ধাপে-ধাপে শুল্কমুল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ছাতকের ইছামতি, চেলা সহ সবক’টি শুল্ক ষ্টেশন দিয়ে চুনাপাথর আমদানী বন্ধে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে এনবিআর এর মেম্বারদের সাথে এফবিসিসিআই ও সিলেট অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে আলোচনা সাপেক্ষে ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে বলে ব্যবাসায়ীরা জানিয়েছেন। সভায় এফবিসিসিআই’র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মনির হোসেন, এফবিসিসিআই’র ল্যান্ড পোর্ট, বর্ডার ট্রেড, ট্রানজিট এন্ড ট্রানসিপমেন্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান, এফবিসিসিআই’র বন্দর ও নৌ-পরিবহন সংক্রান্ত নবগঠিত স্থায়ী কমিটির কো-চেয়ারম্যান আহমদ শাখাওয়াত সেলিম চৌধুরী, সিনিয়র অতিরিক্ত মহাসচিব শাহ মোহাম্মদ আব্দুল খালেক, সিলেট চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাষ্ট্রিজের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এমদাদ হোসেন, ভাইস প্রেসিডেন্টে আতিক হোসেন, সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাষ্ট্রিজের পরিচালক মুজিবুর রহমান মিন্টু, সারওয়ার হোসেন, মঞ্জুর হোসেন, সিলেটের তামাবিল চুনাপাথর সমিতির সভাপতি লিয়াকত হোসেন, সহ সভাপতি জালাল উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এনবিআর’র পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন এনবিআরের মেম্বার সাদিক হোসেন।
এ ব্যাপারে এফবিসিসিআই’র ল্যান্ড পোর্ট, বর্ডার ট্রেড, ট্রানজিট এন্ড ট্রানসিপমেন্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান, ছাতক লাইম ষ্টোন ইম্পোটার্স এন্ড সাপ্লায়ার্স গ্রুপের প্রেসিডেন্ট আহমদ শাখাওয়াত সেলিম চৌধুরী জানান, চুনাপাথর আমদানীর ক্ষেত্রে সৃষ্ট জটিলতা শীগ্রই নিরসন হতে যাচ্ছে। তিনি আশাবাদী ফলপ্রসূ এ সভায় ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় রাজস্ব বোর্ড ইতিবাচক সিদ্ধান্ত দেবে।
উল্লেখ্য ধাপে-ধাপে শুল্কমুল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ৮ জানুয়ারী থেকে সিলেট অঞ্চলের সব কটি শুল্ক ষ্টেশন দিয়ে চুনাপাথর আমদানী অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষনা করেন ব্যবসায়ীরা। চুনাপাথর আমদানীতে প্রতি মেট্রিক টন হিসেবে ১১.৫ ডলার থেকে তিন মাসের ব্যবধানে দু’ ধাপে ১৩.৫ ডলারে উন্নীত করায় বিপাকে পড়েন আমদানীকারকরা। আমদানী করা চুনাপাথর ব্যবসা ক্ষেত্রে লোকসানের আশংকা থাকায় ব্যসায়ীরা আমদানী বন্ধ করে দেন। এতে চুনাপাথর ব্যবসার সাথে জড়িত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম অনিশ্চিয়তার মধ্যে। বেকার হয়ে পড়েন হাজার-হাজার পাথর শ্রমিক। দৈনন্দিন জীবন-জীবিকায় উপার্জনের পথ বন্ধ হওয়ায় এসব শ্রমিক পরিবার-পরিজন নিয়ে পড়েন চরম বিপাকে।