পার্বত্য চট্টগ্রামের বন ঝুঁকিপূর্ণ! বর্তমানে পার্বত্য অঞ্চলের বন সংরক্ষণের জন্য জরিপ করা প্রয়োজন। বৃক্ষ নিধন রোধ ও এর সংরক্ষণ করা না হলে পার্বত্য অঞ্চলের অপার সৌন্দর্য্য একদিন রূপকথায় পরিণত হবে।
নতুন প্রজন্মকে দক্ষতা ও যোগ্যতায় স্মার্ট মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসন আয়োজিত ৪৫তম জাতীয় বিজ্ঞান
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষি খাতকে অকল্পনীয় গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। দেশে সুশাসন বিরাজ থাকায় নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন চলে আসছে। আর সুশাসন না থাকলে এসব কাজের সুযোগই হতো না। মাঠে কৃষি
পার্বত্য চট্টগ্রাম সরকারের আইন-শৃঙ্খলা অনুসরণ করেই পরিচালিত হয়ে আসছে। ব্রিটিশ আমল থেকেই পার্বত্য অঞ্চল বিশেষ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি চুক্তির ফলস্বরূপ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়েছে। এ
ত্রিপুরাবাসীকে সাহসী মনোভাব নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিষ্ঠার সাথে, সততার সাথে, মানবিক গুণাবলী দিয়ে দেশের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিশ্বের অন্যান্য জাতির সাথে তাল মিলিয়ে নিজস্ব খেলাধুলা
আমার ভাষা, আমার কৃষ্টি ও সংস্কৃতি আমার জন্য গৌরবের। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সকল সম্প্রদায়ের ভাষা, কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের বিষয় প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা
আমাদের চিন্তা, চেতনা, দৃষ্টিভঙ্গি সবার এক নাও হতে পারে। কিন্তু সকলের একটাই লক্ষ্য দেশটা আমাদের সকলের। দেশের উন্নয়নের জন্য, দেশের স্বার্থের জন্য এদেশের মানুষের কল্যাণের জন্য আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ
শুক্রবার (১২ এপ্রিল) সকালে রাজধানীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ব্যাপক আনন্দ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পাহাড়িদের প্রাণের উৎসব বৈসাবি-২০২৪ পালিত হয়েছে। রাজধানীতে বসবাসরত পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ বাহারি
প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রামের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও জনজীবনের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের পার্বত্যবাসীদের মধ্যে শান্তি ও উন্নয়নের যে সোপান রচনা করেছেন তা দেশবাসীর কাছে
মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি, চিন্তা চেতনা আলাদা আলাদা হতে পারে, সেটা দোষের নয়, কিন্তু স্বাধীন সার্বভৈৗম বাংলাদেশ আমাদের সকলের। ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আর ২ লাখ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে আমাদের অর্জিত