সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত আত্ম মর্যাদাশীল মানুষ হিসেবে মাথা উচু করে দাঁড়াতে হবে মহিমান্বিত ও অলৌকিক রাত শবে মেরাজ শ্রীমঙ্গলে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জে ভারতীয় পন্য সহ আটক ১ দবিরুল ইসলাম ওবিই এর মৃত্যুতে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের শোক প্রকাশ মৌলভীবাজারে ধামতিপুরী (রঃ) এর ইসালে সওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত বিশ্ব নন্দিত আলেম শামসুল উলামা আল্লামা ফুলতলী ছাহেব ক্বিবলাহ রহঃ’র সংক্ষিপ্ত জীবনী বেনাপোলে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে মাছ পাচারকালে ইলিশ সহ দুই ট্রাক আটক জালালাবাদ রোটারী ক্লাবের উদ্যোগে বিনামূল্যে প্লাস্টিক সার্জারী সেবা প্রদান শুরু

বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনা বিশ্বের দুর্বলদের কন্ঠস্বর

সংবাদদাতার নাম :
  • খবর আপডেট সময় : বুধবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৮৩ এই পর্যন্ত দেখেছেন

রফিকুল হায়দারঃ সম্প্রতি স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল জলবায়ূ পরিবর্তন সম্মেলন কপ – ২৬। এর আগে বিশ্বে এ সংক্রান্ত আরও চারটি সম্মেলনে বড় ধরণের চুক্তি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। এর যাত্রা শুরু হয়েছিলো ১৯৯২ সালে। প্রথমে ইউ এন এফ সি সি (ইউনাইটেড ন্যাশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইসেট চেঞ্জ)। তারপর কিয়োটো প্রটোকল, দোহা এমেন্ডমেন্ট, প্যারিস চুক্তি। এরই ধারাবাহিকতায় এবার হয়ে গেলো গ্লাসগোতে কপ ২৬।

গত চারটি সম্মেলনেই বিশ্বের দেশগুলোর কাছ থেকে তাদের দেয়া প্রতিশ্রুতির কোনটাই আজ পর্য্যন্ত কার্য্যকরী হয়নি। এবারের গ্লাসগো জলবায়ূ সম্মেলনে ভবিষ্যতে কয়লার ব্যবহার থেকে সরে আসার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে ৪০টিরও বেশি দেশ।

কপ ২৬ জলবায়ূ বিষয়ক সম্মেলনে বিশ্বের ১৯৭টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান কিংবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কয়েকটি দেশের নেতা, গ্রেটা থুনবার্গ কিংবা স্যার ডেভিড অ্যাটেবরোর প্রতি মিডিয়ার দৃষ্টি সবচেয়ে বেশী। জলবায়ূ পরিবর্তন নিয়ে এদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টিভঙ্গি , কৌশল কিংবা পরিকল্পনা সব সময়ই আলোচিত হয়ে আসছে। এ বিষয়ে গত মঙ্গলবার প্রকাশিত বিবিসি’র বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কপ – ২৬ সম্মেলনের সফলতা কিংবা ব্যর্থতা অনেকাংশে নির্ভর করছে প্রভাবশালী পাঁচ ব্যক্তির ওপর। এই পাঁচ জন ব্যক্তির তালিকায় রয়েছেন ১) চীনের জি জেনহুয়া, ২) সৌদি আরবের আয়মান শাসলি, ৩) বৃটেনের অলোক শর্মা, ৪) দূর্বলদের কন্ঠস্বর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ৫) ইউরোপের সংযোগ স্থাপনকারী তেরেসা রিবেরা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিতে থাকা ৪৮টি দেশের জোট ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের হয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি একজন অভিজ্ঞ ও স্পষ্টভাষী রাজনীতিবিদ। জলবায়ূ পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় তাঁর বাস্তব্ অভিজ্ঞতা রয়েছে। গত বছরও বাংলাদেশের চার ভাগের এক ভাগ ভুমি বন্যার পানিতে তলিয়ে গিয়েছিলো। জলবায়ু সম্মেলনে নিজের অভিজ্ঞতার কথা শুনিয়েছেন শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনার ভুমিকার বিষয়ে যুক্তরাজ্যের কার্ডিফ ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষক জেন অ্যালান বলেন, শেখ হাসিনার মতো একজন মানুষ যখন জলবায়ু সম্মেলনের কথা বলেন এবং মানবিক ভাবে নিজের অভিজ্ঞতার কথা শোনান, তখন বিশ্বনেতাদের জলবায়ু পরিবর্তনের আসল চিত্র সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরী হয়। শুধু তাই নয়, শেখ হাসিনার মাধ্যমে জলবায়ু সম্মেলনে গরীব, উন্নয়নশীল ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো নিজেদের জোরালো কন্ঠস্বর তুলে ধরতে পারছে। আলোচনা এগিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়ায় নিজেদের কথাগুলো উচ্চারণ করতে পারছে।

