
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকা একটি ভূখণ্ড হিসেবে পরিচিত ছিল। বহুজাতিক, বহুভাষিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যপূর্ণ এই অঞ্চলটি রাজনৈতিক এবং ভৌগোলিক জটিলতার কারণে যুগের পর
বিস্তারিত
প্রকৃতি ও পরিবেশের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন করা হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে পানি শূন্যতা হ্রাস ও এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক বুনিয়াদ গড়ে তুলতে আমরা বাঁশ এর ফলন ও এর
পার্বত্য এলাকার মানুষরা নিজেদের চাহিদা ও সমস্যাগুলোর কথা গুছিয়ে বলতে জানে না। তাই এ এলাকার সহজ সরল মানুষদের সমস্যাগুলো অনুভব করুন আর তা দ্রুত সমাধান করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন। শনিবার
পার্বত্য চট্টগ্রামের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের উদ্দেশ্যে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, আপনাদের এম্পাওয়ারমেন্ট হওয়া দরকার। আপনাদের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে। মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর বেইলী রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলে আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে মানুষের জীবিকা নির্বাহে বহুমুখী উৎপাদনশীল ফলনের দিকে ঝুঁকতে হবে। সোমবার খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলার মনাটেক যাদুগালা মৎস্য