

ছাতক সংবাদদাতা: ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ছাতকের কালারুকা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান অদুদ আলমকে নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে হরদম তর্ক বিতর্ক। উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি হয়েও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর মনোনয়ন প্রত্যাশি হয়েছেন ধনকুব অদুদ আলম। গত নির্বাচনেও তিনি নানা নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে পেয়েছিলেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন। এবারের নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে বসেছেন তিনি।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, তিনি এবারও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছেন। এর আগেও একবার পুত্রের নামে নলকূপ বরাদ্দ নিয়ে সমালোচনায় পড়েন চেয়ারম্যান অদুদ আলম। এদিকে বিএনপিতে থাকা অদুদ আলমের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির তৎকালিন সাধারন সম্পাদক, বর্তমান সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের সাথে একই মঞ্চে অদুদ আলম। তিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ছিলেন এর সত্যতাও নিশ্চিত করেছেন বিএনপির কয়েক নেতাকর্মী। বিএনপিতে থাকাকালিন সময়ে তিনি ছাতক উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও তিনি ভাইস চেয়ারম্যান পদে সমর্থন চেয়েছিলেন সে খবরও জানা যায় বিএনপির নেতাকর্মীদের থেকে।
বিএনপি সূত্রে জানা যায় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পূর্বে তিনি বিএনপির হয়ে ব্যাপক সরব ভূমিকা পালন করেন। ছাতকে বিএনপিতে যোগদানের একটি অনুষ্ঠানে তিনি যোগদানকারী নবাগত কর্মীদের ৭ টি গরু জবাই করে খাওয়ানোর গুঞ্জন রয়েছে। আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন- টাকার বিনিময়ে গতবারও বিএনপির সক্রিয় ও প্রভাবশালী নেতা হয়েও অদুদ আলম নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছে। এবারও পুনরায় সে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছে। এভাবে চললে হাইব্রিড ও অনুপ্রবেশকারীদের দখলে চলে যাবে আওয়ামী লীগ। দলের সক্রিয় ও প্রকৃত নেতাকর্মীরা মনোক্ষুন্ন হোন।“ বিতর্কিত ও অনুপ্রবেশকারীদের মনোনয়ন প্রদান না করতে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ রয়েছে”। এর আগেও একবার নিজের পুত্রের নামে নলকূপ বরাদ্দ নিয়ে সমালোচনায় পড়েন চেয়ারম্যান অদুদ আলম। কালারুকা ইউনিয়নে বরাদ্দ সরকারি নলকূপ নিজের পুত্রের নামে ছাতক পৌর শহরে স্থাপন করতে গিয়ে ধরা পড়েন তিনি।
কালারুকা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অদুদ আলমসহ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান হুমায়ুন কবির রুবেল, আব্দুল মুকিত, জালাল উদ্দিন দলীয় মনোনয়ন চেয়েছেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগেরসূত্রে জানা যায় ১০ অক্টোবর সিলেট বিভাগের সকল ইউনিয়নে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীদের নাম প্রকাশ এর কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত জানা যায় নি।