সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লন্ডনে এস৯ ফিল্মস টেপ বল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত শ্রীমঙ্গলে বাস ও মোটর সাইকেলের সংঘর্ষে দুই যুবকের মৃত্যু কারি শিল্প রক্ষায় পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন শাহজালাল মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বাণিজ্য মন্ত্রীর নেতৃত্বে কমিটি গঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত গৎবাঁধা পদ্ধতিতে প্রকল্প চালানো যাবে না- ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি ফের শালবাহান ইউপির দায়িত্বে আশরাফুল ইসলাম সালন্দর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত জনগণের সমর্থনে আওয়ামী লীগ শীঘ্রই শক্তিশালী হয়ে ফিরবে—-শেখ হাসিনা

জুমার দিন ফেরেশতাদের কাছে যে কারণে ‘প্রাচুর্যের দিন’

ইসলাম ডেস্ক
  • খবর আপডেট সময় : শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৬৩ এই পর্যন্ত দেখেছেন

ইসলামে জুমার দিন সর্বশ্রেষ্ঠ দিন। মুসলমানদের জন্য জুমার দিনটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। রাসুল (সা.) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ এ দিনটিকে মুসলমানদের জন্য ঈদের দিনরূপে নির্ধারণ করেছেন। তাই যে ব্যক্তি জুমার নামাজ আদায় করতে আসবে সে যেন গোসল করে এবং সুগন্ধি থাকলে তা শরীরে লাগায়। মিসওয়াক করাও তোমাদের কর্তব্য। (সুনানে ইবনে মাজা: ৮৩)

আনাস ইবনে মালেক থেকে বর্ণিত একটি হাদিস থেকে জানা যায় ফেরেশতারা জুমার দিনটিকে ‘ইয়াওমুল মাযিদ’ বা ‘প্রাচুর্যের দিন’ বলেন। কারণ জান্নাতে এ দিন আল্লাহ তাআলা তার জান্নাতি বান্দাদের প্রভূত নেয়ামত ও সম্মান দান করবেন।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, একদিন জিবরাইল (আ.) আমার কাছে এলেন শুভ্র আয়নার মত একটা জিনিস নিয়ে। আয়নাটিতে একটি কালো দাগ। আমি বললাম, এটা কী? তিনি বললেন, এ হচ্ছে জুমার দিন, যে দিনকে আল্লাহ আপনার ও আপনার উম্মতের জন্য ঈদ বানিয়েছেন। এ দিন একটা সময় আছে, যে সময় বান্দা আল্লাহর কাছে যে কল্যাণই প্রার্থনা করে, আল্লাহ তাকে তা-ই দান করেন।

নবিজি (সা.) বলেন, আমি বললাম, জুমার দিনকে কালো দাগ দিয়ে চিহ্নিত করা হলো কেন? জিবরাইল (আ.) বললেন, জুমার দিন কেয়ামত সংঘটিত হবে। আমরা একে ‘ইয়াওমুল মাযিদ’ বা প্রাচুর্যের দিন বলি। আমি বললাম, ‘ইয়াওমুল মাযিদ’ কী? জিবরাইল (আ.) উত্তর দিলেন, জান্নাতে আল্লাহ তাআলা প্রশস্ত ও সুগন্ধময় একটা উপত্যকা বানিয়েছেন। সেখানে শুভ্র মেশকের একাধিক টিলা স্থাপন করেছেন। জুমার দিন আল্লাহ তাআলা এ উপত্যকায় অবতরণ করবেন। সেখানে নবিদের জন্য স্বর্ণের মিম্বর রাখা হবে, শহিদদের জন্য মুক্তার অনেক চেয়ার পাতা হবে। ডাগর নয়না হুররা নিজেদের কক্ষ থেকে নেমে আসবে এবং আল্লাহ তাআলার প্রশংসা ও মাহাত্ম্যের স্তুতি গাইতে থাকবে।

আল্লাহ তাআলা বলবেন, ফেরেশতারা! আমার বান্দাদের বিশেষ পোশাক পরিধান করাও। সে অনুযায়ী তাদের সজ্জিত করা হবে। তারপর আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দেবেন, আমার বান্দাদের জন্য খাবার পরিবেশন করো। আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক তাদের জন্য বিশেষ ভোজনের ব্যবস্থা করা হবে। আল্লাহ তাআলা বলবেন, আমার বান্দাদের সামনে পানীয় পরিবেশন করো। তাদের সামনে পানীয় পরিবেশন করা হবে। আল্লাহ তাআলা বলবেন, আমার বান্দাদের খোশবু লাগিয়ে দাও; সে অনুযায়ী তাদের সুরভিত করা হবে।

এরপর আল্লাহ তাআলা জিজ্ঞাসা করবেন, তোমরা আমার কাছে কী চাও? জান্নাতিরা বলবে, হে আমাদের রব! আমরা শুধু আপনার সন্তুষ্টি চাই। আল্লাহ তাআলা উত্তর দেবেন, আমি তোমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছি। (মুসনাদে আবু ইয়ালা)

নিউজ /এমএসএম

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102