বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডেঙ্গু-চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত তেতুলিয়া ইউএনও এর বিরুদ্ধে ১৫ শতাংশ ঘুষ আদায়ের অভিযোগ কালুরঘাট সেতুর কাজ দ্রুত বাস্তবায়‌নে স্মারকলিপি প্রদান সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য রিয়েলমির বিশেষ আয়োজন ‘ঈদের হাসি’ ল্যান্সনায়েক শহীদ গৌছ আলী মেমোরিয়াল ট্রাস্টের উদৌগে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জমি দখলের চেষ্টায় অভিযোগ স্বাধীনতার মাসে যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাবে সংসদ কলুষিত বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে স্বাধীন দেশ পেতাম না —ড.একে আব্দুল মোমেন ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালিত লায়ন্স ক্লাব চিটাগাং কর্ণফুলী এলিট এর উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী ও ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠিত

৭০ বছরে বিশ্বের নানা উত্থানপতনের সাক্ষী রাণী এলিজাবেথ

সংবাদদাতার নাম :
  • খবর আপডেট সময় : শনিবার, ৪ জুন, ২০২২
  • ১৭৯ এই পর্যন্ত দেখেছেন

যুক্তরাজ্য অফিস: ব্রিটিশ রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ সিংহাসনে বসার ৭০ বছরে বিশ্বের নানা উত্থানপতনের সাক্ষী হয়েছেন। এই দীর্ঘ সময়ে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে নানা পরিবর্তন এসেছে বিশ্বে।

সেসব পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্রিটেনে স্থিতিশীলতা ধরে রেখেছেন তিনি। রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের সিংহাসনে আরোহণের ৭০ বছর পূর্তিতে যুক্তরাজ্যে চলছে নানা আয়োজন। ব্রিটেনের ইতিহাসে তিনি দ্বিতীয় শাসক, যিনি দীর্ঘসময় ধরে ব্রিটিশ রাজসিংহাসন ধরে রেখেছেন। ১৯২৬ সালের ২১ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ।

তার এ ৯৬ বছরের দীর্ঘ জীবনে তিনি কালের সাক্ষী হয়েছেন রাজপরিবারের নানা ঘটনার। একই সঙ্গে বিশ্বের নানা উত্থানপতনেরও সাক্ষী। রাণী এলিজাবেথের বাবা ১৯৩৬ সালে নিজের ভাই রাজা অষ্টম এডওয়ার্ডের পর সিংহাসনে আরোহণ করেছিলেন। আর সে সময় থেকেই এলিজাবেথ সিংহাসনের উত্তরাধিকারী ছিলেন। তিনি বাড়িতেই লেখাপড়া করতেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ স্থল সেনাবাহিনীর নারী বিভাগ অগজিলিয়ারি টেরিটোরিয়াল কর্মরত থেকে জনসাধারণের দায়িত্ব পালন শুরু করেন। ১৯৪৭ সালে তিনি গ্রিক ও ডেনমার্কের সাবেক রাজপুত্র ডিউক অব এডিনবরা ফিলিপকে বিয়ে করেন। এলিজাবেথ-ফিলিপ দম্পতির চারটি সন্তান। এরা হলেন- ওয়েলসের যুবরাজ চার্লস, রাজকুমারী অ্যান, ইয়র্কের ডিউক যুবরাজ অ্যান্ড্রু ও যুবরাজ এডওয়ার্ড। ১৯৫৩ সালে তার রাজ্যাভিষেক হয়।

সে সময় তার সিংহাসনে আরোহণের দৃশ্য টেলিভিশনে দেখে কোটি মানুষ। তবে তার অভিষেকের পর রাজ্য পরিচালনা মোটেও সহজ ছিল না। অনেকটা ভঙ্গুর সাম্রাজ্যকে স্থিতিশীল করতে তাকে অনেক বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে হয়েছে।

তার এই ৭০ বছরের শাসনামলে বিশ্বে সামাজিক এবং রাজনৈতিক অনেক পরিবর্তন হয়েছে। ঔপনিবেশিক শক্তিতে না-থাকায় বিশ্বের সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্ক কেমন হতে পারে, তার ছক কষতে হয়েছে তাকে।

আর সেই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে স্থিতিশীলতা এবং ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন তিনি। এলিজাবেথ কমনওয়েলথের প্রধান এবং সাতটি কমনওয়েলথভুক্ত দেশের রেজিমেন্টের প্রধান হন।

তিনি বিভিন্ন দেশ সফর করেন। অনেক ঐতিহাসিক পরিদর্শন এবং সভার মধ্যে আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রে একটি রাষ্ট্রীয় সফর এবং পাঁচবার পোপের দর্শন উল্লেখযোগ্য। তার পারিবারিক জীবনে ছেলে প্রিন্স চার্লসের বিয়ের পর প্রিন্সেস ডায়ানার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ এবং ডায়ানার মৃত্যু ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়।

রাণীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তবে তার দুই নাতি প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারির বিয়ে এবং তাদের সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার প্রতিটি মুহূর্ত রাণী উপভোগ করেন। ৭০ বছর পূর্তির বার্তায় রাণী ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, উৎসব আয়োজনের জন্য জাতিকে ধন্যবাদ।

এ উৎসব তার জীবনে মাইলফলক হয়ে থাকবে। ব্রিটিশরা সবসময়ই জনগণের প্রতি রাণীর ভালোবাসার কথা বলে এসেছেন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাকে সে মূল্যায়ন করেছে। যার প্রমাণ রাণীর সিংহাসনে আরোহণের ৭০ বছর পূর্তিতে সাধারণ ব্রিটিশদের উচ্ছ্বসিত অংশগ্রহণ।

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102