

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল গত ৩ আগস্ট (রোববার) অনুষ্ঠিত হয়। ফলাফলে সৈয়দ মতিউর রহমানকে সভাপতি, মজিদুর রহমান সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র সহসভাপতি পদে বয়েতুল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে অলিউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে শাহিদ তালুকদার নির্বাচিত হন।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। কাউন্সিলে সভাপতি ও সম্পাদকসহ পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পদে ৯২৩ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ৮০৪ জন ভোট প্রদান করেন। কাউন্সিলে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাখাওয়াত হাসান ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) জি কে গউছ।
কাউন্সিলের ২০ দিনের মধ্যে নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ১০১ সদস্য বিশিষ্ট অনুমোদিত পুনাঙ্গ কমিটি প্রকাশ হলো। পুনাঙ্গঁ কমিটি তালিকা নীচে প্রকাশ করা হলঃ সভাপতি সৈয়দ মতিউর রহমান পেয়ারা, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ বয়েত উল্লাহ, সহ-সভাপতি মোঃ ছালিক মিয়া,সহ-সভাপতি গোলাম নবী তালুকদার, সহ-সভাপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন শান্তি, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মোঃ নুরুল আমিন, সহ-সভাপতি আব্দুল মালেক দুলা, সহ-সভাপতি শাহ দারা আলী, সহ-সভাপতি মতিউর রহমান জামাল, সহ-সভাপতি শাহ মুস্তাকিম, সাধারণ সম্পাদক,মজিদুর রহমান মজিদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান অলি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. জালাল আহমেদ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমেদ মুকিত, কোষাধ্যক্ষ হাজী তাহিদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীদ আহমেদ তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল চৌধুরী , দপ্তর সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক মোঃ মুজতাহিদ উদ্দিন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জামাল উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জুনাব আলী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শ্যামলা বেগম, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সাহেদুল ইসলাম সাহেদ, যুব বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মোশাহিদ আলম মুরাদ, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোঃ খালেদ আহমেদ, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মুর্শেদ চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক জোসেফ বখত চৌধুরী, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্দুল বাছিত রাসেল তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক এস এম নজরুল ইসলাম, প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সুশেল আহমদ স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক চিকিৎসক লিটন মিয়া, ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক আহমদ খান, ক্ষুদ্র ঋন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ছাইদুর রহমান চুনু, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মোঃ কুতুব উদ্দিন গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আবু সুফিয়ান, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মতিউর রহমান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সফিকুর রহমান ,ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ছাদিক মিয়া, তাঁতী, মৎস্যজীবি সম্পাদক মোঃ আব্দুর রব চৌধুরী, উপজাতি বিষয়ক সম্পাদক, সহ-কোষাধ্যক্ষ শিহাব আহমেদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ছমিরুল হক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মনসুর তালুকদার, সহ-দপ্তর সম্পাদক নুর হোসেন, সহ-প্রচার সম্পাদক মোঃ মাহী চৌধুরী, সহ-মুক্তিযোদ্ধা এম এ মছব্বির ইসলাম, সহ-ধর্ম বিষয়ক বিষয়ক সম্পাদক আল হেলাল আহমেদ, সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক কুতুবুন্নেছা, সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক মোঃ রায়েছ চৌধুরী সহ-স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক রুমান মিয়া, সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সাইফুর রহমান রাজন ,সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রউফ রুবেল, সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক রিপন কান্তি দাশ।
নির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব শেখ সুজাত মিয়া, মোঃ শফিকুর রহমান চৌধুরী ফারছু, শাহ মোজাম্মেল নান্টু , সরফরাজ চৌধুরী, খালেদ আহমেদ পাঠান, মোঃ তোফাজ্জল হোসাইন, হাজী আঃ সাফী আজাদ, এড. আবুল ফজল, অনন্ত কুমার দাশ, মোঃ মুশফিকুজ্জামান চৌধুরী নোমান, সফিউল আলম বজলু, মুরশেদ আহমদ, সিহাব আহমেদ চৌধুরী, কাওছার আহমদ, মোঃ গোলাম হোসেন, আবু বক্কর মিয়া, নুরুপ গণি চৌধুরী সোহেল, সোহেল আহমেদ চৌধুরী রিপন,শাহ গোলাম ইজদানী শামীম,আব্দুল আহাদ, হাজী ময়নুল ইসলাম বাচ্চু, মোঃ ফারুক মিয়া, মোঃ হাবিবুর রহমান সবুজ, মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ জাবেদ খান, মোঃ আব্দুর রকিব, মোঃ ইউসুফ আলী মেম্বার. মোঃ কাশেম আহমেদ, মোঃ ছুরুক মিয়া, মোঃ আতাউর চৌধুরী,মোঃ বুলবুল আহমেদ, আশরাফুল ইসলাম সুমন, মোঃ আবু বকর তালুকদার, মোঃ লুৎফুর রহমান, মোঃ সালাহ উদ্দিন খান, মোঃ মহসিন মিয়া, আতিকুর রহমান রাজিন, মোঃ নুরুল আমিন., সৈয়দ মঞ্জুর আলী, মোঃ কানু মিয়া, আকিকুর রেজা, হিফজুর রহমান, আলমগীর হোসেন,মোঃ হায়দর আলী, মোঃ নুর আলী, শাহ হুসাইন আহমদ, মোঃ আলামিন, মোঃ শাহজাহান মিয়া, মোঃ আবু সামাদ ও খালিছ মিয়া।
হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির ভোটার তালিকা প্রকাশ হলে উক্ত কমিটির সদস্যদের নাম প্রকাশ হয়। পরে বিভিন্ন জন ফেসবুকে কমিটির কাগজ আপলোড করেন। কেউ কেউ নিজ পদের কাগজ ছেড়ে অভিনন্দন ও শোকরিয়া আদায় করেন। বিভিন্ন পদ প্রাপ্তদের তাদের শুভাঙ্খীরা অভিনন্দন জানান।
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মজিদুর রহমান বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর নেতাকর্মীরা সরাসরি ভোটে নেতৃত্ব নির্বাচন করতে পেরেছেন। আমরা ২০দিনের মাথায় পুনাঙ্গ কমিটি উপহার দিয়েছি। এতে তৃণমূলের মধ্যে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। এতে সাংগঠনিক গতিও বাড়বে।