সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমানোর উপায় বলেছেন গবেষকরা

সংবাদদাতার নাম :
  • খবর আপডেট সময় : বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১
  • ৪৯১ এই পর্যন্ত দেখেছেন

ইউকেবিডি ডেস্ক: খাদ্যাভ্যাস, ঘুমের অনিয়মসহ নানা কারণে বাড়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি। সারাবিশ্বেই এই রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। এতে অকালেই প্রাণ হারাচ্ছেন বহু মানুষ। তাই গবেষকরা অনেক বছর ধরেই হার্ট অ্যাটাক থেকে কিভাবে ঝুঁকিমুক্ত থাকা যায়, গবেষণার মাধ্যমে সেই উপায় বের করার চেষ্টা করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ৮৮ হাজার সেচ্ছাসেবীর ওপর হার্ট অ্যাটাক নিয়ে গবেষণা করে তথ্য প্রকাশ করেছেন গবেষকরা।

এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে ঘুমানো হচ্ছে আদর্শ সময়। এতে হার্ট ঝুঁকিমুক্ত থাকে। এই অভ্যাস হার্টের সুস্থতার জন্য বেশ ভালো।

যুক্তরাজ্যের বায়োব্যাংকের গবেষক দলটি বিশ্বাস করে, নিয়মিত সঠিক সময়ে গভীর ঘুম দেহের অভ্যন্তরীণ ঘড়ির সঙ্গে সমন্বয় করে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। শরীরের স্বাভাবিক ২৪ ঘণ্টার শ্বাস-প্রশ্বাস সুস্থতা ও সতর্কতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি রক্তচাপের মতো বিষয়গুলোকে প্রভাবিত করে।

ইউরোপীয় হার্ট জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় গবেষকরা একটি হাতঘড়ির মতো ডিভাইস ব্যবহার করেছেন। সাতদিনের মধ্যে ঘুম ও জেগে ওঠার সময়ের তথ্য সংগ্রহ করেছেন তারা। পরবর্তীতে ছয় বছর হার্ট ও স্বাস্থের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

দেখা গেছে, যারা ঘুমের আদর্শ সময় ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে না ঘুমিয়ে আগে অথবা পড়ে ঘুমিয়েছেন তাদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা ঘটেছে। ঘুমের সময়কাল ও অনিয়মিত ঘুমও হার্ট অ্যাটাকের জন্য দায়ী।

গবেষক দলের প্রধান ড, ডেভিড প্ল্যানস বলেন, গভীর রাতের পরে যারা ঘুমায় তাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের সিনিয়র কার্ডিয়াক নার্স রেজিনা গিবলিন বলেন, হার্টকে দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ রাখতে বেশির ভাগ মানুষের জন্য রাত ১০টা থেকে ১১টা উত্তম সময়। দীর্ঘ গবেষণার মাধ্যমে এ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।

রেজিনা বলেন, আমাদের স্বাভাবিক সুস্থতার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে হার্ট অ্যাটাক থেকে মুক্ত থাকার জন্য। যারা বয়স্ক তাদের প্রতিদিন কমপক্ষে সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন।

কিন্তু কেবল ঘুমই হার্টের ওপর প্রভাব ফেলে না। আমাদে জীবন-যাপনের ওপরও লক্ষ্য রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। রক্তচাপ, কোলেস্টেরল লেভেল ও ওজন নিয়ন্ত্রণও হার্টের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম খাবার, অ্যালকোহল ও লবন খাওয়া কমানোও হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102