টসে জিতে ব্যাটিং করতে চেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেটি হয়নি। তিন পরিবর্তন নিয়ে খেলতে নামা বাংলাদেশ দল টসে হেরে বোলিংয়ে নেমে এখনো সাফল্যহীন। চট্টগ্রাম টেস্টের একমাত্র ‘পেসার’ মোস্তাফিজুর রহমান ঢাকায় নেই।
চট্টগ্রাম টেস্টের দ্বিতীয় দিন বোলিং করতে গিয়ে কুঁচকিতে চোট পেয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। এরপর থেকে আর মাঠেই নামেননি তিনি। সাকিববিহীন বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওই টেস্টে জয়ের আশা জাগিয়ে হেরে
জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক ম্যাচটা ভোলা যায় না। টেস্ট অভিষেক তো স্মরণীয় হয়ে থাকে। কাইল মায়ার্সের ক্ষেত্রে তাহলে কী বলবেন! চট্টগ্রাম টেস্ট দিয়ে এ সংস্করণে অভিষেক ঘটেছে তাঁর। অভিষেক ম্যাচেই
বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ২২৩ রানে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণার পর পরিকল্পনাটা টের পাওয়া গিয়েছিল। কাল তো হাতে পুরো একটা দিন আছেই, সঙ্গে আজকের শেষ সেশন। আজ শেষ সেশনে আলো-আঁধারির খেলায়
চট্টগ্রাম টেস্টে আজ চতুর্থ দিনে ৮ উইকেটে ২২৩ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। এতে জয়ের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩৯৫ রানের লক্ষ্য দিল মুমিনুল হকের দল। প্রথম ইনিংসে ৪৩০ রানে
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটসম্যানরা ঘূর্ণি-ফাঁসে হাঁসফাঁস করলেন। এই ঘূর্ণির মধ্যেই আবার ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই করলেন প্রত্যাশিত দুজন-ই–ক্রেগ ব্রাফেট ও জার্মেইন ব্ল্যাকউড। জশুয়া দা সিলভার কথাও বলতে হবে। কিন্তু মাত্র ২৩ বলের
জশুয়া দা সিলভার ওপর যেন চেতেশ্বর পুজারা ভর করেছিল! একের পর এক বল খেলেই যাচ্ছিলেন। রান করার কোনো চেষ্টা নেই! আরেক প্রান্তে জার্মেইন ব্ল্যাকউড আবার সম্পূর্ণ উল্টো। মারার বল পেলে
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটিটা পেলেন সাদমান ইসলাম। আর এতে সমাপ্তি ঘটেছে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ দলের এক সাম্প্রতিক খরার। সাদমান যে ১০ ইনিংস পর ফিফটি
মুশফিকুর রহিমকে পেরোতে মাত্র ৯ রান দরকার ছিল তাঁর। শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের বলটা যখন স্কয়ার লেগে ঠেলে দিতেই সেই আনন্দও পেয়ে গেলেন তামিম ইকবাল। মুশফিকুর রহিমকে পেরিয়ে তামিম আবার হয়ে গেলেন
অধিনায়কত্বের ছোট্ট মেয়াদে এই প্রথম পূর্ণ শক্তির দল পাচ্ছেন মুমিনুল হক। এর আগে যে চারটি টেস্টে বাংলাদেশ দলের অধিনায়কত্ব করেছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান, সেখানে সাকিব আল হাসান তো নিষেধাজ্ঞার কারণে ছিলেনই-না,