শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন

সারাদেশে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নওগাঁয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • খবর আপডেট সময় : বুধবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৪
  • ২৪১ এই পর্যন্ত দেখেছেন

জানুয়ারি মাসে দেশে দু-একটি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। পৌষের শেষে যেমন শীত অনুভূত হচ্ছে, মাঘের শুরুতেও তা থাকবে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

তবে এ সময় রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। ঘন কুয়াশাও থাকবে দেশের অনেক জায়গায়।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বনিম্ন ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নওগাঁর বদলগাছী ও চুয়াডাঙ্গায়। আর দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে ২৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বুধবার বলেন, বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই, তাই আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। রাতের তাপমাত্রা এখন যেমন আছে তার থেকে একটু বাড়বে। তবে দিনের তাপমাত্রার অবস্থা একই থাকবে।

এ ছাড়া দেশের কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ এবং সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

চলতি জানুয়ারি মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছিল, এ মাসে দেশে এক থেকে দুটি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। ইতোমধ্যে উত্তরাঞ্চলের কিছু এলাকায় একটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে।

বড় এলাকাজুড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে।

এদিকে নওগাঁয় বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সকাল ৯টায় নওগাঁর বদলগাছীতে সর্বনিম্ন ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বদলগাছী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের উচ্চ পর্যবেক্ষক হামিদুর রহমান।

হামিদুর রহমান বলেন, নওগাঁয় সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রার ব্যবধান কমে যাওয়ায় বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে। ঘন কুয়াশার সঙ্গে উত্তরের হিমেল বাতাস বয়ে যাওয়ায় রোববার থেকে তাপমাত্রা নিম্নমুখী হতে শুরু করেছে।

তিনি বলেন, বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি নওগাঁতে এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আরও কয়েক দিন তাপমাত্রা নিম্নমুখী হতে পারে।

এদিকে ঠান্ডার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতজনিত রোগের প্রকোপ।  হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে গত এক সপ্তাহে ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। ঘন কুশায় ঢেকে গেছে চারিদিক। তাই হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন।

নিউজ /এমএসএম

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102