সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৯:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদের দাফন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হযরত শাহ জালাল (র.) মাজারে রাজনৈতিক শ্লোগানের নিন্দা ও প্রতিবাদ বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ট্রলি সেবায় টাকা আদায়ে নিষেধাজ্ঞায় স্বেচ্ছাসেবকদের ক্ষোভে গ্রেটার সিলেট ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল সাউথ ওয়েষ্ট রিজিওনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সোয়ানসি মৌলভীবাজার এসোসিয়েশনের ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত যশোরে হোটেল থেকে ব্যবসায়ীর মৃতদেহ উদ্ধার সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার তেতুলিয়ায় আমের মুকুলের ঘ্রাণে মধুমাসের আগমনী বার্তা নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ও বাংলা ট্র্যাভেলসের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

নতুন শিক্ষাক্রমে মূল্যায়ন পদ্ধতিতে যা থাকছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • খবর আপডেট সময় : সোমবার, ১ জুলাই, ২০২৪
  • ১১৬ এই পর্যন্ত দেখেছেন

নতুন শিক্ষাক্রমে মূল্যায়ন পদ্ধতির খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি)। এখন থেকে এ পদ্ধতি অনুসরণ করেই ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির মূল্যায়ন করা হবে। এমনকি দশম শ্রেণি শেষে যে পাবলিক পরীক্ষা (এসএসসি) হবে, তাতেও একই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে।

সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের সভাপতিত্বে শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির বৈঠকে এর চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। তবে এতে কিছু সংশোধনী আনার পরামর্শ দিয়েছেন কমিটির সদস্যরা। সংশোধনীগুলো যুক্ত হলেই তাতে সই করবেন তারা।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এটি খসড়া মূল্যায়ন কাঠামো। তবে কিছু জায়গায় ছোট ছোট সংশোধন করে আরেকটি সভায় অবগত করা হবে। শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ৬৫ শতাংশ লিখিত এবং ৩৫ শতাংশ কার্যক্রমভিত্তিক নম্বর থাকছে। এসএসসি পরীক্ষায় দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হলেও পরের শ্রেণিতে উত্তরণের বিষয়টিও থাকছে। পরীক্ষার মান ও মূল্যায়নে নিরপেক্ষতা যাতে বজায় রাখা যায়, সে জন্য লিখিত মূল্যায়নে বর্তমান পাবলিক পরীক্ষার মতো খাতা ব্যবহার করা হবে। আর পরীক্ষা শেষে একযোগে ফল প্রকাশ করবে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

চূড়ান্ত হওয়া মূল্যায়ন পদ্ধতিতে এসএসসিতে কেউ দুই বিষয়ে ফেল করলেও এইচএসসিতে ভর্তি হতে পারবে। কিন্তু তারা পূর্ণ সনদ পাবে না। তবে মার্কশিট পাবে। পূর্ণ সনদ পেতে পরে দুই বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে পাশ করতে হবে। তবে বিষয়টি ভালোভাবে নেননি অভিভাবকরা। তারা বলছেন, কোনো শিক্ষার্থী যদি ফেল করে উপরের শ্রেণিতে ওঠার সুযোগ পায়, সে পড়াশোনায় মনোযোগী হবে না।

বিষয়ের চাহিদা ও যোগ্যতা অনুযায়ী প্রকল্পভিত্তিক কাজ, সমস্যা সমাধান, অ্যাসাইনমেন্ট ইত্যাদির পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে। মূল্যায়নে অনুসন্ধান, প্রদর্শন, মডেল তৈরি, উপস্থাপন, পরীক্ষণ, পরিকল্পনা প্রণয়ন ইত্যাদি বিষয় থাকবে।

‘জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা-২০২১’ অনুযায়ী- ২০২৩ সালে প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে বাস্তবায়ন করা হয়েছে নতুন পাঠ্যক্রম। চলতি বছর দ্বিতীয়, তৃতীয়, অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে চালু হয়েছে। ২০২৫ সালে পঞ্চম ও দশম শ্রেণিতে, ২০২৬ সালে একাদশ এবং ২০২৭ সালে দ্বাদশ শ্রেণিতে এটি চালু হবে। বিষয়ভিত্তিক মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সাতটি ধাপের (স্কেলের) কথা বলা হয়েছে। এগুলো হলো—প্রারম্ভিক, বিকাশমান, অনুসন্ধানী, সক্রিয়, অগ্রগামী, অর্জনমুখী ও অনন্য। শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে কোন শিক্ষার্থী কোন পর্যায়ে আছে—তা নির্ধারণ করতে এই সাতটি ধাপ রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এনসিসিসি মন্ত্রণালয় পর্যায়ের একটি কমিটি, যেখানে শিক্ষাক্রমের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।জানা গেছে, ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা-২০২১’ অনুযায়ী- ২০২৩ সালে প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। চলতি বছর দ্বিতীয়, তৃতীয়, অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হয়েছে। ২০২৫ সালে পঞ্চম ও দশম শ্রেণিতে, ২০২৬ সালে একাদশ এবং ২০২৭ সালে দ্বাদশ শ্রেণিতে এ প্রক্রিয়া চালু হবে।

নিউজ /এমএসএম

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102