জেন অ্যালান বলেন, অর্থনৈতিক গুরুত্ব ছাপিয়ে এসব দেশের কন্ঠস্বর বিশ্বদরবারে তুলে ধরছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কেননা ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে একদিকে এসব দেশের কথা বলার নৈতিক অধিকার রয়েছে। অন্যদিকে জাতিসংঘের আওতায় গৃহীত যেকোন সিদ্ধান্তের ভালো কিংবা খারাপ যেকোনো ফলাফল সরাসরি ভোগ করতে হবে এসব দেশকেই। মূলত এ কারণে কপ ২৬ এর আলোচনা প্রক্রিয়ায় শেখ হাসিনা একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।

উপরের প্রতিবেদন পড়ে নি:সন্দেহে বলা যায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বদরবারে যে স্থান অধিকার করেছেন, বাংলাদেশের শাসনামলে আর কোন সরকার তা করতে পারেনি। বিশ্ববাসীর কাছে তিনি একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। এ পরিচিতি শুধু প্রধানমন্ত্রীর নয়, এ পরিচিতি বাংলাদেশের।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্কটল্যান্ডে জলবায়ু সম্মেলনে যোগদান শেষে মঙ্গলবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে স্কটিশ পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখেন। তিনিই বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তথা রাজনীতিবিদ যিনি এই সম্মানে ভুষিত হলেন। স্কটিশ পার্লামেন্টের প্রথম বাংলাদেশী এমপি ফয়ছল চৌধুরী এমবিই’র আয়োজনে এবং স্কটিশ পার্লামেন্টের স্পিকার আলিশন জনসনের আমন্ত্রণে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্কটিশ সংসদ সদস্য, ব্যবসায়ী সহ রাজনীতিবিদরা। আরও উপস্থিত ছিলেন শেখ রেহানা, শেখ হাসিনার কন্যা সায়েমা ওয়াজেদ পুতুল, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী প্রমুখ।

গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত কপ ২৬ জলবায়ু সম্মেলন শেষে ৫ই নভেম্বর বুধবার লন্ডনে আসেন প্রধানমন্ত্রী। অবস্থান করছেন লন্ডন শহরের ক্লারিজ হোটেলে। লন্ডন সহ যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর থেকে আগত আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা সহ সাধারণ মানুষ সমবেত হয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান ক্লারিজ হোটেলে। এখানে তিনি সবার সাখে কুশল বিনিময় করেন এবং পরে বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দের সাথে মোবাইলে কথা বলেন।

এরপর তিনি লন্ডনের কুইন এলিজাবেথ হলে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলন ও রোড শো’র উদ্বোধনী করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয় বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্ভাবনা। উক্ত অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্য প্রবাসীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, প্রবাসীদের দেশে গিয়ে বিনিয়োগের নিশ্চয়তা এবং নিরাপত্তা সুরক্ষার জন্য তিনি সিলেটে আলাদা ইকোনমিক জোন তৈরী করে দেবেন। বিনিয়োগকারীদের সব সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করবে সরকার। অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক দৃঢ় করার তাগিদ দেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং তাঁর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন দেশের বানিজ্য মন্ত্রীও।

