রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ন

বিচারপতিদের ভ্রমণভাতা বাড়ছে

সংবাদদাতার নাম :
  • খবর আপডেট সময় : সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৯২ এই পর্যন্ত দেখেছেন

সচিবালয় প্রতিনিধি: বিচারপতিদের ভ্রমণভাতা বাড়ছে। এজন্য ‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (ভ্রমণভাতা) আইন, ২০২১’ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (২৩ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ অনুমোদনের কথা জানান।

তিনি বলেন, এটাও ১৯৭৬ সালের অধ্যাদেশ ছিল। এটাতেও নতুন কোনো বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, আগে যেটা ছিল সে অনুযায়ীই ১০টি ধারা আছে। এটাকেও পুরো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শুধু ছোটখাটো অ্যামেন্ডমেন্ট (সংশোধন) হয়েছে। যেমন- আগে বোধহয় দৈনিক ভাতা ৫০০ বা সাড়ে ৫০০ টাকা ছিল, সেখানে এক হাজার ৪০০ টাকা করা হয়েছে। গাড়ি ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে এক টাকার কিছু বেশি ছিল সেটাকে ৩ টাকা করা হয়েছে।

‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (বেতন এবং সুবিধাদি) আইন, ২০২১’ এর খসড়াও নীতিগত এবং চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সালে কোর্টের রায় ছিল, সামরিক শাসনের যে অধ্যাদেশগুলো, সেগুলো আইনে পরিণত করা, এটা বাস্তবে সেটাই। এটাকে ইংরেজি থেকে বাংলায় নিয়ে আসা হয়েছে। সেজন্য এটা ক্যাবিনেট একেবারে অনুমোদন দিয়েছে। এরপর পার্লামেন্টে যাবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আগের অধ্যাদেশকে বাংলায় রূপান্তর করে নতুন আইন করা হচ্ছে। আইন মন্ত্রণালয়ের সার্কুলারের আলোকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের কুক ও সিকিউরিটি ভাতা হিসেবে মাসে ১৬ হাজার টাকা করে দেয়া হতো। এটিকে প্রস্তাবিত আইনে যুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া আইন মন্ত্রণালয়ের আরেকটি সার্কুলারের আলোকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের নিয়ামক ভাতা হিসেবে ১২ হাজার টাকা করে দেওয়া হতো। এখন এটিকে প্রস্তাবিত আইনে যুক্ত করে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের জন্য ৫ হাজার টাকা, আপিল বিভাগের বিচারপতিদের জন্য ৮ হাজার এবং প্রধান বিচারপতির জন্য ২৫ হাজার টাকা নিয়ামত ভাতা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। আগে এগুলো সার্কুলার দিয়ে পেতেন, এখন আইনে যুক্ত করা হয়েছে।

আইনে পরিণত হচ্ছে বার কাউন্সিল অধ্যাদেশ

এছাড়া বার কাউন্সিল অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তর করতে একটি আইনের খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

‘বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল (সংশোধন) আইন, ২০২১’ এর খসড়া আইনের অনুমোদনের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কিছুদিন আগে বার কাউন্সিলের অধ্যাদেশ করা হয়েছিল, কারণ যদি কোনো কারণে (বার কাউন্সিলের মেয়াদ) টাইম ওভার হয়ে যায় তখন কি করবে, সেটার কোনো বিধিবিধান ছিল না। সেজন্য বার কাউন্সিল অধ্যাদেশ হিসেবে এটি নিয়ে আসা হয়েছিল।

খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, পার্লামেন্ট শুরু হলে অধ্যাদেশ এক মাসের মধ্যে আইনে পরিণত করতে হয়, নইলে সেটা বাদ হয়ে যায়। সেজন্য তারা এটা নিয়ে এসেছে। সেটা ক্যাবিনেট অনুমোদন করেছে। আসন্ন সংসদ অধিবেশন চলাকালীন এটাকে অনুমোদন করে ফেলতে হবে, নইলে বাতিল হয়ে যাবে। সেজন্য এটার ফাইনাল অনুমোদন দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102