

স্পোর্টস ডেস্ক: ২০১৪ যুব অলিম্পিকের পর ২০১৬ রিও অলিম্পিক। এবার টোকিও অলিম্পিক। বারবার স্বপ্ন ভঙ্গ। এ যেন নিয়তির খেলা। কেন এমন হয়, তাও জানেন না দেশসেরা অন্যতম ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। সোমবার ছিল টোকিও অলিম্পিকে মাবিয়ার টিকিট (ওয়াইল্ড কার্ড) পাওয়ার শেষ দিন। কিন্তু এবারও তার ভাগ্যের সিঁকি ছাড়েনি তার। তাইতো মন খারাপ তার। মাবিয়ার কথায়, ‘লকডাউনের মধ্যে আমি অনুশীলন করেছি। ভেবেছিলাম টোকিও অলিম্পিকে খেলতে যেতে পারবো। ফেডারেশনও অনেক চেষ্টা করেছে। আসলে আমার ভাগ্যে নেই অলিম্পিকে খেলা।’অলিম্পিক গেমস এলেই ভাগ্যবিড়ম্বনায় পড়েন মাবিয়া। ২০১৪ সালে চীনের নানজিংয়ে অনুষ্ঠিত যুব অলিম্পিকে যাওয়ার কথা ছিল মাবিয়ার। কিন্তু সেখানে গিয়েছিলেন আরেক ভারোত্তোলক জহুরা আক্তার রেশমা। ১৬ রিও অলিম্পিকে ফর্মে থাকা সত্বেও ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের দ্বন্দ্বে যাওয়া হয়নি সেবার। এবার টোকিও অলিম্পিকের আগে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনা। বিশ্বজুড়ে ভারোত্তোলনের অনেক খেলা হতে পারেনি। তাই র্যাংকিং কম থাকায় অলিম্পিকের ওয়াইল্ড কার্ড পেলেন না টানা দু’টি সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসে স্বর্ণপদক জয়ী মাবিয়া আক্তার। জানা গেছে, সোমবার বিশ্বজুড়ে ভারোত্তোলনে ১০ টি ওয়াইল্ড কার্ডের নিষ্পত্তি হয়েছে। ফেডারেশনের সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদের তথ্য অনুযায়ী তিনটি নিয়েছে স্বাগতিক জাপান, বাকি সাতটার জন্য বিশের অধিক দেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে।মাবিয়া বলেন, ‘ওয়াইল্ড কার্ড না পেয়ে মানসিকভাবে এখন কিছুটা কষ্টে আছি। সবাই বলছে আমার সময় ও বয়স আছে। আরও খেলা চালিয়ে যেতে বলছে। তবে টোকিও অলিম্পিকে না যেতে পারায় আমার মধ্যে হতাশা কাজ করছে। যার ফলে আগের সেই তাড়না ও আন্তরিকতা সেভাবে থাকবে না।’