ভার্চুয়াল কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ এখন এক আকর্ষণীয় স্থান। কৃষি ছাড়াও বিদ্যুৎ, পর্য্যটন এবং জাহাজ নির্মাণ শিল্পে বিনিয়োগে বৃটিশ বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানাই”।
শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবারের সফরে আমাদের ইয়াং জেনারেশনের বিভিন্ন বিষয়ে মেধাবী ছেলে মেয়েদের সাথেও সাক্ষাৎ করে তাদের সাথে কুশল বিনিময় করে তাদের সামনের দিকে আরও এগিয়ে যাওয়ার উৎসাহ দিয়েছেন। তিনি যে একজন খোলা মনের মানুষ এবং দেশে বিদেশে অবস্থানরত নিজের দেশের মানুষের উন্নতি চান, তাও তিনি প্রমাণ করে গেলেন। এ ধরণের গুণাবলী যেসব নেতা নেত্রীর মধ্যে থাকে তারাই হচ্ছেন দেশের জনগণের প্রকৃত শাসক।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন লন্ডনের ক্লারিজ হোটেলে আসেন তখন বিএনপি এবং তার অংগ সংগঠনগুলো হোটেলের সামনে বিক্ষোভ করে। তারা শেখ হাসিনা বিরোধী বিভিন্ন শ্লোগান দেয়।
বিএনপি এই বিক্ষোভ মিছিল করতে পারে, এটা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। অভিজ্ঞ মহলের মতে, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিলো তখন তারা তো শুধু তাদের পকেট ভারী করার ধান্ধায়ই ছিলো এবং এখনও করছে। তারা এখন বাংলাদেশের জনগণের কাছে চাঁদাবাজির দল হিসেবে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে। ২০০১ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্য্যন্ত বিএনপি’র শামনামলে ৫ বছর বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে টিআই প্রতিবেদনে তালিকাভুক্ত হয়েছিলো। তখন বাংলাদেশের মানুষ অতীষ্ট হয়ে তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে ক্ষমতাচ্যুত করে। তারা কি তাদের অতীত ইতিহাস ভুলে গেছে? তাদের একথা বোঝা উচিৎ, রাজনীতি করতে হলে জনগনের আস্থা অর্জন করতে হয়। সুখে দু:খে জনগণের পাশে থাকতে হয়। তারা কি তা করছে? তাদের দলের মধ্যেই নেতৃত্ব নেই! সুতরাং কর্মীরা কার কথা শুনবে? তবে এ কথা সত্য, ফখরুল সাহেব বা রিজভি সাহেবকে মাঝে মধ্যে তাদের সভা সমাবেশে দু’ একটা বক্তব্য ছাড়েন, তাতে বোঝা যায় এই বক্তব্যগুলো তাদের নিজেদের পদ রক্ষার খাতিরে, জনগণের স্বার্থে নয়। বাংলাদেশের মানুষ ভালো করেই তা বুঝে নিয়েছে তাই তারা এসব বক্তব্যের পাত্তাও দেয়না। আজ তারা কোন মুখে বর্তমান সরকারের দুর্নীতির কথা বলে, তা যেন ভাবতেও লজ্জা লাগে। মনে পড়ে যায় তাদের অতীতের দুর্নীতির ইতিহাস। এগুলো লিখেতো শেষ করা যাবেনা। বর্তমান সরকারেও কিছু সংখ্যক দুর্নীতিবাজ লোক আছে তা অস্বীকার করছিনা কিন্তু এদের দমন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন, যার ফলে এখন তা সরকারের আয়ত্বে এসে গেছে। এদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি প্রদানের জন্য পদক্ষেপ সরকার নিয়েছে এবং তা কার্য্যকরও হচ্ছে। কিন্তু বিএনপি’র শাসনামলে যখন দুর্নীতি হয়েছে, তখন সেই সরকার এদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নিতে পারেনি। এর কারণ হিসেবে বলা যায়, বেগম খালেদা জিয়ার দুই পুত্রই ছিলো দুর্নীতির পুরোধা তাদের নেতৃত্বেই চলছিলো দুর্নীতি সহ নানা অপকর্ম। বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন তাদের কাছে অসহায়!

বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশের অবস্থা একেবারে বিপরীত। এখন বাংলাদেশ দিন দিন উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত এখন যে ভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে এবং হচ্ছে যার ফলে উক্ত এলাকাগুলোর লাখ লাখ মানুষের জীবন যাত্রা বদলে গিয়েছে। ব্যবসা বানিজ্য, চাকুরী ইত্যাদির ক্ষেত্রে মানুষ সব ধরণের সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে।বাংলাদেশ বিশ্ববাসীর কাছে একটি উন্নয়নের রুল মডেল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে, আর এ কারণেই বাংলাদেশের জনগণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের পতাকাতলে সমবেত হয়েছে।

সবশেষে আমি বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশ্যে বলতে চাই, সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের চক্রান্ত এবং ষড়যন্ত্র করে, জনগণের জান মালের ক্ষতি করে ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখা মরিচিকার পেছনে দৌড়ানোর মতো! তাই তাৎক্ষণিক ক্ষমতার লোভ না করে বরং জনগনের সেবায় মনোযোগ দিন, কাজের মাধ্যমে তাদের বিশ্বস্থতা অর্জন করুন। জনগণের ভাগ্যন্নোয়নে সরকার যে ভালো কাজগুলো করে যাচ্ছে, তাদের সহযোগিতা করুন। মনে রাখবেন সে দিন আর বেশি দূরে নয়, বাংলাদেশ অদূর ভবিষতেই ইউরোপের সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। আপনাদের বোধোদয় হোক এই রইলো আমার কামনা।

লেখকঃ রফিকুল হায়দার ( দেওয়ান ফয়ছল) সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিষ্ট

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102