

তিনি বলেন, বিচার বিভাগকে গতিশীল করে দ্রুততম সময়ে বিচার প্রক্রিয়া শেষ করতে বিচারকদের তাগিদ দেয়া হচ্ছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে মামলা জট সহনশীল মাত্রায় আনার পরিকল্পনায় বিচার বিভাগ কাজ করছে।
শনিবার সকালে পাবনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে বিচারপ্রর্থীদের বিশ্রামাগার ন্যায় কুঞ্জের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, পাখির যেমন দুইটি পাখা, তেমনি বিচারের ক্ষেত্রে একটি পাখা বিচারক আরেকটি পাখা আইনজীবী। উভয়ের সমন্বয়েই বিচার কাজ স্বল্প সময়ে সঠিকভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব। বেশি টাইম পিটিশন দিলে বিচার কার্যে দীর্ঘসূত্রিতার সৃষ্টি হয়, কাজেই টাইম পিটিশন কমাতে হবে। পরিশ্রম, সততা এবং সেবার মনোভাব থাকলে ভালো আইনজীবী হওয়া সম্ভব। জনগণ যাতে সহজে স্বল্প সময় ও কম খরচে ন্যায়বিচার পায় তা নিশ্চিত করতে আমরা চেষ্টা করছি।
পরে প্রধান বিচারপতি ফয়েজ আহমেদ সিদ্দিকী পাবনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে একটি বকুল ফুলের চারা রোপণ করেন ও আদালত চত্বরের পাশে জাদুঘর পরিদর্শন করেন। এর পরে তিনি স্থানীয় আদালতের বিচারকদের সাথে মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে বৈঠক করেন।
দুপুরে জেলা আইনজীবী সমিতির কনফারেন্স রুমে আয়োজিত আইনজীবীদের সাথে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন। পাবনা জেলা বার সমিতির সভাপতি আক্তারুজ্জামান মুক্তারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল আহাদ বাবু সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রীম কোর্টের রেজিস্ট্রার গোলাম রব্বানী, হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান, আপীল বিভাগের রেজিস্ট্রার মোহম্মদ সাইফুর রহমান, হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার (বিচারক) এসকে.এম তোফায়েল হাসান, প্রধান বিচারপতির একান্ত সচিব মো. আরিফুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় বার কাউন্সিলের ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান এ্যাড. রবিউল আলম বুদু, জিপি হোসেন শহীদ সরোয়ারদী, পিপি আব্দুস সামান খান রতন, প্রবীন আইনজীবী আব্দুর রহিম খান, অ্যাডভোকেট মো.শাজাহান মন্ডল।
অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতিকে ফুলের শুভেচ্ছা দিয়ে বরণ করেন পাবনা জেলার সিনিয়ার জেলা ও দায়রা জজ বেগম শামীম আহম্মেদ, পাবনা বিচার বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রমের ওপর সামগ্রিক বিবরণী উপস্থাপন করেন যুগ্ম জেলা জজ (অর্থঋণ আদালত আব্দুল্লাহ আল আমিন ভুইয়া।
নিউজ /এমএসএম