ছাতকে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে নিহত হন মুক্তিরগাঁও গ্রামের সাইফুল ইসলাম। তিনি চমক আলীর পুত্র। সংঘর্ষে আহত সাইফুল ইসলামকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তিনি মারা যান। টিকটক ভিডিও ধারণ করা নিয়ে দু”পক্ষের কথা কাটাকাটি নিয়ে বুধবার রাতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুই গ্রামবাসী। কালারুকা ইউনিয়নের মুক্তিরগাঁও ও পৌরসভার ভাসখালা গ্রামবাসীর মধ্যে রাতে শহরের অদুরে সুরমা ব্রিজ গোল চত্ত্বর এলাকায় এ
সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কয়েক ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে শতধিক লোক আহত হয়েছে। ভাংচুর করা হয়েছে গাড়ি-বাইক সহ বেশ কয়েকটি দোকান।পুলিশ সংঘর্ষ থামাতে শতাধিক রাউন্ড ফা্ঁকাগুলি, টিআর সেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে। রাতেই ভাসখালা গ্রামে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ১৯ জনকে আটক করেছে।
আটকৃতরা ভাসখালা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আজাদ মিয়ার পুত্র শাকিব মাহমুদ (২৫), আলী কাউছার (২১), লালু মিয়ার পুত্র মোশারফ হোসেন হেলাল (১৮), দুলন মিয়ার পুত্র ছায়েদ আহমদ লিমন (১৮), ইউসুফ আলীর পুত্র মোঃ রাসেল মিয়া(২০), আব্দুল জব্বারের পুত্র মোঃ সালমান(২৫), সোনাহর আলীর পুত্র চেরাগ আলী(৫৭), আকরম আলীর পুত্র রহিম আলী(৫৮), ইসকন্দর আলীর পুত্র মোতাছির আলী(৬৮), ওমর আলীর পুত্র আহাদ আলী (৬৩), মোদাচ্ছর আলীর পুত্র সুরত আলী(৭০), তাহিদ আলীর পুত্র দুলন (৩৮), ইছাক আলীর পুত্র নজির আলী(৭০), আলকাব আলীর পুত্র মোঃ মামুন মিয়া (১৯), মুক্তার আলীর পুত্র যোবায়েল আহম্মদ ইমন(২০), আমির আলীর পুত্র মোঃ রাজিব মিয়া (২২), ভাসখালা- কুমনা এলাকার মক্রম আলীর পুত্র আব্দুস শহিদ (৩৬), ব্রাহ্মনগাঁও”র আব্দুল জলিলের পুত্র আবু বক্কর (২০) ও দোয়ারাবাজার উপজেলার নরশিংপুর ইউনিয়নের নসরনগর গ্রামের লোকমান মিয়ার পুত্র মিলন মিয়া(৩২)।
ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ খাঁন মোহাম্মদ মাঈনুল জাকির জানান, হত্যা ও সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় এখনো কোন মামলা দায়ের করা হয়নি। আটক ১৯ জনকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ছাতক সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রনজয় চন্দ্র মল্লিক জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ ১৪ রাউন্ড টিআর গ্যাস,৬৯ রাউন্ড রাবার কার্তুজ ও ৩১ রাউন্ড সীসা কার্তুজ ব্যবহার করেছে।
নিউজ /এমএসএম