টানা নবম জয়, তিন ‘৬৪’, চতুষ্টয়ের ফিফটি, চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ, হার্ডিংয়ের অভিষেকে ৮৮ রান, মোস্তাফিজের ‘২০০’—রেকর্ড, মাইলফলক ও ভুলতে বসা কত পরিসংখ্যান তুলে এনেছে বাংলাদেশ–ওয়েস্ট ইন্ডিজের তৃতীয় ওয়ানডেটা। ১৪.৯০ সিরিজে
একটা সময়ে বাংলাদেশ দলও এমন সময়ের মধ্য দিয়ে গেছে। আগে ব্যাট করলে ২০০ করাই কষ্ট হয়ে যেত। পরে ব্যাট করলে স্কোরবোর্ডে লক্ষ্য না দেখে পুরো ৫০ ওভার খেলার চেষ্টা করা।
ফিল সিমন্সের অসহায়ত্ব ভালোভাবেই টের পাওয়া যাচ্ছে ওয়ানডে সিরিজে। প্রায় দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে বাংলাদেশে হাজির হয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোচ। বাংলাদেশে সর্বশেষ সফরে প্রথম সারির দলই স্পিন সামলাতে পারছিল না।
কেঁচো খুঁড়তে কি সাপ বেরিয়ে আসছে? আপাতত নিশ্চিত করে বলা না গেলেও গর্তে যে কিছু একটা আছে, তা কিন্তু বোঝা যাচ্ছে। এই ‘গর্ত’ আসলে ডিয়েগো ম্যারাডোনার জীবন। ফুটবল মাঠে আর্জেন্টাইন
মুশফিকুর রহিম এখন সবার ওপরে। দেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানতে খেলার রেকর্ডটা তাঁরই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই তিনি মাশরাফি বিন মুর্তজাকে ছাড়িয়ে গেছেন। ২০০৫ সালের মে মাসে ইংল্যান্ডের
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের গেটের সামনে আগের সেই ভিড়টা নেই। তিন ও এক নম্বর গেটের বাইরে ইতিউতি হাঁটাহাঁটি করছেন হাতে গোনা কিছু মানুষ। গ্যালারিতে দর্শক ঢুকবে না, আগেরই সিদ্ধান্ত। তাই টিকিট
চকচকে নতুন বলটা নেওয়া হলো। নতুন বল নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটাও নিশ্চিত হওয়া গেল, জমজমাট ম্যাচটা হলে আর সর্বোচ্চ ২০ ওভার। ২০ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার দরকার আরও ৭ উইকেট। ওদিকে ভারতের
কী মধুর সমস্যার মধ্যেই না পড়ে গেলেন ভারতীয় নির্বাচকেরা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্রিসবেন টেস্টের আগে যেখানে চোটের কারণে মোটামুটি ১১ জন ক্রিকেটার খুঁজে বের করাই মুশকিল হয়ে পড়েছিল, অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের জায়গায়
ঘুড়ির নাম কোভিড ১৯, তাতে করোনাভাইরাসের নকশা আঁকা। আরেকটি ঘুড়িতে আঁকা মাস্কের ছবি, সেটিতে লেখা—নো মাস্ক, নো কাইট। আজ বৃহস্পতিবার সাকরাইন উৎসবে পুরান ঢাকার আকাশে উড়েছিল এমন করোনাময় নানা ঘুড়ি।