

স্টাফ রিপোর্টার: বঙ্গবন্ধুর সমবায় আন্দোলন ও দর্শনকে কাজে লাগাতে পারলে দেশে কৃষি উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। একইসঙ্গে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সঠিক বাজারজাতের মাধ্যমে কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হবে বলেও মনে করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা সবসময় সমবায় আন্দোলন ও উৎপাদন ব্যবস্থার কথা বলতেন। এ সমবায়ে কৃষকের জমি কেউ নিবে না, বরং সকলের জমিকে একসঙ্গে করে একত্রে উৎপাদন করবে।
শনিবার (৬ নভেম্বর) টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জাতীয় সমবায় দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মধুপুর উপজলা সমবায় অফিস ও সমবায়ীরা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, আজকের বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর সমবায় দর্শনকে কাজে লাগাতে হবে। এটি সফলভাবে করতে পারলে দেশের খণ্ডবিখণ্ড জমিতে উৎপাদন যেমন বহুগুণে বাড়বে, তেমনি উৎপাদিত পণ্যের প্রক্রিয়াজাত ও সঠিক বাজারজাত সম্ভব হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।
এর আগে মন্ত্রী সমবায় দিবসের র্যালিতে অংশগ্রহণ, মধুপুর উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত নতুন ভবন ও লাইব্রেরি উদ্বোধন এবং কৃষকদের মধ্যে ভর্তুকিমূল্যে কম্বাইন হারভেস্টার বিতরণ করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ ভর্তুকিতে কৃষকদেরকে কম্বাইন হারভেস্টার, রিপারসহ কৃষিযন্ত্র দিচ্ছে। এর ফলেই কৃষকেরা এসব যন্ত্র কিনতে পারছেন। নাহলে খুব সংখ্যক কৃষকই ৩০ লাখ টাকা দামের একটা কম্বাইন হারভেস্টার কিনতে পারতেন। তবে সমবায় বা সমিতির মাধ্যমে কৃষকেরা এগিয়ে আসলে কৃষিযন্ত্র কেনা তাদের জন্য আরও সহজ হবে।
মধুপুরবাসীর উদ্দেশে ড. রাজ্জাক বলেন, মধুপুরের আনারস উৎপাদনের সুযোগকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে আমরা কাজ করছি। ফিলিপাইন থেকে আনারসের উন্নত জাতের চারা আনা হচ্ছে। এ বছর আরও ৬ লাখ উন্নতজাতের আনারসের চারা আমরা মধুপুরে বিতরণ করবো।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- উপজেলা চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন, পৌরসভার মেয়র মো. সিদ্দিক হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিন, সিনিয়র সহসভাপতি ইয়াকুব আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহম্মেদ নাসির প্রমুখ।