ছাতকে সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০ সালের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিকে নিয়োগ প্রাপ্ত ৯৫ জন শিক্ষক গত ২২ জানুয়ারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগদান করেছেন। ২৩ জানুয়ারি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পদায়নকৃতদের স্ব- স্ব কর্মস্থলে যোগদানের জন্য বলা হয় ও প্রতি শিক্ষককে তার নামের সাথে পদায়নকৃত বিদ্যালয়ের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু দেখা গেছে এ নিয়ে শিক্ষক ও গার্ডিয়ানদের মধ্যে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে।
পছন্দের বিদ্যালয়ে পদায়নের জন্য প্রতি শিক্ষককে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা করে উৎকোচ দিতে হয়েছে। এখানে বৌলা, ভাসখালা, আন্দারীগাও, মুক্তিরগাও, রাজাপুর, গদারমহল, করছা, বুড়াইরগাও, রামপুর, চেচান, বিলপাড়, বেরাজপুর, পরশপুর, জয়নগর, মোহনপুর, কুচবাড়ি, আব্দুল জব্বার নোয়াগাও, হাদাচান পুর চাইরচিরা, চরচৌলা, শাখাইতি, নানশ্রীসহ বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়ে প্রার্থীর বাছাই করা স্থানে পদায়ন করা হয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে প্রায় ৩০ জন শিক্ষক-গার্ডিয়ানের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করা হয়েছে বলে শিক্ষা কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) মাছুম মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তিনি একজন শিক্ষকের মাধ্যমে এসব টাকা আদায় করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট একটি সুত্র জানিয়েছে।
শিক্ষা কর্মকর্তার নির্বাচিত ওই শিক্ষক প্রার্থী শিক্ষকদের সাথে বা তাদের গার্ডিয়ানের সাথে সরাসরি এমনকি মোবাইল ফোন, ম্যাসেঞ্জার, ইমু, হোয়াটসআপে যোগাযোগ করে বিকাশের মাধ্যোমে টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক প্রার্থী অনুনয় বিনয় করেও তাদের বাড়ির পাশের বিদ্যালয়ে যেতে পারেন নি। কিছু প্রার্থীদের দুরের বিদ্যালয়ে প্রেরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে চাপে ফেলে তাদের কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মাছুম মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এখানে শিক্ষকদের মধ্যে গ্রুপিং থাকায় এ বিষয়ে আলোচনা- সমালোচনা হচ্ছে।এ ব্যাপারে তার কিছুই করার নেই। জেলা থেকে সকল শিক্ষক- শিক্ষিকাদের পদায়ন করা হয়েছে।