাসের দুটি অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ম্যাসেঞ্জারে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটুক্তি এবং বঙ্গবন্ধু মুর্যাল নির্মাণ প্রতিহতের ঘোষণার অভিযোগে রাজশাহীর কাটাখালি পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে মহানগরীর রাজপাড়া, বোয়ালিয়া ও চন্দ্রিমা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।
বোয়ালিয়া থানায় রাজশাহী নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ১৩ নং কাউন্সিলর আব্দুল মোমিন একটি মামলা করেন।
চন্দ্রিমা থানায় মহানগর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তহিদুল হক সুমান এবং রাজপাড়া থানায় ১৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন দুটি এজাহার দেন।
তিন থানার ওসি এজাহার গ্রহণ করেছেন।
রাজপাড়া থানার ওসি মাজাহারুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু মুর্যাল নির্মাণ প্রতিহতের ঘোষণার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এজাহার পেয়েছি। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এজাহারটি দায়ের করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন।
প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটুক্তি এবং বঙ্গবন্ধু মুর্যাল নির্মাণ প্রতিহতের ঘোষণার এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ও আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছে। তার ফাঁস হওয়া অডিও ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।